• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সারাদেশ

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চাঁদাবাজি ডিএসসিসিকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২:২৭
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২:২৭

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চাঁদাবাজি ডিএসসিসিকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চাঁদাবাজি ডিএসসিসিকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে

শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের জন্য মাসিক ফি ১০০ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও অতিরিক্ত ফি আদায়ের ঘটনা চলছে। এ বছরের মে মাসে প্রথম আলো এক প্রতিবেদনে নির্ধারিত ফির বাইরেও ময়লার জন্য বাড়তি টাকা দিতে হয় বলে জানিয়েছিল। যদিও সে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর ডিএসসিসি প্রশাসক কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, তবু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার ব্যবধানে যে কতটা ফারাক, তা সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

ডিএসসিসির কোথাও কোথাও রসিদে ১২০ টাকা লিখে বাড়তি ৫০ টাকা হাতে নেওয়া হচ্ছে, কোথাও নেওয়া হচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত। কিন্তু এই অতিরিক্ত টাকার কোনো রসিদ দেওয়া হয় না। আবার নির্ধারিত টাকা দেওয়ার পরও নিয়মিত ময়লা না নেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। নিয়মিত ময়লা না নেওয়ায় জমে থাকা ময়লা থেকে দুর্গন্ধসহ নাগরিকদের নানাবিধ ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। কোনো সন্দেহ নেই সেবা দেওয়ার নামে এই অতিরিক্ত ফি আদায় একধরনের চাঁদাবাজি।

নির্ধারিত টাকার বেশি নিলে বা নিয়মিত ময়লা না সরালে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি আরও মাস চারেক আগে দিলেও এখনো কোনো বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি। আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের সাত দিন অন্তর তদারকির প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। ফলে নির্দেশনা কাগজে–কলমেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে। আবার অভিযোগ দিলে ময়লা নেওয়াই বন্ধ হয়ে যায় কি না—এ আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী নগরবাসীরা।

অতিরিক্ত ফি আদায়ের সঙ্গে এক শক্তিশালী রাজনৈতিক সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে বলে বিভিন্ন সময়ে প্রথম আলোর প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে। নগরবাসীকে সেবা দেওয়ার নামে নাগরিককে জিম্মি করে অতিরিক্ত ফি আদায় চক্রের জন্য লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।

আমরা মনে করি, এ সমস্যা সমাধানে ডিএসসিসির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। প্রশাসনিক নির্দেশনা যেন মাঠে বাস্তবায়িত হয়, সে জন্য সুষ্ঠুভাবে তদারক করতে হবে। মাঠপর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা যদি তদারকিতে অনীহা প্রকাশ করেন কিংবা নিয়মিত প্রতিবেদন না দেন, তবে তাঁদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। রাজনৈতিক সিন্ডিকেট ভাঙতে হলে জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

পাশাপাশি নগর-পরিকল্পনাবিদদের বিভিন্ন পরামর্শ আমলে নেওয়া জরুরি বলে মনে করি। ওয়ার্ডভিত্তিক ঠিকাদারদের তালিকা, নির্ধারিত ফি, অভিযোগ জানানোর নম্বর, অনিয়মে নেওয়া ব্যবস্থার তথ্য প্রকাশের সুষ্ঠু ব্যবস্থা করতে হবে। কেবল সদিচ্ছার কথা জানানোই পর্যাপ্ত নয়, বরং সেটা বাস্তবায়ন করেই ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষকে তাদের প্রতিশ্রুতির সত্যতা প্রমাণ করতে হবে। নগরবাসীকে অতিরিক্ত ফি ও দুর্গন্ধের ভোগান্তি থেকে বাঁচাতে ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে তদারকি জোরদার করবে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে চাঁদাবাজিমুক্ত করবে—এটাই প্রত্যাশা।

আ/আ


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com