• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

জাতীয়

বৃষ্টি আসতে এত দেরি হচ্ছে কেন

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৩ ৭:৩৭
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৩ ৭:৩৭

 

কি গ্রাম কি শহরে, মানুষ যেন চাতক পাখির মতো তাকিয়ে আছে আকাশের দিকে। প্রচণ্ড গরমে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে জনজীবন। কবিগুরু ‘রুদ্র বৈশাখের’ যে চিত্র তুলে ধরেছিলেন, তেমনই ‘ধুলায় ধূসর রুক্ষ’ চেহারা নিয়ে বৈশাখ হাজির হয়েছে। আকাশের দিকে চাতকের দৃষ্টি তাই বৃষ্টির জন্য। কংক্রিটের জঙ্গল এই রাজধানীতে গরমের দাপট যেন আরও বেশি। তবে শুধু রাজধানীতে নয়, বৃষ্টির কামনা দেশজুড়েই।

৭ এপ্রিল থেকে দেশ বৃষ্টিহীন। এর আগে ২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের নানা জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। তার পরের পাঁচ দিন কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হয়েছে। ৭ তারিখ থেকে কোথাও বৃষ্টি নেই। এর মধ্যে গতকাল সোমবার দেশের উত্তর-পূর্বের জনপদ সিলেটে বৃষ্টি ঝরেছে। তবে এর পরিমাণ ছিল সামান্য। আজও দেশের দুই বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

৭ এপ্রিল থেকে টানা ১০ দিন দেশ বৃষ্টিহীন। তবে এমন নজির যে আগে ছিল না, তা নয়। আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, বৃষ্টি হওয়ার জন্য প্রকৃতির কিছু শর্ত পূরণ দরকার। তা হচ্ছে না বা তাতে বিলম্ব হচ্ছে। এ কারণেই বৃষ্টি আসতে এই দেরি হচ্ছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, বৃষ্টির জন্য যে মেঘের দরকার, সেই মেঘ সৃষ্টি হতে পারছে না। শীতের হাওয়া এবং এ সময়ের তপ্ত হাওয়া—দুই-ই ভারতের উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও বিহার হয়ে বাংলাদেশের দিকে আসে। এটি বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা, যশোর অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এই প্রবাহের সঙ্গে তৈরি হওয়া মেঘও আসতে চাইছে। কিন্তু তা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক সমরেন্দ্র কর্মকার প্রথম আলোকে বলেন, উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও বিহার হয়ে আসা মেঘ হারিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ঊর্ধ্ব ও নিম্ন আকাশে উষ্ণমণ্ডলীয় উচ্চ চাপ বলয়ের আধিক্য আছে। বঙ্গোপসাগর থেকে তৈরি আর্দ্রতা এই চাপের কারণে উত্তর দিকে বা উত্তর-পূর্ব দিকে আর এগোতে পারছে না। তিনি বলেন, ‘গত কয়েক দিনে বাংলাদেশ, ভারতের বিহার ও মধ্যপ্রদেশের আকাশ পরিষ্কার, মেঘহীন।’

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ
উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]

© Copyright . শীর্ষ খবর ডট কম