• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

নির্বাচন

ঢাকা-২০ আসনে প্রার্থীতা অনিশ্চিত, তবে গণসংযোগে থেমে নেই বিএনপির চার নেতা

প্রকাশ: শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১০:৫৮
আপডেট: শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১০:৫৮

ঢাকা-২০ আসনে প্রার্থীতা অনিশ্চিত, তবে গণসংযোগে থেমে নেই বিএনপির চার নেতা

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি
ছবি: প্রতিনিধি

রাজধানী ঢাকার অদূরবর্তী ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে এখনো বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা না করলেও নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন দলের চার মনোনয়নপ্রত্যাশী। উপজেলার প্রতিটি এলাকায়, এমনকি বাড়ি বাড়ি গিয়েও তারা নিয়মিত প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সারা দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে বিএনপি ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও এখনো ৬৩ আসনের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়নি। ঢাকা-২০ আসনও সেই বাকি থাকা আসনগুলোর একটি। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে চায়ের দোকান- সবখানেই চলছে তুমুল আলোচনা, কে পাচ্ছেন ঢাকা-২০ আসনের ধানের শীষ প্রতীক, কার মাথায় উঠছে মনোনয়নের মুকুট।

বর্তমানে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী চার নেতা নির্বাচনী এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন।

তারা হলেন- বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিন, ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংরক্ষিত আসনের এমপি সুলতানা আহম্মেদ এবং ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান অভি।

আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিন বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন করতে গিয়ে একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছি। মানুষের ভালোবাসায় তিনবার বিপুল ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলাম। ২০০৬ সালে ধানের শীষের মনোনয়ন পেলেও জরুরি অবস্থার কারণে নির্বাচন হয়নি। ২০১৮ সালে চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করে মনোনয়ন পেলেও আওয়ামী লীগের প্রার্থীর মামলায় আদালত আমার প্রার্থিতা স্থগিত করেন। ধামরাইবাসীর ভালোবাসা এখনও অটুট। তাই এবারও দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। দল আমাকে মূল্যায়ন করবে বলে আশা রাখি।’

ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ বলেন, ‘দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রার্থী নির্ধারণের যে ক্রাইটেরিয়া দিয়েছেন, তার সবকিছুই আমি পূরণ করেছি। কখনো দল থেকে বিচ্যুত হইনি। আন্দোলনে গিয়ে জেল-জুলুম সহ্য করেছি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, আমাকে না পেয়ে আমার বৃদ্ধ পিতাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ধামরাইবাসীর জন্য একটি দুর্নীতিমুক্ত সুন্দর ধামরাই গড়তে চাই। আমি নেতা না, সেবক হতে চাই। তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে কাজ করছি।’

সাবেক এমপি সুলতানা আহমেদ বলেন, ‘২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচনের পর আমি সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ছিলাম। ধামরাইয়ের মানুষের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রেখেছি। দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে থেকে আন্দোলন করেছি। মহিলা দল সবসময়ই খালেদা জিয়ার রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কয়েকবার গ্রেপ্তারও হয়েছি।’

নাজমুল হাসান অভি ধামরাইয়ে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। এখনো নিয়মিত গণসংযোগ ও তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

মনোনয়ন নিয়ে জোট নেতা-কর্মীরা বিপাকে

এখন ধামরাই জুড়ে একটাই প্রশ্ন- কে হচ্ছেন ধামরাইয়ের অভিভাবক? কে পাচ্ছেন বিএনপির মনোনয়ন?
নেতা-কর্মীরাও মুখ খুলছেন না। চায়ের দোকান থেকে সামাজিক আড্ডা- সবখানেই একই আলোচনা।

এদিকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে অনিশ্চয়তার সুযোগ খুঁজছে জামায়াতে ইসলামী। আগেই প্রার্থী ঘোষণা করায় দলটির নেতা-কর্মীরা নিয়মিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে এনসিপি, গণ অধিকার পরিষদ, জাতীয় পার্টি বা অন্যান্য ইসলামিক দলের তেমন কোনো প্রচারণা চোখে পড়ছে না।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com