fbpx
 

নাইকো দুর্নীতির রায়ে আন্তর্জাতিক সালিশ ট্রাইবুনাল

Pub: শনিবার, জানুয়ারি ৪, ২০২০ ৩:১৯ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততা নেই, তথ্য গোপন রেখেছে আ’লীগ সরকার
আন্তর্জাতিক সালিশ নিষ্পত্তিকারী ট্রাইবুনালের রায়ের তথ্য ইচ্ছে করে গোপন রেখেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার। ট্রাইবুনালের দেয়া রায়ে বলা হয়েছে কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে গ্যাস নিয়ে তৎকালীন বিএনপি সরকার যে চুক্তি করেছিলো তাতে কোনোরকমের দুর্নীতি হয়নি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং অন্যদের বিরুদ্ধে এ মামলায় যে অভিযোগ আনা হয়েছে তার কোনো রকমের প্রমাণ বা ভিত্তি নেই।

আর ট্রাইবুনালের রায়ের এবিষয়টি যেন জনসম্মুখে প্রকাশ না করা হয় সেজন্য ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপুট (আইসিএসআইডি) কে তা প্রকাশ না করতে চাপও দিয়েছে সরকার।

সুইডেন ভিত্তিক অনুসন্ধানী সংবাদপত্র নেত্র নিউজে’র এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন খ্যাতিমান সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান। জাস্ট নিউজ পাঠকদের জন্য প্রতিবেদনটির ভাবানুবাদ তোলে ধরা হলো:

আইসিএসআইডি পরিচালিত ট্রাইবুনালে অংশ নেয়া তিন বিচারক হলেন: ট্রাইবুনাল প্রেসিডেন্ট মাইকেল ই স্কেনইডার, প্রফেসর ক্যাম্পবেল ম্যাক লেকলান কিউসি এবং প্রফেসর জন পলসন।

এর মধ্যে স্কেনইডারকে নিয়োগ দেন মামলার দুইপক্ষ। এছাড়া ম্যাক লেকলানকে নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ সরকার আর পলসনকে নাইকো।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নাইকো চুক্তি নিয়ে ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এই আদালতটি বসিয়েছিলো আইসিএসআইডি। এ ট্রাইবুনালের কর্মকর্তারা আওয়ামী লীগ সরকারের হস্তক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন- রায়ের গোপন রাখা এই বিষয়টি যেন জনসম্মুখে চলে না যায় সে জন্য বাংলাদেশ সরকার তা প্রকাশ করার অনুমতি দেয়নি আইসিএসআইডি’কে।

ট্রাইবুনাল যে নাইকো মামলার পক্ষে নেয়া হয়েছে শুধু তাই নয়। বরং নেত্র নিউজ ট্রাইবুনালের ৫৭১ পৃষ্ঠা রায়ই হাতে পেয়েছে।চলামান এই মামলায় বাদীপক্ষ খালেদা জিয়া এবং অন্য যে নয়জনে বিরুদ্ধে নাইকো চুক্তিতে যে দুর্নীতি এবং উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ এনেছে তা পুরোটাই সাংঘর্ষিক বলে প্রতীয়মান হয়ে উঠেছে।

আইসিএসআইডি ট্রাইবুনালের রায়ে বলা হয়েছে, “চুক্তি করতে নাইকো কোম্পানি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ঘুষ দিয়েছে এমন কোনো ধরনের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি।”

এতো আরো বলা হয়, “সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাইকো প্রজেক্টের জন্য দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছেন এর স্বপক্ষে স্বাধীন কোনো প্রমাণের যেমন আলামত পাওয়া যায়নি তেমনি মেলেনি কোনো ধরণের যুক্তি বাক্যও।”

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবিরা এই মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব‌্যারিস্টার মওদুদ আহমেদসহ অন্য যাদের অভিযুক্ত করেছে তাদেরও খালাস দিয়েছে এই ট্রাইবুনাল।

