• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

মতামত

যেমন দেখেছি ,শুনেছি ড. ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী কে

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৩২
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৩২

 

নজরুল ইসলাম চৌধুরী

মরহুম ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী। শুধুমাত্র একটি নাম, এক জন ব্যাক্তি ছিলেন না। তিঁনি ছিলেন তৎকালীন পুর্ব ও পশ্চিম অভিবক্ত পাকিস্তানের খ্যাতমান ছাত্র নেতা, বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার কৃতিমান সন্তান। বলাচলে তিঁনি ছিলেন একটি প্রজ্ঞা আর মেধা এই দুই মিলে একট উজ্জ্বল নক্ষত্র ও জ্ঞান ভান্ডারের এক মহান প্রতিষ্ঠান। চিন্তা চেতনা দিক থেকে তিনি ছিলেন একজন আদর্শবান খাঁটি বাংলাদেশী নাগরিক। মরহুম ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী তৎকালীন ফেনী মহকুমার দাগনভুঁইয়া থানার বাসদেবপুর গ্রামের মরহুম হানিফ মিঞাজি বাড়ী সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তাঁর পিতা মৌলভী সিদ্দিকুর রহমান ছিলেন তখনকার সময়ে চট্রগ্রাম পাহাড়তলী রেলওয়ে হাই স্কুলের হেড মৌলভী। মাতা নূরন্নেছা বেগম ছিলেন একজন আদর্শবান গৃহিণী। ফেনী জেলার দাগনভুঁইয়ার তাঁর পিতৃভুমিতে ১৯৪১ সালের ১৪ই জানুয়ারী জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ২০২০ সালে দুনিয়াবি সকল ময়া মমতা ত্যাগ করে ২০২০ সালের ৩১শে আগষ্ট শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে না ফেরার জগতে ফাঁড়ি দিয়েছেন। দেশের রাজনৈতিক ও দলিয় নোংরা খেলায় অনেকটা অনাদরেই দুনিয়া ছেড়ে নিরবে নির্বিত্তে চলেগেলেন কোরেশী ভাই। তাঁর শেষ ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে তাঁর পিতা – মাতা আর সকল ময় মুরব্বিদের পাশে নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে চীর নিদ্রায় শায়িত করা হয়। মহান রাব্বুল আল্ আমিনের অশেষ কৃপায় তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে তাঁর বিদায় ক্ষণে তাঁকে নিয়ে আমার স্মৃতি চারন করার সৌভাগ্য হয়েছিল। জানাজা শেষে চীর নিদ্রায় শায়িত করার ক্ষনে নিজেকে উপস্থিত করতে পেরেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ। গেল মাসে ৩১শে আগষ্ট মরহুম ফেরদৌস আহমেদ কোরেশীর ৬ষ্ঠতম মৃত্যু বার্ষিকী ছিল। দেরীতে হলেও আমির তাঁর বিদেহী আত্মার প্রতি বিনম্র চিত্তে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।
আমার রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক জীবনে হাতেগোনা গুটি কয়েকজন গুরুজন সমতুল্য অবিভাবকদের মাঝে তিনি ছিলেন খুবেই শ্রদ্ধার এবং ভালোবাসার। ২০২০ সালে তাকে শেষ নিদ্রায় শায়িত রেখে আসার পর চেষ্টা করেছি প্রতি বছর নিরবে নির্বিত্তে আমার পরম শ্রদ্ধা ভাযন অবিভাবকের কবর জেযারত করে তাঁর রুহু জগতে ফাতেহা পাঠ করে সওয়াব পেষ করার গুরু দায়িত্ব পালনে নিজেকে সচেষ্ট রাখতে।
