শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।
গত ৭ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের নবন্না পার্টি সেন্টারে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. মুজিবুর রহমান মজুমদার। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন নাসিম আহমেদ।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত এজিএস ও সাবেক ছাত্রনেতা আনোয়ারুল ইসলাম আনোয়ার এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরাম যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা ও সাবেক ছাত্রনেতা মোতাহার হোসেন।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আমানউল্লাহ। প্রধান বক্তা ও প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান। তিনি ঢাকা থেকে টেলিফোনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে বক্তব্য প্রদান করেন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা অ্যাডভোকেট জামাল আহমেদ জনি, নিয়াজ আহমেদ জুয়েল, সৈয়দ মুরাদুল হাসান রেজা ও সায়েদুল হক।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন, নাছিম আহমেদ খান, এটিএম হেলালুর, শেখ আলী, মোস্তাক আহমেদ, আবুল কালাম, মাজহারুল ইসলাম জনি, ইসলাম ও জাহিদ হাসান সুমন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. এ. এস. এম. আমানউল্লাহ বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভূমিকা বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ, স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, জিয়া পরিবারের রাজনৈতিক আদর্শ, দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক চেতনার ধারাবাহিকতা রক্ষা করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপির ঐতিহাসিক ভূমিকা, অবদান ও রাজনৈতিক দর্শন দেশ-বিদেশে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে হবে।
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা অর্জনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল একটি স্বাধীন, সার্বভৌম, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু স্বাধীনতা অর্জনের পর শেখ মুজিবুর রহমানের বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার সংকুচিত করা হয়।













