• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

অর্থ-বাণিজ্য

চতুর্মুখী সংকটে ব্যবসায়ীরা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৩ ৯:৪৬
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৩ ৯:৪৬

 

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হওয়ার ৮ দিন পর রাজধানীর বঙ্গবাজার মার্কেটে চৌকি পেতে জামাকাপড় বিক্রি শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। অগ্নিকাণ্ডের স্থলে ইট ও বালি বিছিয়ে নিচের অংশ মার্কেটের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে। তবে ওপরে নেই কোনো ছাউনি। বিদ্যুৎ কিংবা পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাও নেই। এমন বাস্তবতায় তপ্ত রোদেই খোলা আকাশের নিচে চৌকি বসিয়ে এক হাতে ছাতা ধরে, অন্য হাতে মাল বিক্রি করতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। এই অবস্থায় কেউ কেউ পেটে ভাতে বাঁচার যুদ্ধের কথা জানালেও হতাশায় দোকান শুরু করেননি বেশিরভাগ ব্যবসায়ী। দোকান না শুরুর পেছনে চতুর্মুখী সংকটের কথা বলছেন তারা।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের দাবি, তারা বেশিরভাগই পাইকারী ব্যবসায়ী। এই ছোট চৌকিতে বেশি মালামাল না ধরায় তারা ব্যবসা করতে পারবেন না। যদি চৌকির উপরে কাপড়ের স্যাম্পল রেখে বিক্রি করেন, তাহলে গোদামের দরকার। যা এই মুহূর্তে তাদের পক্ষে নেয়া সম্ভব নয়। এরসঙ্গে রয়েছে মালামালের সংকট। যে গার্মেন্টস ও কারখানা থেকে মালামাল আনতেন তারা, সেখানে লাখ লাখ টাকা বকেয়া। ফলে তাদের কাছে নতুন করে বাকিতে মালামাল চাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আবার দোকান খুললে সেই পাওনাদাররা টাকার জন্য এসে বসে থাকবে।

কেউ যদি আত্মীয় স্বজনের কাছ থেকে হাত পেতে টাকা এনে মালামাল উঠাতে চায়, তাও সম্ভব নয়। কারণ রাতের বেলা মালামাল রাখবে কোথায়? গোদাম ভাড়া নিলেও মালামাল আনা নেয়ার জন্য আলাদা লেবার লাগবে। সবচেয়ে বড় কথা, রোদের যে তেজ, খোলা আকাশের নিচে ব্যবসা করতে গেলেই কাপড়ের রং জ্বলে যাবে। ফলে এই নিঃস্ব দশাতে আবার লোকসান গুনতে হবে। তবে, বেশিরভাগ ব্যবসায়ী অনুরোধ করেছেন, যত দ্রুত সম্ভব সহায়তা তহবিলের টাকা তাদের হাতে তুলে দিতে। তাহলে কিছুটা বেশি মালামাল তুলতে পারবেন না। এদিকে, বঙ্গবাজারে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তার জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) পক্ষ থেকে দুই কোটি টাকা অনুদান দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র ফজলে নূর তাপস। পর্যায়ক্রমে সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ ও ছাউনির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

গতকাল বুধবার সরজমিনে দেখা যায়, পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যাওয়া বঙ্গবাজার মার্কেটস্থলে অর্ধেক জায়গায় ইট বালু দিয়ে উপরে সারি সারি চৌকি বসানো হয়েছে। একেটি চৌকি একজন ব্যবসায়ীর জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে নিচতলায় যারা ব্যবসায়ী ছিলেন, তারাই অল্প অল্প মালামাল নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছেন। দেড় শতাধিক ব্যবসায়ী দোকান চালু করলেও বেশিরভাগ ব্যবসায়ী চৌকি বসিয়ে নিজের জায়গা দখলে রাখছেন। আদর্শ মার্কেট এখনো অপসারণ না করায়, সেখানকার ব্যবসায়ীরা দোকান বসাতে পারেননি। অস্থায়ী দোকান শুরু করা বঙ্গ মার্কেটের নিচতলার হাফসা গার্মেন্টস নামে ১১৬০ নম্বর দোকানের ব্যবসায়ী ওমর ফারুক ভোরের কাগজকে বলেন, আগুনে ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গার্মেন্টস ও কারখানায় আরো ১০ লাখ টাকা দেনা আছি। সব মিলিয়ে অথৈ সাগরে পড়ে গেছি। এখন দোকান খুললে পাওনাদাররা ভিড় করবেন, তাই প্রথমে দোকান খুলতে চাইনি। পরে পাওনাদারদের সঙ্গে আলাপ করে, আগুনে সময়

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ
উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]

© Copyright . শীর্ষ খবর ডট কম