বড়ই পরিতাপের বিষয় যে নিজের শারীরিক অসুস্থতার কারনে এই প্রথম তাঁর কবর জেয়ারত করার গুরু দায়িত্ব পালনে ব্যার্থ হয়েছি। যার কারনে হৃদয়ের গভীরে অসহনীয় রক্তক্ষরণের যাতনা অনুভব করে নিজেকে খুবেই অপরাধী মনে করছি। গেল ১০ই সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে মরহুম ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী ভাই কে স্বপনে দেখে সরা রাত দুচোখে ঘুম তো দুরের কথা বিন্দুমাত্র নিদ্রাও অনুভব করিনি। ফজরের নামাজের পুর্বে এবং পরে মহান আল্লাহ সুবহানু ওয়া তালার দরবারে তাঁর বিদায়ী আত্মার মাগফেরাত কামানা করে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করার জন্য কায়মনোবাক্যে বিশেষ দোয়া করেছি।
মরহুম ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী ছাত্র রাজনীতির প্রারম্ভে ছাত্র ইউনিয়নের কাচাকাচি ছিলেন। ডক্টর ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী ষাটের দশকে অবিভক্ত পাকিস্তান ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ( ডাকসু) বিপুল ভোটে বিজয়ী ভিপি ছিলেন। ৬ দফা আন্দোলনে এবং ১১ দফা ভিত্তিক ছাত্র ও গন আন্দোলন চলাকালীন সময়ে , ৬৯ এর দুর্বার গনঅভ্যুত্থানে মরহুম ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী ছিলেন সমানের কাতারের অন্যতম একজন। উল্লেখ্য যে , একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মুক্তাঞ্চল খেকে সর্বপ্রথম মহান মুক্তিযুদ্ধের মূখপাত্র হিসাবে একমাত্র পত্রিকা “দেশবাংলা পত্রিকা ” প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর সম্পাদনায়। যে পক্রিকাটি তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নব্বই এর দশকে দৈনিক পত্রিকা হসাবে সংবাদ মাধ্যমে পুনঃ স্থান করেছিল। তাঁর সম্পাদনায় ‘ দেশ বাংলা পত্রিকায় ” দীর্ঘদিন একজন সংবাদ কর্মি হিসাবে ফেনীতে বিশেষ প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করার সৌভাগ্য হয়েছিল। তিনি শুধু বাংলাদেশের একজন মেধাবী রাজনীতিক ছিলেন না , ছিলেন একজন খ্যাতিমান সাংবাদিক , খুরধার কলম সৈনিক, গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। শুধু তাই নয়, তিনি ছিলেন বিশ্ব বিখ্যাত বিবিসি বাংলার সুনাধন্য ও জনপ্রিয় সাংবাদিক। জীবনের শেষ দিন গুলোতে মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক গুরুতর অসুখ – বিসুখে ভালো ছিলেন না প্রথিতযশা রাজনীততবীদ , সম্পাদক – সাংবাদিক ড. ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী। শরীরের পাশাপাশি একসময়ে উদ্দীপ্ত আর সাহসে ভরা মন ভেংগে পড়েছিল। বিছানাই ছিল তাঁর দীর্ঘদিনের ঠিকানা। ইশারা ইংগিতে কথা বলতেন। আমি একবার তাঁকে দেখতে তাঁর বাসায় গিয়েছিলাম।
( মরহুম কোরেশী ভাইয়ের কোন নিজ বাসা কিম্বা কোন জায়গা জমি ঢাকায় ছিলনা। তিঁনি মোহাম্মদপুর তাঁর মেযের বাসায় ছিলেন)
তখন তাঁর বাকশক্তি মোটেই ছিল না কিন্তু শ্রবণশক্তি ছিল প্রখর। আমাকে দেখামাত্র কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। তাঁকে সাহস জোগানোর জন্য শত চেষ্টা করেও আমি আমার বুক পাঠানো কান্না থামতে পারিনি।
