মুখের ট্যান বা রোদে পোড়া দাগ নিয়ে চিন্তিত? মুখের বলিরেখা কি সৌন্দর্য নষ্ট করছে আপনার? তবে কোনো দামি প্রসাধনী নয়, ভরসা রাখতে পারেন হাতের কাছে ঘরে থাকা একটি উপাদানের ওপর।
রূপবিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুখের বলিরেখা কিংবা রোদে পোড়া কালো দাগ ত্বকের একটি নির্দিষ্ট অংশকে কালো করে দেয়। আর তাই কালো এ অংশকে সারিয়ে তুলতে ব্যবহার করতে পারেন দুধের সরকে।
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে, অনেক আগেই রূপচর্চায় দুধ আর দুধের সর ব্যবহারের কথা উল্লেখ রয়েছে। আধুনিক সময়েও ত্বকের যত্নের ক্ষেত্রে দুধ ও দুধের সরের কার্যকারিতার প্রমাণ মিলেছে। তাই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন দুধের সরকে নির্ভয়ে কাজে লাগাতে পারেন রূপচর্চায়।
প্রায় ১৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় দুধ গরম করার ফলে দুধের ওপর এক ধরনের পাতলা ও হালকা হলুদাভ ক্রিমের আস্তরণ পড়ে থাকে। যা দুধের সর নামেই আমাদের সকলের কাছে পরিচিত। ত্বকের সুরক্ষায় এ দুধের সর অনেক উপকারী। যেমন-
১। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি: দুধের সর ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। এর ল্যাক্টিক এসিড ত্বকের রোদে পোড়াভাব বা ট্যান কমায় ও প্রাকৃতিকভাবেই উজ্জ্বল করে। এছাড়াও ত্বকের সার্বিক সুস্থতা রক্ষায় দুধের সর উপকারী।
২। কালো দাগ দূর করে: সাধারণত ত্বকের কালো দাগ সহজে দূর হতে চায় না। এ সমস্যা কমাতে দাগের ওপরে দুধের সর মেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। নিয়মিত সপ্তাহে দুইদিন ব্যবহার করুন। আর এক মাসেই পার্থক্যটা নিজেই খুঁজে বের করুন।
আরও দ্রুত ভালো ফলাফল পেতে দুধের সরের সঙ্গে এক টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে সেই মিশ্রণটি ত্বকের ওপর শুকিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সরে থাকা প্রোটিন ত্বকের দাগ সৃষ্টিকারী মৃত কোষ দূর করার পাশাপাশি নতুন কোষ গঠনে সহায়তা করে।
৩। বয়সের ছাপ দূর করে: আগে ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে বিভিন্ন রকম প্রসাধনী পাওয়া যেত না। সেই সময়ের নারীরা ত্বক স্ক্র্যাব করতে ও প্যাক হিসেবে দুধের সর ব্যবহার করতেন। এতে থাকা প্রোটিন ও ভিটামিন ত্বকে ‘কোলাজেন’ তৈরির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যা বয়সের ছাপ দূর করতে সহায়তা করে।