ট্রাইবুনালের রায়ে বলা হয়েছে, “মওদুদ আহমেদ এবং সহযোগি আইনি সহায়তা প্রতিষ্ঠান (জয়েন্ট ভেনচার এগ্রিমেন্ট) এর সঙ্গে নাইকোর যে লেদনদেন হয়েছে তাতে কোনোপ্রকার অনিয়ম বা উদ্বেগের কিছুই দেখতে পায়নি ট্রাইবুনাল। এমনকি এই আইনি প্রতিষ্ঠান থেকে নাইকো যে পরামর্শ সহায়তা নিয়েছে তাতেও কোনো অনিয়ম ছিলোনা।…দু’পক্ষের স্বার্থে অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে এমন কিছু মন্ত্রীর দিক থেকে যেমন পাওয়া যায়নি তেমনি তা হয়নি মন্ত্রণালয় থেকে দুটি মতামত নেয়া ক্ষেত্রেও।”

২০১৭ সালে নাইকো নিয়ে হাইকোর্টে যে রুল জারি হয়েছে সেটাও আইসিএসআইডি এর দেয়া রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। হাইকোর্ট শুনানিতে বলা হয়-সুনির্দিষ্ট এবং তথ্যপ্রমাণসহ এই অভিযোগ আনা হয়েছে।

“প্রকৃত কথা হলো এধরণের অভিযােগ সুস্পষ্টভাবে বিভ্রান্তিকর।” এতে বলা হয়, “(শুনানিতে) তথ্যপ্রমাণ না এনে বিদ্বেষমূলক কথা-বার্তা দাঁড় করানো হয়েছে।”

২০০৩ সালের জয়েন্ট ভেনচার এগ্রিমেন্টের মাধ্যমে নাইকো এবং বাংলাদেশ সরকার চুক্তি করে পরিত্যক্ত দুটো গ্যাসফিল্ডকে পুনরায় চালু করার। ২০০৪ সালে কানাডিয়ান কোম্পানি সরকারের কাছে গ্যাস বিক্রি শুরু করে। আর এ নিয়ে চুক্তি করতে দুই পক্ষের দুই বছর সময় লেগে যায়। গ্যাস পারচেইজ এন্ড সেল এগ্রিমেন্ট অনুসারে গ্যাস উত্তোলনের পর তার খরচ সরকারকে বহন করতে হবে।
২০১০ সালে আইসিএসআইডি-এর মাধ্যমে ট্রাইবুনালে দুটি বিষয়ে নিষ্পত্তির আবেদন করে নাইকো। প্রথমটি ছিলো বাপেক্স এবংপেট্রোবাংলা গ্যাসের জন্য নাইকোকে কোনো মূল্য পরিশোধ করছেনা।

আর দ্বিতীয়টা ছিলো ২০০৫ সালে গ্যাসফিল্ডে যে বিস্ফোরণ হয়েছে তানিয়ে সরকারকে নাইকোর ক্ষতিপূরণ।

তখন ২০১৪ সালে আইসিএসআইডি’র শুনানিতে বলা হয়, গ্যাস সরবরাহের জন্য ৩৩.৪ মিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ বাংলাদেশ সরকারকে নাইকো নিকট পরিশোধ করতে হবে।তখন বাপেক্স এবং পেট্রোবাংলা দাবি করে বসে জয়েন্ট ভেনচার এগ্রিমেন্ট এবং গ্যাস পারচেজ এন্ড সেল এগ্রিমেন্ট-এ দুটি চুক্তি তৎকালীন সরকারের সঙ্গে দুর্নীতির মাধ্যমে করা হয়েছিলো। তাই এটা বাতিলযোগ্য।
এই আবেদনের প্রেক্ষিতেই আন্তর্জাতিক সালিশ নিষ্পত্তিকারী ট্রাইবুনাল তাদের রায় প্রদান করে।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মতান্ত্রিক দুর্নীতির কথা বলা হলেও সালিশ নিষ্পত্তিকারী ট্রাইবুনাল তাদের এই বিচার কার্যক্রমের জন্য বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন, ইউএস ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন এবং কানাডিয়ান পুলিশের মাধ্যমে ২০০৭ সাল থেকে ২০০৯ পর্যন্ত যৌথ তদন্ত চালিয়েছে।

