শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
আমরা নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করেছি বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে আর কখনো বাংলাদেশ কারও কাছে মাথানত করবে না।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা স্পিকারের মাধ্যমে আলোচিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ এবং এতে দেশের লাভ-ক্ষতি সম্পর্কে জানতে চান।
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এই প্যাক্টকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। এটি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে চুক্তিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সদস্য দেশগুলোর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করবে।
অন্যদিকে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে থেকে বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তহবিল আনা বা শুধু দেশের স্বার্থে কাজ করার সুযোগ সীমিত বলেও সংসদকে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আরমান বিন কাশেমের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্বকারী এই পদে থেকে সবার জন্য সমানভাবে কাজ করাই দায়িত্ব।
আরও পড়ুন
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যুক্তরাজ্যকে নেতৃত্বের ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যুক্তরাজ্যকে নেতৃত্বের ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্পিকার যেমন সংসদের সব সদস্যের স্পিকার, তেমনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতিকেও সব সদস্য রাষ্ট্রের জন্য কাজ করতে হয়। বাংলাদেশ তখনই গর্ব ও যোগ্যতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবে, যখন সবার স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়া হবে।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদ অর্জনের চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাকে মনোনয়ন দেওয়ার সময় প্রতিদ্বন্দ্বীরা প্রচারের জন্য প্রায় ১০ বছর সময় পেলেও বাংলাদেশের হাতে ছিল মাত্র ১০ সপ্তাহ। শুরুতে তিনি এটিকে ‘ইম্পসিবল মিশন’ মনে করেছিলেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও আস্থায় শেষ পর্যন্ত সেই কঠিন লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।