উন্নত চিকিৎসার জন্য যে পরিমান অর্থের প্রয়োজন ছিল সেই সমর্থ তাঁর এবং তাঁর পরিবারের ছিল না। অপ্রিয় হলেও সত্য যে , আর্থিক টানাপোড়নের কারনে নিয়মিত বড় কিম্বা ভালো কোন হাসপাতালে চিকিৎসাও নিতে পারতেন না সেই দেশ প্রেমিক মহান মুক্তিযুদ্ধের খ্যাতনামা সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী। উল্লেখ্য যে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে স্বচ্ছতা আর সততা এবং খাঁটি দেশপ্রেমী চেতনার অধিকারী হিসাবে জীবনের এক প্রর্যায়ে মনের গড়মিল ও অনৈতিক চিন্তা চেতনাধারী রাজনীতিকদের সাথে নিজেকে খাপ খাওয়াতে না পেরে প্রগতিশীল গনতান্ত্রিক দল ( পিডিপি) গঠন করেছিলেন। পিডিপি ‘র চেয়ারম্যান ২০১৫ সাল থেকে জীবনের শেষ নিশ্বাস ত্যাগের পুর্ব ক্ষণ পর্যন্ত ঢাকার ভাড়া বাসায় বিছানায় শুয়ে কেটেছিলেন সেই ৬০ এর দশকের তুখোড় ছাত্রনেত মরহুম ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী। কথিত আছে যে , ১ / ১১ পরবর্তীতে অনেকেই তাঁর অর্থ সম্পদ নিয়ে নানান মুখরোচক আলোচনা থাকলেও তিঁনি ছিলেন শতভাগ একজন নির্লোভ , নিঃস্বার্থ , খাঁটি দেশপ্রেমিক একজন রাজনীতিবিদ।
অপ্রিয় হলেও সত্য যে , তাঁর মৃত্যুর পর তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ কিম্বা দেশের প্রধান বিরোধী দল বি এন পি , তখনকার সময়ের সংসদে গৃহ পালিত বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও তাদের সমর্থক রাজনৈতিক দলগুলোর কেউ কোন শোক জানিয়েছে এমনটি আমার নজরে আসে নি। অথচ তিঁনি আওয়ামী লীগ ও বি এন পির দুইটি রাজনৈতিক সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। গনতান্ত্রিক মত বিরোধ আর মতপ্রার্থক্য দেখা দিলে একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদের সকল অর্জনই মুছে ফেলতে হয় ? অস্বীকার করতে হয় ??
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আজকের প্রজন্ম এ ধরনের রাজনীতির অবসান চায় বলে আমি মনে করি। তারা চায় একটি অহিংস ও সমঝোতা আর শ্রদ্ধা ও মমতার রাজনীতি। যেখানে মত ও চলার পথের পার্থক্য থাকলেও রাজনীতিবিদরা একে অপরকে সন্মান করবেন , শ্রদ্ধা করবেন। এমনতর শ্রদ্ধা , সন্মান আর সমঝোতার রাজনীতি যদি দেশে প্রতিষ্ঠিত না হয় তা হলে অদুর ভবিষতে দেশের রাজনীতির হাল হকিকত কোন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছবে তা আমার বোধগম্য নয়।
সন্মানিত পাঠক — পাঠিকা বৃন্দ আমার অবেগের কারনে লেখাটি অনেকটা দীর্ঘ হওয়ার জন্য আমি আপনাদের সবার নিকট বিনীত ভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আশা করি বাকী টুকুতেও আমার সাথে থেকে আমায় কৃতার্থ করবেন।
খুব সংক্ষিপ্ত ভাবে তুলে ধরছি – মরহুম কোরেশী ভাই কে কেমন দেখেছি এবং তাঁর কাছ থেকে কি কি শুনেছি — মরহুস ফেরদৌস আহামেদ কোরেশী প্রথম সান্নিধ্য লাভ করেছিলাম তিঁনি যখন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গড়া বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠা কালিন সময়ে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন তখন। ফেনী জেলার কৃতিমান প্রতিক বি এন পির প্রথম যুগ্ম মহাসচিব কে প্রানডালা অভিনন্দন জানাতে ঢাকায় গিয়েছিলাম। আমার জানামত ও দেখামত তিঁনি ছিলেন শতভাগ সুভাষী , নিরহংকারী , মার্জিত ও সাদামাটা মনের একজন দল ও কর্মি বান্ধব একজন আদর্শিক নেতা। সর্বস্তরের মানুষের সাথে মেলামেশা করতেন খুবেই অন্তরিকতার সাথে। সেই সময় থেকে আজ অবধি আমি এমন গন ও জন বান্ধব নেতা হাতে গোনা মাত্র কয়েক জনের মাঝে কোরেশী ভাই কে দেখেছি খুব কাঁছ থেকে।
