fbpx
 

জাতির চরম ক্রান্তিলগ্নে মুক্তির মুলমন্ত্র হচ্ছে ৭ই নভেম্বরের বিপ্লবী চেতনা

Pub: Thursday, November 7, 2019 9:19 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেট মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। দীর্ঘ ৬ বছরের শাসনামলে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সংবাদপত্রের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত, দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ থেকে মুক্ত, দেশকে স্বাবলম্বী ও জাতিকে মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু সা¤্রাজ্যবাদী আগ্রাসী শক্তি বার বার আমাদের গণতন্ত্রকে ধুলিসাৎ করতে বিভিন্ন অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান তাবেদার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলী দিয়ে ভারতীয়দের সকল খায়েশ পূরণে ব্যস্ত রয়েছেন। ফ্যাসিস্ট সরকার আদর্শিক মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে ষড়যন্ত্রমুলক মামলার ফরমায়েসী রায়ে গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছে। জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে দেশনায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ফরমায়েসী সাজা ও মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। কিন্তু কোন ষড়যন্ত্রই জাতীয়তাবাদী শক্তিকে দমিয়ে রাখতে পারবেনা। বিপ্লবের চেতনায় উদ্ভাসিত হয়ে বিএনপি ফ্যাসীবাদের মুলোৎপাটন করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করবেই।
তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে কোনো সরকার ছিল কি, ছিল না, তার কোনো দৃষ্টান্ত ছিল না। দেশ তখন নেতৃত্বহীন অবস্থায় ছিল। ভারতীয় আধিপত্যবাদী ও সাম্রাজ্যবাদীদের চক্রান্তে মেজর জিয়াউর রহমানকে বন্দি করা হয়। ঠিক সেই মুহূর্তে দেশপ্রেমিক সিপাহী-জনতা সম্মিলিত বিপ্লবের মাধ্যমে সা¤্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের মোকাবিলা করে মেজর জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করে। জাতির চরম ক্রান্তিলগ্নে প্রেসিডেন্ট জিয়ার মতো সুযোগ্য নেতা না থাকলে দেশের ইতিহাস ভিন্ন হতে পারতো। শহীদ জিয়া মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত সিপাহী-জনতার সেই আশা-আকাঙ্খা পুরনে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সিলেট মহানগর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন। সিলেট মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকীর সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম সিদ্দিকীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় মহানগর বিএনপি, ২৭টি ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও অঙ্গ-সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। নগরীর দরগাগেইট আলিয়া মাদরাসা মাঠ সংলগ্ন একটি অভিজাত হোটেলের হলরুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মহানগর বিএনপির স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা: আশরাফ আলী।
সভায় বক্তব্য রাখেন, মহানগর সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির শাহীন, কাউন্সিলার ফরহাদ চৌধুরী শামীম, জিয়াউল গণি আরেফিন জিল্লুর, জিয়াউল হক জিয়া, ডা: নাজমুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, এডভোকেট আতিকুর রহমান সাবু, হুমায়ুন আহমদ মাসুক, সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল আহমদ মোর্শেদ, মাহবুব চৌধুরী, দফতর সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, প্রচার সম্পাদক শামীম মজুমদার, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নিগার সুলতানা ডেইজী, মহানগর বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান চৌধুরী, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব নেওয়াজ বখত তারেক, যুবদল নেতা তফাজ্জুুল হোসেন বেলাল ও মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব¦ী আহসান, বিএনপি নেতা এম মখলিছ খান, জিয়াউর রহমান দীপন, আলী হায়দার মজনু ও আব্দুস সবুর।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্তার, আব্দুর রহিম, আব্দুল ফাত্তাহ বকশী, আমির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব কাদির শাহী, সাংগঠনিক সম্পাদক কাউন্সিলার সৈয়দ তৌফিকুল ইসলাম হাদী, যুব বিষয়ক সম্পাদক মির্জা বেলায়েদ হোসেন লিটন, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক নুরুল আলম সিদ্দিকী খালেদ, স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক হাবিব আহমদ চৌধুরী শিলু, মানবাধিকার সম্পাদক মুফতী নেহাল উদ্দিন, শিশু সম্পাদক আব্দুল হাকিম, সমবায় সম্পাদক মামুনুর রহমান মামুন, মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক আক্তার হোসেন মিন্টু, আপ্যায়ন সম্পাদক আফজাল উদ্দিন, পল্লী উন্নয়ন সম্পাদক আব্দুল জব্বার তুতু, কর্মসংস্থান সম্পাদক নুরুল আলম, বিএনপি নেতা জেবুল হোসেন ফাহিম, খসরুজ্জামান খসরু, লোকমান আহমদ, নাসিম আহমদ চৌধুরী, সোহেল বাসিত, নজির হোসেন, আব্দুস সাত্তার আমিন, উজ্জল রঞ্জন চন্দ, কয়েস আহমদ সাগর, এডভোকেট সালেহ আহমদ, মেতাহির আলী মাখন, নাসির উদ্দিন রব, সাইদুর রহমান বুদুরি, মাহবুব আহমদ চৌধুরী, মঈনুল হক স্বাধীন, পিয়ার উদ্দিন পিয়ার, আরিফ আহমদ, শফিকুর রহমান টুটুল,আখতার রশীদ চৌধুরী,আব্দুস সোবহান, বাবর আহমদ, লুৎফুর রহমান, দিলোয়ার হোসেন রানা, ফয়েজ আহমদ শিপু, নুরুল ইসলাম লিমন, মানিক মিয়া, আলমগীর কবির মুন্না, জাবেদুর রহমান দিদার, যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন মানিক, সাহিবুর রহমান সুজন, সোহেল মাহমুদ, এম. এ মতিন, কল্লোলজ্যোতি বিশ^াস জয়, জামিল আহমদ, মির্জা স¤্রাট, উসমান গনি, জয়নুল ইসলাম, ইছাক আহমদ, এস.এম পলাশ, নজরুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা আব্দুল হাসিব, আশরাফ উদ্দিন রাজিব, আলী আকবর রাজন, আব্দুল মোতাকাব্বির চৌধুরী সাকি, রুবেল ইসলাম, তাইজুল ইসলাম সাজু, সদরুল ইসলাম লোকমান, আবুল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজম খান, মনাফ আহমদ, সাহেদ আহমদ, আজিজ খান সজীব, দিলোয়ার হোসেন, জীবন আহমদ ও জামাল বক্স প্রমূখ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