২০১১ সালে অনুসন্ধানের ভিত্তিতে কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষ নাইকোর বিপক্ষে অভিযোগ আনে যে, তৎকালীন জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেনকে ২০০৫ সালে বিলাসবহুল এসইউবি গাড়ি এবং কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র ঘুরার উৎকোচ দেবার চেষ্টা করে কোম্পানিটি। তবে কানাডার রাষ্ট্রীয় আইনজীবিরা জানিয়েছেন নাইকো চুক্তিতে উৎকোচ নেবার ঘটনা ঘটেছে এমন কোনো আলামত তারা পাননি।

আইসিএসআইডি’তে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয় তাদের কাছে অধিকতর তথ্য-প্রমাণ আছে যাতে প্রমাণ হয় দুর্নীতির মাধ্যমেই জয়েন্ট ভেনচার এগ্রিমেন্ট এবং গ্যাস পারচেজ এন্ড সেল এগ্রিমেন্ট-এ দুটি চুক্তি করা হয়েছে। তবে ক্ষমতাসীন সরকারের এ দাবিকে আমলে নেয়নি ট্রাইবুনাল। শুনানিতে বলা হয়, “যে প্রমাণের কথা বলা হচ্ছে সেগুলো সত্য নয়। তৎকালীন সরকারের চুক্তি এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তা নাকচ করে দেয়।”

ট্রাইবুনালে এটাও বলা হয় বাংলাদেশে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে কোনো আইনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানও ভাড়া করেনি নাইকো।

ট্রাইবুনালের রায়ে বলা হয়েছে, “ট্রাইবুনাল এমন কোনো প্রমাণ পাইনি যা দিয়ে বলা যায় অভিযুক্ত কোম্পানিটি (নাইকো) দুর্নীতির মাধ্যমে কোনো আইনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া করেছে।…তথ্যপ্রমাণ সাপেক্ষে বাস্তবতা যেটা বলে সেটা হলো-চুক্তির সমঝোতার জন্য আইনি পরমার্শক নিয়োগ দেয়াটা নাইকোর জন্য যৌক্তিক সিদ্ধান্ত ছিলো। আমরা তথ্য প্রমাণ ঘেটে যা পেয়েছি তা হলো-শরিফ উদ্দিন আহমেদ, কাশেম শরিফ, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন এবং সেলিম ভূঁইয়া-এই চার পরামর্শকের কেউই অনৈতিক কোনো পন্থা অবলম্বন করেননি। নাইকো বা রাষ্ট্রীয় কোনো কর্মকর্তার নিকট থেকে উৎকোচ নিতে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করেছেন এমনটারও কোনো আলামত খুঁজে পায়নি ট্রাইবুনাল।”

ট্রাইবুনাল থেকে আরো বলা হয়- ক্ষমতাসীন সরকারের পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী পুত্র তারেক রহমানের সরকারি প্রভাব খাটানো এবং আর্থিক অনিয়মের যে অভিযোগ করা হয়েছে তারো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

রায়ে বলা হয়, “তারেক রহমান গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের কাছ থেকে টাকার ভাগ নিয়েছেন এবং জয়েন্ট ভেনচার এগ্রিমেন্ট তিনি নিয়ন্ত্রণ রেখেছেন-এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।”

আইসিএসআইডি এর পক্ষ থেকে বলা হয় বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকার মামলার প্রকৃত কোনো তথ্য তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে।বরং সরকারের কথার সঙ্গে বেমিল খুঁজে পাওয়া গেছে।

এতে বলা হয়, নাইকোর কাজ পাওয়াটা ছিলো যথাযথ। বৈধভাবেই ছাতক গ্যাসফিল্ডের চুক্তি হয়েছিলো আর তাতে লাভবান হয়েছিলো বাপেক্স আর পেট্রোবাংলাই। নাইকোর সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশর উৎপাদন নীতিমালার বরখেলাপ হয়েছে এমন কথার যথার্থতা নেই। অন্য সরবরাহকারীদের গ্যাসের জন্য যে মূল্য পরিশোধ করতে হয় তার চেয়ে কম মূল্য বরং পেট্রোবাংলাকে সে সুবিধা দিয়েছে নাইকো।

