• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

সারাদেশ

তাহসিফ হত্যার শেষ রাতের ক্লু মিলছে না, উত্তরহীন একাধিক প্রশ্ন

প্রকাশ: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬ ৪:৩৯
আপডেট: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬ ৪:৩৯

তাহসিফ হত্যার শেষ রাতের ক্লু মিলছে না, উত্তরহীন একাধিক প্রশ্ন
 

‘রওয়ানা দিছি, আইতেছি’ এমন বার্তা পাঠানো ছেলেটা আর বাড়ি ফিরলো না। পরদিন তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরি নামে সেই ছেলেটির মরদেহ উদ্ধার করলো পুলিশ। ঘটনার আটদিন পেরিয়ে গেছে।

তাহসিফ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দুজন কয়েক দফা রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। সেই শেষ রাতে তাহসিফের কী ঘটেছিল তার কুল-কিনারা মিলছে না, এখনো অজানা ঘটনার মূল রহস্য। বহু প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনার পরে তাহসিফের বাবা কে এম এনায়েতুল করিম বলেন, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ বাসায় আসার পর তাহসিফ মাকে বলে বের হন, ‘দীপ আসছে, কথা বলে আসি।’ রাত বাড়লেও তিনি না ফেরায় মা বারবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। পরে রাত ১টা ৩৬ মিনিটে তাহসিফের ফোন থেকে মায়ের কাছে মেসেঞ্জারে একটি ভয়েস মেসেজ আসে। সেই বার্তায় তাহসিফ বলেন, ‘রওয়ানা দিছি আইতেছি’। কিন্তু এরপর আর বাসায় ফেরেননি।

তাহসিফের কিছু সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হয়। সেই ফুটেজে দেখা যায়, ঘটনার রাতে বন্ধু দীপ ও তাহসিফের সঙ্গে যোগ দেন পরিচিত এক তরুণী। রাতভর বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা, রেস্তোরাঁয় খাওয়া-দাওয়া শেষে একপর্যায়ে টঙ্গীর মাজার বস্তি হয়ে তুরাগ নদের তীরবর্তী একটি মাঠের দিকে যান তাহসিফ ও দীপ।

আটকের পর পুলিশের কাছে দীপ দাবি করেন সেখানেই দুজন আলাদা হয়ে যান। কিন্তু এরপর কী ঘটেছিল, তাহসিফ কীভাবে পানিতে পড়ে গেলেন, আর তার মৃত্যুর পেছনে অন্য কেউ জড়িত কি না। এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় দীপ ও তাহসিফের পরিচিত এক তরুণীকে কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। রিমান্ড শেষে দুজনকেই কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। তবে পুলিশের রিমান্ড আবেদন, আসামিদের বক্তব্য, রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি এবং পরিবারের অভিযোগ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তদন্তে বেশ কিছু সূত্র সামনে এলেও মৃত্যুর কারণ, ঘটনার প্রকৃত স্থান ও অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়ে গেছে।

শেষ রাতে মায়ের কাছে ভয়েস মেসেজ, এরপর নিখোঁজ

তাহসিফের মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়। এ দাবিতে ৩০ অক্টোবর তাহসিফের বাবা লিখিতভাবে তদন্তের আবেদন করেন। পরদিন ৩১ অক্টোবর উত্তরখান থানায় অজ্ঞাতপরিচয়ের ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন তিনি। মামলাটি করা হয় দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায়। এর মধ্যে ৩০২ ধারায় হত্যার শাস্তি, ২০১ ধারায় অপরাধের আলামত গোপন বা নষ্ট করার শাস্তি এবং ৩৪ ধারায় অভিন্ন উদ্দেশ্যে একাধিক ব্যক্তির অপরাধের দায় নির্ধারণের বিধান রয়েছে বলে জানান আইনজীবীরা।

আদালত প্রাঙ্গণ

ছেলের মৃত্যুর কারণ নিয়ে শুরু থেকেই সন্দেহের কথা জানিয়েছিলেন বাবা। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আত্মহত্যার প্রশ্ন আসে না, তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে কে বা কারা, কী কারণে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তিনি জানেন না। মাঝেমধ্যে তাহসিফ কিছু আশঙ্কার কথা বলতেন বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এসব আশঙ্কার সঙ্গে মৃত্যুর কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা তদন্তে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

