জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৩ সেনা কর্মকর্তার ভার্চুয়ালি হাজিরার আবেদনে সম্মতি দেননি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। রবিবার (২৩ নভেম্বর) আসামিদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল-১ জানান, গ্রেপ্তার ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে সশরীরেই হাজির হতে হবে ট্রাইব্যুনালে।
ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, ‘আইন সবার জন্য সমান, সাবেক প্রধান বিচারপতি ও মন্ত্রীরা হাজির হতে পারলে সেনা কর্মকর্তারা কেন পারবেন না?’
গ্রেপ্তার ওই ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে আজ দ্বিতীয় দিনের মতো হাজির করা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। সেনানিবাসের অস্থায়ী কারাগার থেকে সকাল ১০টার দিকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রিজন ভ্যানে তাদের আনা হয়। হাজির করা সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে আছেন ১ জন মেজর জেনারেল, ৬ জন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, ৪ কর্নেল ও ২ লেফটেন্যান্ট কর্নেল।
গুমের মামলায় শেখ হাসিনা ও তারেক সিদ্দিকীসহ পলাতক আছেন আরও ১৫ আসামি। এর মধ্যে ডিজিএফআইয়ের সাবেক ৫ মহাপরিচালকও পলাতক। প্রসিকিউশন জানান, র্যাবের বন্দিশালা টিএফআই সেলে গুম করে বছরের পর বছর নির্যাতনে মামলায় আসামি ১৭ জন এবং ডিজিএফআইয়ে আয়নাঘরে গুমের অভিযোগে আসামি ১৩ জন। গত ২২ অক্টোবর গ্রেপ্তার সেনাকর্মকর্তাদের হাজির করা হয়েছিল ট্রাইব্যুনালে। সেদিন পলাতকদের আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
এদিকে শেখ হাসিনার পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী জেড আই খান পান্নাকে নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘিরে ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিদের ব্যাঙ্গাত্বক ছবি ও খারাপ মন্তব্য পত্রিকা, টিভি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলতে তথ্য মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।