নাইকোর এই দুর্নীতি মামলায় মজার যে বিষয়টা হলো তা হলে তাতে বর্তমান সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-এ-এলাহির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে বাপেক্স, পেট্রোবাংলা।

রাষ্ট্রায়ত্ত এদুটি কোম্পানি তাদের অভিযোগে জানায়- শেখ হাসিনা ক্ষমতার মেয়াদের প্রথম দিকে ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০০০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত জ্বালানি সচিবের দায়িত্ব পালন করা তৌফিক-এ-এলাহিকে দেবার জন্য তার ভাই জাহাঙ্গির এলাহির কাছে ৫৪,০০০ ডলার ঘুষ দেয় নাইকো।”

অভিযোগে বলা হয়, “বাংলাদেশের সরকার জানিয়েছে জাহাঙ্গির এলাহির কাছে এ টাকাটা দেয়া হয়েছিলো যাতে তৌফিক-এ-এলাহি যাতে নাইকোর এফওইউ এবং প্রস্তাবনা বাস্তবায়নে সমর্থন করেন। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী এটা একটা ষড়যন্ত্রমূলক কান্ড। এরস্বপক্ষে এফবিআইকে উদ্বৃত্ত করে বাপেক্স এবং পেট্রোবাংলা জানিয়েছে- এই টাকার লেনদেনটাই বলে দেয় যে নাইকো তাদের পক্ষে কাজ পেতেই এই ঘুষ প্রদান করেছে।

তবে এ অভিযোগকে প্রমাণ পাওয়া যায়নি সে কারণ দেখিয়ে আমলে নেয়নি আইসিএসআইডি। তবে বিচারচলাকালে সরকারে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা তৌফিক-ই-এলাহিকে সাক্ষ্য দিতে না আনার বিষয়টিতে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ট্রাইবুনাল।

খালেদা জিয়া এবং মওদুদ আহমেদ ব্যতীত অন্য অভিযুক্ত যাদের করা হয়েছে তারা হলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন, সাবেক প্রধান সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, সাবেক সচিব খন্দকার শহিদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারি সচিব সিএম ইউসুফ হোসেন, বাপেক্সের সাবেক এমডি মীর মঈনুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, সাবেক ঢাকা ক্লাব সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া এবং দক্ষিণ এশিয়া নাইকোর ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরিফ।

২০০৭ সালে নাইকো মামলাটি দায়ের করা হয়। ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে এখন এটির চার্জ গঠন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এমামলায় ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম থাকলেও হাইকোর্ট তা এক আবেদনের প্রেক্ষিতে বাতিল করে দিয়েছে।

আইসিএসআইডি রায় সম্পর্কে আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে জিজ্ঞাসা করা হয় এটি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলমান বিচারে (বাংলাদেশে) কোনো প্রভাব ফেলবে কীনা? আর তাতে অনেকটা নাখোশ হয়ে যান তিনি।

জবাবে বলেন, “আমি এসম্পর্কে জানিনা। তারা (আইসিএসআইডি) এসব নিয়ে কথা বলার কে? ঘটনাটা বাংলাদেশে ঘটেছে আর আমরা বাংলাদেশে তার (খালেদা জিয়া) বিচার করছি।”

নেত্র নিউজরে পক্ষ থেকে ট্রাইবুনালে আনা অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা বুঝাতে তিনি শেক্সপিয়ারের “হেলমেট” থেকে উদাহরণ টেনে দেখালেন। বলেন-“হোরেশিও তোমার দর্শন আঙ্গিনায় যেসব স্বপ্ন দেখো, তার বাইরে অনেক কিছু রয়েছে স্বর্গ আর মর্ত্যে।”

Hits: 378


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