যাকে মারতে পারবোনা হাতে তাঁকে মারবো ভাতে

Pub: সোমবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৮ ১০:৫৬ অপরাহ্ণ   |   Upd: সোমবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৮ ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ পৌর এলাকায় সিএনজি চালককে মারধরকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও দোকানপাট ভাংচুরের ঘটনায় চরগাঁও,তিমিরপুরসহ উপজেলার কয়েটি ইউনিয়নের একাধিক গ্রামের লোকজনের মধ্যে পরামর্শ সভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরামর্শ সভায় উপস্থিত হন প্রশাসনের লোকজন কিন্তু সংঘর্ষের ৪র্থ দিনেও শালিসে ব্যাপারে মতামত জানায়নি চরগাঁও গ্রামের লোকজন। সোমবার চরগাঁও ঈদগাহে এ পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার লোক অংশগ্রহণ করে। নবীগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর মোঃ আলাউদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই,নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরী,নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী,উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান চৌধুরী সেফু,হবিগঞ্জ জেলা জামায়াতের সহসভাপতি মাওলানা মোশাহিদ আলীসহ আরও অনেকেই। এসময় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, আমাদের লোকজনকে অন্যায়ভাবে মারধর করলো আমাদের দোকান ভাংচুর করা হলো অথচ আমাদেরই ৪জনকে পুলিশ আটক করেছে,আমরাও শান্তি চাই সুষ্ঠ সমাধানের স্বার্থে রাজাবাদ,আনমনু,রাজনগর,কানাইপুর গ্রামের উশৃঙ্খলাকারীদের গ্রেফতার করা হউক,অন্যতায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের শান্তপূর্ণ আন্দোলন চলবে। বক্তারা আরো বলেন,আমরা অস্ত্র দিয়ে অন্যায়-অত্যাচার কারীদের সঙ্গে লড়াই করবোনা,কথায় আছে যাকে মারতে পারবোনা হাতে তাঁকে মারবো ভাতে আমরা সেভাবেই প্রস্তুতি নেব। সভার শুরুতেই নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী, নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ বিন হাসান সেখানে উপস্থিত হয়ে শালিসের মাধ্যমে বিষয়টি সুষ্ঠ সমাধানের আশ্বাস দিয়ে আগামী বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ বিন হাসান চরগাঁও ও তিমিরপুর গ্রামের ১৫জন নেতৃত্বস্থানীয় লোকজনকে উপজেলা পরিষদে যাওয়ার আহবান করেন। প্রথমদিনের সংঘর্ষ থামাতে মিস ফায়ারে(অসাবধানতামূলক) কারণে গুলিবিদ্ধ হয়ে পুলিশ সদস্য খায়রুল ইসলাম আহত হন জানিয়ে নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী বলেছেন, এবিরোধটি মিমাংসার স্বার্থে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। অন্যদিকে ৪র্থ দিনেও আতংকে বন্ধ রয়েছে শহরের অধিকাংশ দোকানপাট । ঘটনার সূত্রপাত, গত বুধবার বিকেলে বানিয়াচং কাগাপাশা থেকে নবীগঞ্জ শহরের ফেরার পথিমধ্যে কানাইপুর শ্মশানঘাট এলাকায় পৌঁছামাত্রই চরগাঁও সিএনজি স্ট্যান্ডের সিএনজি চালক কাওছার মিয়াকে (রাজাবাদ) থানা পয়েন্টের সিএনজি স্ট্যান্ডের সিএনজি চালক শিশু মিয়াসহ কয়েকজন একত্রিত হয়ে মারধর করে। এঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে মারধরের ব্যাপারে রাজাবাদ পয়েন্টের ম্যানেজারের আফজল মিয়া,মিজান মিয়া,ফয়েজ মিয়া,বেলাল মিয়ার কাছে চরগাঁও সিএনজি স্ট্যান্ডের ম্যানেজার আব্দুল আমিন চৌধুরী,আলমন্দর চৌধুরী,নিপন,রিপন,শাহজাহান,আলমসহ কয়েকজন সেখানে গেলে তাদের সঙ্গে বাকবিত-া হয়। এক পর্যায়ে উভয় গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে । এসময় মাছ বাজার,পোল্ট্রি ফার্ম,দোকানপাটসহ বেশ কয়েকটি দোকান ভাংচুর করা হয় । প্রায় ৩ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের শতাধিক লোকজন আহত হয় ।সংঘর্ষ থামাতে মিস ফায়ারে(অসাবধানতামূলক) কারণে গুলিবিদ্ধ হয়ে পুলিশ সদস্য খায়রুল ইসলাম আহত হন বলে জানান নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1125 বার