মরহুম ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী ভাই কে নিয়ে স্মৃতি চারন করা খুবেই দুরূহের বিষয়। আমি নিশ্চিত তাঁকে নিয়ে স্মৃতি চারন করার মত যোগ্যতা আমার নেই। তবুও আজ তাঁর ৬ষ্ঠ তম মৃত্যু বার্ষিকীতে ক্ষুদ্র পরিসরে তাঁকে নিয়ে কিচু স্সৃতি চারন করছি। যা আমি তাঁর সান্নিধ্যে থেকে দেখেছি এবং তাঁর নিকট থেকে শুনেছি ——–
শুরতেই শহীদ জিয়ার রহমান কে নিয়ে তার থেকে শুনা কথার কিছু তুলে ধরছি। ১৯৭৭ সালে যখন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাগদল গঠন করেছিলেন তখন কোন একরাতে জিয়াউর রহমান তাঁকে লেন্ড ফোনে কল দিয়ে বংগ ভবনে চা পানের আমন্ত্রন করেছিলেন। তারই সুবাদে কোরেশী ভাই যথযথ সন্মানে সন্মানিত হয়ে বি এন পিতে যোগদান করেছিলেন। এবং বি এন পির প্রতিষ্ঠা কালিন সময়তে ১৯৭৮ সালে তিঁনি প্রথম যুগ্ম মহাসচিব হন।
তাঁর সান্নিধ্যে থাকা কালিন সময়ে তাঁর কাছ থেকে যা শুনেছি —
একদিন তাঁর মুখে আরো যা শুনেছিলাম – “জিয়াউর রহমান একজন আদর্শবান , নির্লোভ , নিরঅলস , নির্ভিক , সাচ্ছা দেশপ্রেমিক। তা ছাড়া এটাতো সত্য যে ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চে যতি তিনি স্বাধীনতার ঘোষনা না দিতেন তা হলে কি বাংলাদেশ নামের স্বাধীন সার্বভৌম দেশ জাতি পেতো না।
জিয়াউর রহমান কে তিনি স্বনির্ভর বাংলাদেশের রুপকারক ও বহু দলিয় গনতন্ত্রের স্থপতি হিসাবে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্বীকার করতেন।
গ্যাস চালিত গাড়ি উদ্ভাবক-উদ্যোক্তা ছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। একদিন প্রেসিডেন্ট জিয়া আমাকে নিয়ে গাজিপুরের মেসিন – টুল্স কারখানায় গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে দেখি রাষ্ট্রপতির পরামর্শ মোতাবেক একটি বেবিট্যাক্সি পেট্রোল লাইনের পাশাপাশি গ্যাস লাইন স্থাপন করে টেস্ট করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। রাস্ট্রপতি আমাকে বললেন , আসুন আমরা গ্যাস চালিত টেক্সিটি চালিয়ে পরিক্ষা করি কেমন হয়? কথাটি বলে আমায় বললেন আমি চালক আর আপনি যাত্রী। বলার সাথে সাথে আমি খুব উচ্ছাসে উচ্ছ্বসিত হয়ে টেক্সিতে চড়ে বসলাম। জিয়া টেক্সিটি স্টার্ট দিয়ে মেসিন-টুল্স কারখানার চত্তরে বেশ কযেক রাউন্ড দিয়ে বললেন , কোরেশী সাহেব কেমন হলো? আমি বললাম আপনার আইডিয়া সত্যি অসাধারণ ও প্রশংসনীয়। তিনি বললেন পেট্রোলের বিপরিতে নিজের দেশের সম্পদ গ্যাস ব্যাবহার করে পেট্রোল আমদানী কমাতে হবে। তবেই দেশের অর্থনৈতিক মান উন্নতি লাভ করবে।
