• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

রাজনীতি

আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির সময় অন্তর্বর্তী সরকার জামায়াতকে কিছুই জানায়নি

প্রকাশ: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬ ৫:৩২
আপডেট: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬ ৫:৩২

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি :সংগৃহীত
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আমেরিকার সঙ্গে হওয়া চুক্তির বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি বলে দাবি করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “এখনো আমি অত্যন্ত দায়িত্ব নিয়ে বলছি, তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে কোনো একজন মানুষ এই বিষয় নিয়ে আমাদের সঙ্গে একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি।”

শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে রংপুর শিল্পকলা একাডেমিতে মহানগর জামায়াত আয়োজিত সুধী সমাবেশে যোগ দেওয়ার আগে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিস্তা মহাপরিকল্পা প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা পদ্মা ব্যারাজের উদ্যোগকে অভিনন্দন জানাই। কিন্তু এটা তিস্তার বিনিময়ে নয়।”

তিনি আরও বলেন, “তিস্তার জায়গায় তিস্তাকে অবশ্যই তার পাওনা দিতে হবে এবং এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতেই হবে। এর ভিন্ন আমরা কিছু চাই না। আমি সংসদের ভেতরেও একই কথা বলেছি। আমাদের অবস্থান এই ব্যাপারে একদম পরিষ্কার।”

স্থানীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি নির্বাচনমুখী দল এবং তারা গণতান্ত্রিক পন্থায় দেশের নেতৃত্বের পরিবর্তন চায়। তাই দলটি সব ধরনের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে এবং এবারও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সব স্তরে অংশ নেবে।

তিনি আরও বলেন, “জাতীয় নির্বাচনের পরে দুটি উপ-নির্বাচন হয়েছে। একটি শেরপুরে, আরেকটি বগুড়ায়। সেখানকার পরিস্থিতি সবাই দেখেছেন। আমরা শঙ্কিত, আদৌ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কি না। তবে জনগণকে অনুরোধ করব, তারা যেন নিজেদের অধিকারের পক্ষে আবারও সজাগ ও সোচ্চার হয়। মনে রাখতে হবে, সব সমস্যার সমাধান জনগণের ম্যান্ডেট। জনগণ জাগলে সব ঠিক হয়ে যায়।”

জামায়াতের আমির বলেন, “গণভোটের পক্ষে দেশের মানুষ রায় দিয়েছে। সরকার সেই গণভোটের রায়কে অপমান ও অগ্রাহ্য করেছে। গণভোটের রায়কে বাদ দেওয়া বা পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে দেওয়া হবে না। আমরা গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য সংসদের ভেতরে ও বাইরে আন্দোলন চালিয়ে যাব। একদিন এই রায় বাস্তবায়ন হবেই।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকার গণভোটকে অগ্রাহ্য করার পাশাপাশি দেশের গভর্নর পরিবর্তন করে বিতর্কিত মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসিয়েছে। ৪২ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যখন দেশ একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাচ্ছিল, তখন কেন দলীয় লোকজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হবে? বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনে জনগণ যাদের প্রত্যাখ্যান করেছে, তাদের আবার বড় বড় পদে বসিয়ে রাখা হয়েছে। এটি জনগণের সঙ্গে এক ধরনের তামাশা।”

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ
উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]

© Copyright . শীর্ষ খবর ডট কম