তাহসিফের শেষ কয়েক ঘণ্টার যাত্রা

পুলিশের রিমান্ডে পাওয়া তথ্য বলছে, গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাহসিফকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান দীপ। প্রথমে তারা একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজে যান। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেন পরিচিত ওই তরুণী। তিনজন মিলে উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের সিপি ফাইভ স্টার স্ন্যাকসে যান। এরপর নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্টেও তাদের অবস্থানের তথ্য পাওয়া যায়। সেখানে খাবার ও পানীয় গ্রহণের পর তরুণী বাসায় চলে যান।

এরপর তাহসিফ ও দীপের গতিবিধি নিয়ে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি হয়। দীপের দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১২টা ৪০ মিনিটে তারা টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় পৌঁছান। সেখান দিয়ে তুরাগ নদের তীরবর্তী একটি মাঠের দিকে যাওয়ার পর কয়েকজন লোককে দেখে তারা আলাদা হয়ে যান। কিন্তু ওই লোকজন কারা ছিলেন, কেন তাদের দেখে দু’জন আলাদা হলেন, এরপর তাহসিফের সঙ্গে কী ঘটেছিল। এসবের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা এখনও পাওয়া যায়নি। পুলিশের প্রথম রিমান্ড আবেদনেই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত স্থান নির্ধারণ, অজ্ঞাতনামা অন্যদের শনাক্ত এবং তাহসিফের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

দীপের বক্তব্যে অসঙ্গতি, ১৫-২০ মিনিটের অনুপস্থিতি

তদন্তের শুরুতে দীপের দেওয়া বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দাবি করেছিলেন, কিছু লোকের ধাওয়ায় তাহসিফ তুরাগ নদে ঝাঁপ দেন এবং তিনি সেখান থেকে পালিয়ে আসেন। তবে তার বক্তব্যে একেক সময় একেক ধরনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল বলে সে সময় জানিয়েছিল পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নদের তীর থেকে প্রায় ৫০ গজ দূরে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধারের তথ্যও সামনে আসে। সেটি তাহসিফের কি না, তা যাচাইয়ের কথা জানায় তদন্তসংশ্লিষ্ট সংস্থা।

পরে মামলার তদন্তভার টঙ্গী নৌপুলিশের কাছে গেলে পুলিশ দীপকে গ্রেফতার করে। ৩১ অক্টোবর প্রথম দফা রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও সোর্সের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন দীপ তাহসিফকে ডেকে নিয়ে মাজার বস্তি এলাকায় যান। প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দীপের জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

দীপের দ্বিতীয় দফা রিমান্ড আবেদনে সামনে আসে নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে তার ১৫ থেকে ২০ মিনিটের অনুপস্থিতির বিষয়টি। ওই সময় তিনি কোথায় ছিলেন, কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং কী কথা বলেছিলেন, তা জানতে চায় পুলিশ।

৩ নভেম্বর রিমান্ড শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি আদালতে তুলে ধরেন। তার বক্তব্য, ওই সময়ের অবস্থান ও যোগাযোগের তথ্য ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এজন্য সিসিটিভি ফুটেজ, মুঠোফোনের কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর) এবং দীপের বক্তব্য মিলিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

পুলিশের আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে দীপ ঘটনার দিন তাহসিফের সঙ্গে ঘোরাফেরা ও বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার বিষয়ে তথ্য দিলেও হত্যাকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গেছেন। কিছু তথ্য দিলেও সেগুলো তদন্তের স্বার্থে গোপন রেখে যাচাই করা হচ্ছে। পরে তৃতীয় দফা রিমান্ড আবেদনে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী, সহযোগী কিংবা ভাড়াটে খুনি জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার কথাও বলা হয়।

তরুণীর সংশ্লিষ্টতা নিয়ে পুলিশের অনুসন্ধান

তদন্তে দ্বিতীয় অভিযুক্ত হিসেবে সামনে আসে তাহসিফের পরিচিত তরুণীর বিষয়টি। পুলিশের আবেদনে বলা হয়, সিসিটিভি ফুটেজ ও ফোনের কললিস্ট পর্যালোচনা করে ঘটনার দিন তাহসিফ ও দীপের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে ওই তরুণীর উপস্থিতির তথ্য পাওয়া গেছে। মোটরসাইকেল গ্যারেজ, সিপি ফাইভ স্টার ও নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে তাদের একসঙ্গে থাকার বিষয়টিও তদন্তে আসে। ১ নভেম্বর রাত আনুমানিক ২টার দিকে রাজধানীর কাফরুলের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালত তার প্রথম দফায় চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

