• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

জাতীয়

বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে কমিউনিটির অংশগ্রহণ জরুরি: সংস্কৃতিমন্ত্রী

প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৪৮
আপডেট: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৪৮

বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে কমিউনিটির অংশগ্রহণ জরুরি সংস্কৃতিমন্ত্রী
 

শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেছেন, একটি জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় শুধু স্থাপনা ও প্রত্নসম্পদে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের জীবনযাপন, লোকাচার, উৎসব, সংগীত, নৃত্য, কারুশিল্প ও লোকজ জ্ঞানের মধ্যেও তা নিহিত থাকে।

 

শনিবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকার শাহবাগে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘International Seminar on Community Based Safeguarding and Knowledge Exchange for Cultural Heritage’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ‘বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যই বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক শক্তি। পাহাড় ও সমতল, বিভিন্ন জনগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের জীবনধারা, আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসবের মধ্যে বৈচিত্র্য থাকলেও জাতীয় পরিচয় ও দেশপ্রেমের প্রশ্নে আমরা অভিন্ন।’

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্য হাজার বছরের সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ। এ দেশের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব স্বাধীনভাবে ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করে আসছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির এই ঐতিহ্য দেশের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, লোকজ উৎসব, নৌকাবাইচ, লোকসংগীত ও লোকনৃত্যের মতো জীবনঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড মানুষের মধ্যে আনন্দ, সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন তৈরি করে। নৌকাবাইচসহ ঐতিহ্যবাহী আয়োজন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

 

তরুণ প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা, লোকজ উৎসব ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানো গেলে তাদের সৃজনশীলতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে মাদকসহ বিভিন্ন নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে তাদের দূরে রাখতেও এসব উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

নারীর মর্যাদা ও অংশগ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, সমাজ ও সংস্কৃতির বিকাশে নারীর অবদান অনস্বীকার্য। নারীর প্রতি সম্মান, নিরাপত্তা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারীশক্তির বিকাশে সরকার কাজ করছে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রজন্মান্তরে তা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও নারীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, কমিউনিটিভিত্তিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। স্থানীয় মানুষকে সম্পৃক্ত করে ঐতিহ্য শনাক্তকরণ, নথিবদ্ধকরণ, চর্চা ও প্রজন্মান্তরে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা গেলে তা আরও কার্যকরভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ইবনে ওয়াহাবের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম ও ইউনেস্কোর প্রতিনিধি। এতে জাতীয় জাদুঘর ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, গবেষক এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনার শেষে মন্ত্রী হাজং ও মণিপুরি সম্প্রদায়ের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করেন।

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ
উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]

© Copyright . শীর্ষ খবর ডট কম