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শাহাদাৎ বরনের পর তিনি এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ এবং আপাদমস্তকে খাঁটিবি এন পির গুটি কয়েক নেতা সহ একমত হয়ে শহীদ জিয়ার বিধবা পত্নী বেগম খালেদা জিয়া কে দিয়ে বি এন পির প্রাথমিক সদস্য পদ লাভের জন্য দলের সদস্য ফর্ম পুরন করে বি এন পির মহাসচিব ডাক্তার এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মাধ্যমে তখনকার দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিচারপতি আবদুস সাত্তারের বরাবরে সাবমিট করিয়েছিলেন। সেই সময়ে বিচারপতি সাত্তার, বি চৌধুরী, শাহ্ আজিজুর রহমান গং বেগম খালেদা জিয়া কে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ দানে গড়িমসি করেছিল। তার অর্থ ওরা বেগম খালেদা জিয়া কে দল ও দেশের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে মোটেই ইচ্ছুক ছিল না। বেশ কিছুদিন পর এমন পরিস্থিতি দেখে আমি দলের প্রধান অফিসে গিয়ে যুগ্ম মহাসচিব হিসাবে বেগম খালেদা জিয়ার প্রদানকৃত সদস্য পদ লাভের দরখাস্তটি ফাইল থেকে বের করে আমি আমার ক্ষমতাবলে বেগম খালেদা জিয়ার আবেদন পত্রে অতি অনন্দ আর শ্রদ্ধার সাথে আপনাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সন্মানিত সদস্য পদ প্রদান করা গেল মর্মে সাই করেছিলাম। প্রসংগত কোরেশী ভাই থেকে শুনেছিলাম যে , এই ভুমিকা পরবর্তী তে আমার জন্য মস্তবড় সমস্যার কারন হয়ে পড়েছিল। ইত্যাদি ইত্যাদি — সে আরেক ফিরিস্তি।
জীবনে যদি কখনো সময় সুযোগ পাই তা নিয়ে লিখব ইনশাহআল্লাহ্।
কোরেশী ভাই কে যেমন দেখেছি ——-
বি এন পির জন্মলগ্ন থেকে আমি একজন কর্মি হিসাবে দলের নেতাদের যেমন দেখেছি তিঁনাদের মাঝে জনাব কোরেশী ভাই ছিলেন শতভাগ ভিন্ন। সেই সময়ে বি এন পির অনেক নেতা তো দুরের কথা দলের অংগ সংগঠন গুলোর উর্ধতন নেতা তো দুরের কথা মাঝারি কিম্বা তার নিচের মহলের নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করে সুখ দুঃখের বিষয়াবলি নিয়ে মনখুলে কথা বলা ছিল খুবেই দুরুহ। কিন্তু তখনকার বি এন পির হাই কমান্ডের তৃতীয় জন নীতি নির্ধারক পরিষদের নেতা ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী সাহেবের সাথে সাক্ষাৎ ও মনখুলে কথা বলা ছিল খুবেই সহজতর। আমি আমার আজকের লিখনিতে অনেক জায়গায় কোরেশী ভাই হিসাবে সম্বোধন করেছি। তার কারন হলো আমি ফেনী জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আমার নিজ থানা ছাগলনাইয়া প্রতিষ্ঠা কালিন সাধারন সম্পাদক হিসাবে সংগঠনের কর্মকান্ড বেগবান করার লক্ষ্যে এবং পরবর্তীতে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি থাকা কালিন সময়তেও বি এন পির তখনকার কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব জনাব ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী’র সাথে বহুবার সাক্ষাত করে মনখুলে কথা বলার সৌভাগ্য হয়েছিল। তখন আমি গুরুত্বের সাথে লক্ষ্য করেছি কেউ যদি জনাব ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী কে কোরেশী ভাই বলে সম্বোধন করতেন তাতে তিঁনি সাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। তাই আমি আমার লেখার ফাঁকে ফাঁকে কোরেশী ভাই বলে সম্বোধন করেছি।
১৯৮০ সালের ৩০ শে মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বরনের দিন ছিল জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সম্মেলন। সম্মেলনের ভেনু ছিল তৎকালীন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে করোতোয়ার চত্তর। খুব সম্ভব সেখানে তৎকালীন উপ রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের বাস ভবন ছিল। চট্রগ্রাম থেকে ঢাকায় পৌঁছে সকাল দশ ঘটিকায় রাষ্ট্রপতি ও বি এন পির চেয়ারম্যান জিয়াউর সম্মেলন উদ্ভোদন করার কথাছিল।
