• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

আইন-আদালত

বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীদের হত্যার পর বস্তায় বেঁধে নদীতে ফেলেন জিয়াউল

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২:০৭
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২:০৭

 

শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী চারজনকে গুলি করে হত্যার পর তাদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তার সঙ্গে বেধে বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। ২০১০ সালের মে মাসে র‍্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড করে র‍্যাব ৮ এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা।

আজ বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য প্রদানকালে এসব তথ্য জানান মেজর সাব্বির। তিনি ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী।

মেজর সাব্বির জানান, জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে র‍্যাব-৮ এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা পাথরঘাটার চরদুয়ানির বলেশ্বর নদীতে ফ্রিশিং ট্রলারে মুখ ও পুরো শরীর ঢেকে ৪ জনকে নিয়ে যায় এবং তাদেরকে নৃশংসভাবে মেরে ফেলে।

একই কায়দায় ২০১০ সালে আরেক ব্যক্তিতে মেরে নদীতে ফেলা হয় বলেও সাক্ষ্য দেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।

এই সাক্ষী জানান, ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের গলফ অপারেশনে জড়িত ট্রলার মাঝিদের মধ্যে একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যা করা হয়।
গুমের মামলায় এখন পর্যন্ত জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভুইয়া, হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী সেনা ও র‍্যাবের কর্মকর্তা সাক্ষ্য দেন। এরপর এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেয়া হবে। পরে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হবে৷ বিগত ১৬ বছরে এটিই প্রথম গুমের মামলা যার বিচার শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

নজরুল ইসলামসহ ৪ জনকে বলেশ্বর নদীতে নিয়ে চোখ বেঁধে, গুলি করে, পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে পানিতে ফেলা দেয়া হয় বলে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছের মেজর সাব্বির।

আ/আ

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ
উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]

© Copyright . শীর্ষ খবর ডট কম