fbpx
 

লাখাইয়ে স্বামীর পরকিয়ার বলি দু’সন্তানের জননী মাহফুজা

Pub: Thursday, October 31, 2019 7:55 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি- হবিগঞ্জ জেলায় লাখাই উপজেলার ভরপূর্ণি গ্রামের স্বামীর পরকিয়ার বলি হয়েছে দু’সন্তানের জননী মাহফুজা বেগম (২৩)। এ ঘটনায় ৭জনকে অভিযুক্ত করে মাহফুজার ভাই মোঃ বদিউল আলম বাদী হয়ে লাখাই থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হচ্ছে- মাহফুজার স্বামী মকসুদ আলী (৩৬), শ্বাশুড়ী লিবাস বানু (৫৫), মকসুদের পরকীয় প্রেমিক মামাতো বোন জাকিয়া আক্তার (১৯), ভাসুর আতিগুল মিয়া (৪৫), তার স্ত্রী নাসিমা খাতুন (৪০), মামা শ্বশুর মোঃ আকবর হোসেন (৪৬) ও হোসেন মিয়া (৪২)। এর মাঝে স্বামী মকসুদ আলী গ্রেফতার হয়েছে। অপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে রয়েছে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, ২০১২ সনের ৭ সেপ্টেম্বর পার্শ্ববর্তী গোয়াকড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের কন্যা মাহফুজা বেগমের বিয়ে হয় ভরপুর্নি গ্রামের খেলু মিয়ার পুত্র মকসুদ আলীর সাথে। তাদের একটি ৫ বছর বয়সী মেয়ে ও একটি ১৮ মাস বয়সী ছেলে রয়েছে। বিয়ের পর মকসুদ ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবী করে। তাদের দাবী পুরন না করায় মাহফুজাকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করা হতো। এতে সে পিত্রালয়ে অবস্থান করে। এ ঘটনায় ২০১৪ সনের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৭ সনের জুলাই মাসে সামাজিক শালিসে বিষয়টি নিষ্পত্তি হলে মাহফুজা পুনরায় স্বামীর বাড়ি যায়। এদিকে মকসুদ আলী তাদের পার্শ্ববর্তী বাড়ির মামাতো বোন জাকিয়া আক্তারের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি মাহফুজা আচ করতে পারলে মকসুদ বিষয়টি প্রকাশ না করার জন্য মাহফুজাকে হুমকী দেয়। এর পর থেকে অভিযুক্তরা প্রায়ই মাহফুজাকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করতো। এদিকে ঘটনার তারিখ ২১ অক্টোবর রাত ১২টার দিকে মাহফুজাকে দাড়ালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়। তার গলা কাটাসহ পুরো শরীরে ২৪টি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খবর পেয়ে মাহফুজার ভাই মামলার বাদী বদিউল আলম অন্যান্যদের নিয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যান। খবর পেয়ে পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌছে। এ সময় পুলিশ ঘাতক মকসুদ আলীকে গ্রেফতার করলেও হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্যরা আত্মগোপন করে।
মামলার বাদী বদিউল আলম জানান, হত্যার পর মাহফুজার লাশ গুম করার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। কিন্তু আশপাশের লোকজন চলে আসায় এরা সফল হয় নি।##