৩১শে মে অনুষ্টিতব্য সম্মলনের আমি একজন কাউন্সিলর হিসাবে ছিলাম। তখন আমি ফেনী জেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা কালিন পুর্নাঙ্গ কমিটির সিনিয়র সহ সাধারন সম্পাদক ছিলাম। ফেনী জেলা ছাত্রদলের সিদ্ধান্ত অনুসারে সম্মেলনের ভেনু থেকে ফেনী জেলা ছাত্রদলের সকল ডেলিগেটর এবং কাউন্সিলার বর্গের পরিচয় কার্ড সংগ্রহ করার দায়িত্ব আমার ওপর ন্যাস্ত করা হয়েছিল। সে কারনে আমি ৩১ শে মে সকাল ৭টার মধ্যে সম্মেলন স্থলে পৌঁছেছিলাম। পৌঁছার পর আমি যখন সম্মেলন কেদ্রে প্রবেশ করছিলাম তখন দেখতে পেলাম বেশ কিছু বি এন পি নেতা তাড়াহুড়ো করে যে যার যার মত ছুটাছুটি করে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে কিছু ছাত্র – ছাত্রী স্লোগান করছিলেন ——–
আমরা শক্তি আমরা বল , জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল “
মিলন – কাশেম পরিষদ , সবার সেরা পরিষদ ” ইত্যাদি ইত্যাদি।
মুহুর্তের মাঝে মিছিল টি হঠাৎ বন্ধ হয়ে পড়েছিল। গুঞ্জন ছলছিল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কে চট্রগ্রামে হত্যা করা হয়েছে। মুহুর্তের মাঝে সম্মেলন মাঠ প্রায় ফাঁকা হয়ে যাওয়ার পর ও অর্ধ শতাধিক ছাত্রদের নেতা কর্মি স্থান ত্যাগ না করে সম্মেলন মাঠে কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে দাড়িয়ে ছিল। তাদের সাথে আমিও ছিলাম। মুহুর্তের মাঝে বি এন পির যুগ্ম মহাসচিব নিজের বুকে দুই হাত দিয়ে অগাত করতে করতে বাচ্চা ছেলের মত অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন জিয়া নেই , জিয়া নেই। তৎক্ষনাৎ কোরেশী ভাই একটি রিস্কা চালক কে থামিয়ে রিস্কায় ওঠে ক্রন্দনরত অরস্থায় এক জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়ে ছড়িয়ে ছিঠিযে থাকা ছাত্র দলের কর্মিদের সংঘবদ্ধ করে সেদিন সর্বপ্রথম শোক মিছিলের ডাক দিয়েছিলেন। কোরেশী ভাই নিজে স্লোগানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন – ” এক জিয়ার লোকান্তরে , সমস্বরে আমরা বলেছিলাম কোঠি জিয়া ঘরে ঘরে “
আমরা সবাই জিয়া হবো , জিয়া হত্যার বদলা নেবো ‘
জিয়া তোমায় কথা দিলাম, স্বাধীনতা রাখবো “
সহ আরো রক্ত শিহরিযে ওটার মত স্লোগান। স্লোগান চলাকালন সমযে উপস্থিত হয়েছিলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আ স ম মোস্তাফিজুর রহমান। তিঁনি বুকভরা ব্যাথা আর দু’চোখ ঝড়া নির্গত অস্রু নিয়ে কোরেশী ভাই কে সাহস যোগিয়েছিলেন। বি এন পির যুগ্ম মহাসচিব ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী ভাইয়ের বলিষ্ঠ ও একক নেতৃত্বে স্লোগান শুরু হওয়ার পরমুহূর্তে শত সহস্র ছাত্র জনাতার সেদিনের শোক মিছিলটি হাজার থেকে লাখো ছাত্র জনাতার শোক মিছিল পরিনত হয়েছিল। সেদিনের শোক মিছিলে বেগম রোকেয়া হলের অন্যতম নেত্রী বিনা সরকারের মিছিল থ্রো ছিল অসাধারণ। যা আমার চোখে এবং কানে আজো ভাসমান। আমৃত্যু আমি বিনা সরকার কে ভূলতে পারবো না। কোন এক সময় বিনা সরকার বাংলাদেশ বেতারে খবর পড়তেন। বর্তমানে কোথায় কেমন আছেন তা আমার অজানা। তবে নব্বইযের দশকে রাজনীতি থেকে হারিয়ে গিয়েছিলেন।
