• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে শক্তিশালী অংশীদারিত্বের পথে বাংলাদেশ

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৯
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৯

 

শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত

​বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও মজবুত উল্লেখ করে এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে উন্নয়ন অংশীদারিত্বের এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।

​বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস এবং আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স (অ্যামচ্যাম) আয়োজিত ‘পাওয়ারিং বাংলাদেশ’স নেক্সট গ্রোথ চ্যাপ্টার: আ পাথওয়ে টু এনার্জি সিকিউরিটি অ্যান্ড স্ট্যাবিলিটি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনার শেষে তিনি ‘৩০তম ইউএস ট্রেড শো ২০২৬’-এর বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

তিনি বলেন, এই সম্পর্ক কেবল মানুষে মানুষে যোগাযোগের ভেতর সীমাবদ্ধ নেই; বরং বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নে উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র দিন দিন আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

​মাহ্দী আমিন জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে ৫০টিরও বেশি মার্কিন প্রতিষ্ঠান সরাসরি বিনিয়োগ করেছে। দেশের বিকাশমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি এবং নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জনম্যান্ডেটপ্রাপ্ত সরকারের উপস্থিতিতে আমেরিকান বিনিয়োগের পরিধি আরও বহু গুণ বৃদ্ধির অপার সম্ভাবনা রয়েছে।

​বাণিজ্য ও সোর্সিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমেরিকানদের পরিহিত প্রতিটি পোশাকের পেছনে জড়িয়ে রয়েছে লাখ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিকের ঘাম, ত্যাগ ও সহনশীলতা। এটি একটি উইন-উইন সম্পর্ক।

তিনি পোশাকের বাইরে চামড়া, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়ানো এবং গম, সয়াবিন ও স্ক্র্যাপ মেটালের মতো আমেরিকান পণ্যের আমদানি সম্প্রসারণের ওপর জোর দেন।

​জ্বালানি খাতে শেভরন ও এক্সিলারেট এনার্জির দীর্ঘদিনের সফল অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সরকার ব্যাপক পরিসরে গ্যাস ও কয়লা অনুসন্ধানের পরিকল্পনা করছে, যা মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করবে। এছাড়া বর্তমানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোকে মার্কিন প্রযুক্তির জন্য বড় ধরনের ব্যবসায়িক সুযোগ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন তিনি।

​জনকল্যাণমুখী কর্মসূচির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার্স কার্ডের মতো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব কর্মসূচি সফল করতে মাস্টারকার্ড বা ভিসার মতো আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে যৌথভাবে কাজ করা সম্ভব। পাশাপাশি তরুণদের যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তির পরিধি বাড়ানোর বিষয়েও দুই দেশের গঠনমূলক আলোচনা চলছে।

​জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের প্রসঙ্গ টেনে মাহদী আমিন বলেন, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আন্তরিক ও গভীর সম্পর্ক দেখা গেছে। আগামী দিনগুলোতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত নতুন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

​পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম. মাশরুর রিয়াজের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর শু শিয়াং। এতে আরও বক্তব্য দেন জিই ভার্নোভার সারতাজ ভূঁইয়া, এক্সিলারেট এনার্জির মো. হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, বিএসআরএম গ্রুপের আমীর আলি হোসেন এবং বুয়েটের অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন।

 

 

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ
উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]

© Copyright . শীর্ষ খবর ডট কম