ফিল্মি স্টাইলে মাসির সামনে প্রেমিকাকে সিঁদুর পড়িয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ! অতঃপর…
ছবি সহ
কিবরিয়া চৌধুরী, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি- হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় স্ত্রী’র স্বীকৃতি পেতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করেছেন এক কলেজ ছাত্রী। অপর দিকে কৌশলে আত্মগোপন করেছে প্রেমিক। স্ত্রী হিসেবে ওই মেয়েকে গ্রহন করতে অস্বীকৃতি জানায় তার অভিভাবকরাও। এ অবস্থায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ এলাকার লোকজন উপস্থিত হয়ে বিষয়টি সমাধান করবেন বলে আশ্বাস দিলে বাড়িতে চলে যায় ছাত্রী। ঘটনাটি নিয়ে দিনারপুর এলাকায় চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
সূত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের ইমাম-বাঔয়ানি চা বাগানের বাসিন্দা জীবন কৃষ্ণ গোয়ালার কন্যা আউশকান্দি র.প স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণীর জনৈকা ছাত্রীর সাথে কলেজের লেখা পড়ার সুবাধে পরিচয় হয় দেবপাড়া ইউনিয়নের বালিদ্বারা নারাইন্দি গ্রামের প্রদীপ চন্দ্র করের ছেলে রনি চন্দ্র করের। পরিচয় থেকে এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে গড়ে উঠে প্রেমের সম্পর্ক। পরে তা দিনের পর দিন হয়ে উঠে গভীর থেকে গভীরতর। গত মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে ওই ছাত্রী তার মা-বাবা ও এক মামাকে নিয়ে প্রেমিক রনির বাড়িতে এসে স্ত্রী’র স্বীকৃতির দাবীতে অনশন করে। তবে এর আগেই কৌশলে আত্মগোপন করে প্রেমিক রনি। খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ এলাকার লোকজন উপস্থিত হন ওই বাড়িতে। এ সময় ওই ছাত্রী জানায়- ‘প্রায় ১ বছর আগে কলেজে পরিচয় হয় রনির সাথে। এক পর্যায়ে উভয়ের মন দেয়া নেয়া হয়, এমনকি সর্ম্পকটি অনেক গভীর হয়ে উঠে। সম্প্রতি প্রেমিক রনি মোবাইল ফোনে জানায়, তার সাথে দেখা করার জন্য। পরে দেখা হয় প্রেমিক জুটির। এসময় রনি বলে নবীগঞ্জ শহরতলীতে তাদের এক আত্মীয়র বাসায় বেড়াতে যাওয়ার জন্য। প্রেমিকের এমন আবদারে আর বাধা দেয়নি প্রেমিকা। সেও প্রস্তুত হয়ে চলে যায় প্রেমিকের সাথে। প্রেমিক রনি নিয়ে যায় নবীগঞ্জ শহরস্থ তার মাসির বাসায়। সেখানে গিয়ে রনি ওই ছাত্রীকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়। তার পরিবার এ বিয়ে মেনে নেবে কিনা প্রেমিকার এমন প্রশ্নে রনি বলে- ‘তোমাকে আমি বিয়ে করবো, আমি খাওয়াবো, পরিবার মানলেই কি আর না মানলেই কি?।’ এমন কথা বলে বাহিরে বেড়িয়ে যায় রনি। নিয়ে আসে সিঁদুর শড়খ। অনেকটা ফিল্মি কায়দায় যেন রনি তার মাসির সামনে প্রেমিকার সিঁথিতে সিঁদুর পড়িয়ে দেয়। উভয়ে হয় বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ, হয় মধুর চন্দ্রমা আর ওই বাসাতেই স্বামী-স্ত্রী হিসেবে হয় তাদের রাত্রি যাপন।’ প্রেমিক রনির বাড়িতে এসে এলাকার লোকজনের কাছে এমটাই বর্ণনা দেয় কথিত প্রেমিকা স্ত্রী। সে আরো জানায়- ‘সিঁদুর পড়িয়ে তাকে বিয়ে করার পর খবর পেয়ে রনির কাকা শ্রীভাষ ও বিশুসহ কয়েকজন লোক যায় ওই বাসায়। সেখানে গিয়ে তারা কৌশলে কোর্ট ম্যারিজ করাতে হবে বলে প্রেমিক জুটিকে গাড়িতে তুলে নিয়ে আসেন। পানিউম্দা বাজারে গিয়ে অনেকেই গাড়ী থেকে নেমে যান পরে রনি ও একজন লোক মেয়েকে নিয়ে যায় চা বাগানের ভিতরে তাদের বাসায়। বাসায় গিয়ে মেয়ের মায়ের সঙ্গে কথা বলে মাকে বুঝিয়ে বলেন- ‘যেহেতু ছেলে-মেয়ে একে অন্যকে পছন্দ করে বিয়ে করেছে তাই ৭২ ঘন্টার ভিতরে আনুষ্ঠানিকভাবে কন্যাকে নেয়া হবে।’ এ কথা বলে চলে আসেন তারা। এর পর থেকেই রনির মোবাইল ফোনে বার বার কল দিয়ে বন্ধ পায় কথিত প্রেমিকা স্ত্রী। এরপর থেকে ভেঙে পড়ে সে, তার মনে দেখা দেয় হতাশা। কোন উপায় না পেয়ে গত মঙ্গলবার রাতে মেয়ে মা-বাবা ও মামাকে নিয়ে ছুটে আসে রনির বাড়িতে। এসময় কৌশলে আত্মগোপন করে রনি। খবর পেয়ে রনির বাড়িতে আসেন দেবপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোহিত চৌধুরী, দেবপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মুহিবুর রহমান রুকুদসহ এলাকার অনেক লোকজন। মেয়ের মুখ থেকে ঘটনার বর্ণনা শুনার পর রনির অভিভাবকদের সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে রনির স্ত্রী হিসেবে ওই মেয়েকে গ্রহন করতে অস্বীকৃতি জানায় তার অভিভাবকরাও। এতে চরম বিপাকে পড়ে মেয়ে ও তার পরিবার। পরে ৪ দিন পর পানিউমদা ইউনিয়ন পরিষদে সালিশে বসে ঘটনার সুষ্ট সমাধান করা হবে বলে আশ্বাস দিলে মেয়েকে জিম্মায় নিয়ে যান অভিভাবকরা। এ ঘটনাটি লোকমুখে প্রচার হলে এলাকায় শুরু হয় রসালো আলোচনা-সমালোচনা। রাতে রনির বাড়িতে স্ত্রী’র স্বীকৃতির দাবীতে প্রেমিকার অনশনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেবপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোহিত চৌধুরী।
এ ব্যাপারে জানতে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আজিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ‘থানায় এমন কোন অভিযোগ করেনি কেউ, ঘটনাটি সর্ম্পকে তিনি অবগত নয়।’##

বাহুবলের ছাত্রীকে গণ-ধর্ষণের ঘটনায় পাহাড়াদার গ্রেফতার
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি- হবিগঞ্জে জেলার বাহুবলের পুটিজুড়ী এসসি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রীকে গণ-ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আহাদ মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেফতারকৃত আহাদ মিয়া মির্জাপুর চা বাগানে ছগিদার (পাহাড়াদার)। মঙ্গলবার রাত ৩টায় পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পিবিআইয়ের একটি বিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীমঙ্গলের মীজাপুর চা বাগানে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।##


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