আরেকটি বিশ্বয়কর বিষয় ছিল – কোন এক বি এন পির নেতা তখন পালিয়ে যাওযার মুহুর্তে কোরেশী ভাই চিৎকার করে দমক দিয়ে বলছিলেন এই ( অমুখ) কাপুরুষের মতো কোথায় পালাচ্ছো? তার কোন উত্তর না দিয়ে সেই নেতা দৌঁড়ে তার গাড়িতে বসে ফুরুৎ হয়ে গিয়েছিলেন। তাও আজো আমার চোখ ভাসমান। বর্তমানে তিনি বি এন পির জাতিয় স্থায়ী কমিটির একজন বলিষ্ঠ ও প্রবিন সদস্য। যার নামটি উল্লেখ না করার জন্য আমি বিনীত ভাবে সবার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মরদেহ ঢাকায় এনে তৎকালীন সেনাবাহিনীর প্রধান শহীদ জিয়ার হত্যার নিল নকশাকারী এরশাদ ঢাকা সেনা নিবাসের ভিতরে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেনা প্রধান তখনকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার সহ তৎকালীন বি এন পির গুটি কয়েক বি এন পির নেতাদের কে তার নিয়ন্ত্রনে রেখে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কে ঢাকার সেনানিবাসে দাফন করার ন্যাক্কারজনক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল। বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত মোস্তাফিজুর রহমান জনাব ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী কে গোপনে অবহিত করে দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার বিশেষ পরামর্শ প্রদান করেছিলেন। তারি প্রেক্ষিতে তৎকালীন বি এন পির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জনাব ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী কালবিলম্ব না করে পল্টনে দলের প্রধান কার্যালয় থেকে বংগভবনে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি কে লেন্ড ফোনে যা বলেছিলেন –” হ্যালো আমি বি এন পির কার্যালয় থেকে ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী বলছি” —- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মরদেহ আজ সুর্যস্তের পুর্বে যদি সেনানিবাস থেকে বের না করা হয় আমি দলের হাজার হাজার নেতা কর্মি নিয়ে সেনানিবাস ঘেরাও করে শহীদ জিয়ার মরদেহ তাঁর বাসভবনে নিয়ে আসবো। আমি আপনাকে সুর্যাস্তের পূর্বক্ষণ পর্যন্ত সময় দিলাম। এবং আমারা তার দাবী তে দলের প্রধান কার্যালয়ে আমরন অনশন গোষনা করলাম। আলহামদুলিল্লাহ সেই অনশনে আমিও একজন অনশনকারী হিসাবে অংশ গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়েছিল। ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী রাষ্ট্রপতি কে এও জানিয়ে ছিলেন শহীদ জিয়া কে সেনানিবাসের ভিতরে নয় , মানিকমিঞা এ্যাভিনিউর নিকটবর্তি চন্দীমা উদ্দানে দাফন করা হবে।
সন্মানিত পাঠক বৃন্দ, মরহুম ফেরদৌস আহমেদ কোরেশীর তখনকার সাহসী ভুমিকা বর্তমান প্রজন্মের কেউ জানেনা বলে আমার বিশ্বাস। দলের বয়জষ্ঠ সিনিয়র যিনারা জানেন তারা কে – – – উ আদৌ স্বীকার করবেন বলে আমর মনে করি না।
মরহুম ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী কে যেমন দেখেছি —
( খুবেই সংক্ষিপ্ত আকারে আমার দেখা ও জানা কটি বিষয় তুলে ধরছি)
