শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
ইতালিতে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় দূতাবাস কার্যালয়ে এ দিবসটি পালন করা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের অবদান ও দেশের কল্যাণের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার, তা উল্লেখ করে তার প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা ও তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
আলোচনা সভায় দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম ও কল্যাণ) আসিফ আনাম সিদ্দিকী পরিচালনা করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন ইতালি জনতা এক্সচেঞ্জের প্রধান শাহাদাত হোসেন, ইতালি বিএনপির সাবেক নির্বাচিত সভাপতি তাইফুর রহমান ছোটন, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আনিমুর রহমান সালাম, সাবেক সহসভাপতি সৈয়দ মইনুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ৭ নভেম্বরের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
এ ছাড়া ইতালি বিএনপি, যুবদল, মহানগর বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মীসহ অন্যান্য প্রবাসী বাংলাদেশিরা দূতাবাস আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকসহ অন্যান্যরা। এ সময় দূতাবাসের ইকোনমিক কাউন্সিলর আল আমিন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরেন উপস্থিত অতিথিদের কাছে। এবং দূতাবাস প্রধান মারজুক রাসেল প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন। এর আগে সকালে দূতাবাসে জাতীয় সংগীত ও পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শুরু হয়।
দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স রিয়াদ হোসেন সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তার বিপ্লবী সংগ্রামের জীবনের কথা তুলে ধরেন।
মিয়ানমার ও উত্তর কোরিয়ার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, এই দেশের মতো আমাদের দেশেও এমন ঘটনা ঘটেছিল, যেমন—৭১, ৭৫, ৯০ এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালে। আমাদের দেশটা একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র হতে পারতো। কিন্তু হয়নি কেন জানেন? শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কারণে ব্যর্থ রাষ্ট্র হয়নি বাংলাদেশ।
ইতালি বিএনপির এক নেতার প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স রিয়াদ হোসেন বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা রাজনীতি করেন না, তবে তারা রাজনৈতিক সচেতন। রাজনীতিকে বিশ্লেষণ করেন, দেশকে নিয়ে ভাবেন। এবং একটা কাজ করেন, সেটা হলো বাংলাদেশ। আর এই কাজ করার শপথ নিয়েই এই চাকরিতে আমরা জয়েন করি।