দ্বিতীয় দফা রিমান্ড আবেদনে পুলিশ জানতে চায়, ঘটনার দিন সিপি ফাইভ স্টার বা নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে তাহসিফের সঙ্গে ওই তরুণীর কোনো কথা কাটাকাটি হয়েছিল কি না। তাদের সম্পর্কে আগে থেকে কোনো টানাপোড়েন চলছিল কি না, সেটিও যাচাই করতে চায় তদন্ত কর্মকর্তা। দীপ ও তরুণীর বক্তব্যের মধ্যে মিল-অমিল খুঁজে দেখার কথাও আবেদনে উল্লেখ করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তরুণী বিভিন্ন স্থানে যাওয়া ও তাহসিফের সঙ্গে অবস্থানের বিষয়ে তথ্য দিলেও গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন। তবে তার দেওয়া তথ্যের বিস্তারিত তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করা হয়নি।

অন্যদিকে, তরুণীর আইনজীবী শাহারিয়ার রহমান আদালতে দাবি করেন, তাহসিফ নিজেই তার মক্কেলকে বাসায় পৌঁছে দিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে বিরোধ থাকলে এমনটি হওয়ার কথা নয়।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, আসামিপক্ষের পাল্টা যুক্তি

রিমান্ড শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, ঘটনার আগে তাহসিফকে শেষ বার দীপ ও ওই তরুণীর সঙ্গে দেখা গেছে। বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ, কললিস্ট ও জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য মিলিয়ে তাদের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন। দীপের অনুপস্থিতির সময় এবং দুই অভিযুক্তের বক্তব্যের অসঙ্গতি দূর করাও তদন্তের অংশ বলে জানান তারা।

অন্যদিকে, দীপের আইনজীবী মনিরুল ইসলাম আদালতে বলেন, তাহসিফের সঙ্গে তার মক্কেলের প্রায় সাত বছরের সম্পর্ক ছিল। তার মক্কেল পুলিশকে সহযোগিতা করেছেন। তাহসিফ কেন রাত ২টার দিকে মাদকপ্রবণ এলাকায় গিয়েছিলেন, সেটিও তদন্তের বিষয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার মক্কেল যেন মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার না হন, সে আহ্বানও জানান। পরবর্তী শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী দাবি করেন, আগের রিমান্ডে তার মক্কেল প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়েছেন। আবার রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে রিমান্ডে স্বাস্থ্য ও খাবারের সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন এবং জামিন চান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টঙ্গী নৌপুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন বলেন, ঘটনার আগে ও পরে তাহসিফের সঙ্গে কারা যোগাযোগ করেছেন, আসামিদের অবস্থান কোথায় ছিল এবং অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ, ফোনের কল ডিটেইলস রেকর্ড ও আসামিদের দেওয়া তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। হত্যার উদ্দেশ্য এবং ঘটনার পেছনে কোনো পরিকল্পনা ছিল কি না, তা নিশ্চিত হতে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তবে এখনো পরিষ্কার নয়, তাহসিফের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তাকে কোথায় এবং কীভাবে হত্যা করা হয়েছে, নাকি অন্য কোনোভাবে তার মৃত্যু হয়েছে। নদের তীরে মাঠে ঠিক কী ঘটেছিল, দীপের বর্ণনায় থাকা লোকজন কারা, তার মোটরসাইকেলের অবস্থান কোথায় ছিল, আর দুই অভিযুক্তের বক্তব্যের সঙ্গে সিসিটিভি ও কললিস্টের তথ্য কতটা মেলে এসব প্রশ্নের উত্তরও বাকি। সেই সূত্রগুলো এক জায়গায় মিললেই হয়তো জানা যাবে, তাহসিফের শেষ রাতের অন্ধকারে আসলে কী ঘটেছিল।

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ
উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]

© Copyright . শীর্ষ খবর ডট কম