সেই স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের আমলে কোরেশী ভাই তখন লন্ডন থেকে নিয়মিত বি বি সি বাংলার সংবাদ পর্যালোচনা পাঠ করতেন। যা ছিল স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারে গদিতে অগ্নিসংযোগ করার মত।
খুব সম্ভব ১৯৯৬ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী কে ফেনী দুই আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নমিনেশন দিয়েছিলেন। বড়ই পরিতাপের বিষয় ছিল যে , একটি বিশেষ মহলের ন্যাক্কারজনক ও আত্মঘাতী সন্ধির কারনেই জনাব ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী কে বিজয়ী হতে দেয়া হয়নি। যা ছিল ফেনীর ত্রিমুখী ভৌগোলিক রাজনীতিকদের বিজয়।
২০০১ সালের ২৭ মে জুলাই দাগনভুঁইয়ার উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের চদ্রপুর গ্রামে বি এন পির ঘাঁটির কারনে তৎকালীন ফেনীর আওয়ামী গডফাদার জয়নাল হাজারীর নেতৃত্বে তাঁর ক্যাডার তথা জয়নাল হাজারীর তৈরী ইস্টায়ারিং কমটির শীর্ষ ক্যাডার সাহাজহান সাজু , আজহারুর হক আর্জু , একরামুল হক একরাম সহ বিশাল এক সন্ত্রাসী বাহিনী নিসংশ হত্যাকান্ড থেকে রক্ষা পায়নি তিন অবুঝ শিশুও । যে হত্যাকান্ড ” চদ্রপুর — ট্রেজেডি” হিসাবে আজো বিবেচিত। সেই হত্যাকান্ডের কঠোর প্রতিবাদে ফেনীতে সকাল সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিযেছিলেন তদকালিন বি এন পির কেন্দ্রীয় নেতা মরহুম ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী। হরতাল শেষে শোকাহত ও প্রতিবাদী জনতাকে নিয়ে চন্দ্রপুর থেকে সেই সকল মরদেহ উদ্ধার করে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে ফেনী জেলা বি এন পির সর্বস্তরের নেতা কর্মিদের নিয়ে দাফনের ব্যাবস্থা করেছিলেন তিঁনি। সেই সকল শহীদানদের মতা পিতা ও এলাকাবাসীর বুকঝড়া কন্না আর আহাজারির চিত্রেরে আমার সংরক্ষিত একটি চিত্র তুলে ধরলাম।
২০০১ পরবর্তীতে ২০০২ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আজ আর লিখলাম না। ইনশাআল্লাহ মহান রাব্বুল আল্ আমিন যদি তাঁর কুদরতি কৃপায় আমকে বাঁচিয়ে রাখেন আগামী ২০২৭ সালের ১৪ই জানুয়ারী মরহুম ফেরদৌস আহমেদ কোরেশীর জন্মবার্ষিকীতে আরো কিছু তথ্য বহুল স্মৃতি চারন করবো।
আজকের মত পরিসমাপ্তি তে আমার পরম শ্রদ্ধা ভাজন রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অবিভাবক মরহুম ফেরদৌস আহমেদ কোরেশীর বিদায়ী আত্মার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।
মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
হে আল্লাহ্ তুমি তোমার পরিপূর্ণ রহমতের বদৌলতে মরহুম ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী ভাই কে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসাবে কবুল কর।
আমিন।
লেখক, কলামিস্ট – নজরুল ইসলাম চৌধুরী ( নজরুল)
সাবেক সভাপতি- ফেনী জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
সাবেক প্রচার সম্পাদক ফেনী জেলা জাতীয়তাবাদীদল।

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ
উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]

© Copyright . শীর্ষ খবর ডট কম