• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

মতামত

দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে শাহজালাল বিমানবন্দরকে আধুনিক করুন, বন্ধ হোক অব্যবস্থাপনা ও যাত্রী হয়রানি

প্রকাশ: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ ৫:১০
আপডেট: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ ৫:১০

দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে শাহজালাল বিমানবন্দরকে আধুনিক করুন, বন্ধ হোক অব্যবস্থাপনা ও যাত্রী হয়রানি

 

যে কোনো দেশের রাজধানীতে বা তার আশপাশে থাকা প্রধান বিমানবন্দর হলো সে দেশের মূল প্রবেশদ্বার । বিদেশি পর্যটক ও পরিব্রাজকরা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমেই সংশ্লিষ্ট দেশ সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা পান। স্বাগতিক দেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, আচার-আচরণ, সার্বিক পরিস্থিতি ও পরিবেশের একটি ঝলক পাওয়া যায় তাদের প্রধান বিমানবন্দরে। এমন উপলব্ধি হয়েছে আমার ব্যক্তিগতভাবে পৃথিবীর প্রায় ৯০টি দেশ সফর করে। ইংরেজিতে একটি কথা আছে, “First impression lasts” (অর্থাৎ প্রথম ধারণা দীর্ঘস্থায়ী হয়)। বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরের অবস্থা দেখার সুখকর ও দুঃখজনক অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিন তাড়িত করেছে এবং এখনও করে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তৃতায় তা উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরি।
বাংলাদেশের প্রধান ও সত্যিকার অর্থে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এই বিমানবন্দরই বাংলাদেশে প্রবাসী ও বিদেশিদের জন্য প্রধান প্রবেশপথ। বিদেশিরা এসেই এখানে বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা পাবেন, বিধায় এই বিমানবন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা হওয়া উচিৎ ছিল আরো গতিশীল, চমৎকার ও আন্তরিক, দক্ষ ও সুষ্ঠু এবং অন্যান্য দেশের বিমানবন্দরের সাথে প্রতিযোগিতাকারী। অথচ আমরা দেখি প্রায় এর সম্পূর্ণ বিপরীত। ইমিগ্রেশনে দীর্ঘসূত্রিতা, লাগেজ বেল্টে পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা, লাগেজ কেটে মালামাল চুরির অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ট্রলির জন্য লাইনে দাঁড়ানো – এগুলো যেন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বর্তমান হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতি যে এখনই সৃষ্টি হয়েছে বা এই সরকারের সময়েই সৃষ্ট— এমনটি নয়। এই অনিয়ম ও হয়রানিমূলক অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। পতিত সরকারের শেষ বছর থেকে শুরু করে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার আগ পর্যন্ত মোট পাঁচ বার বাংলাদেশ সফর করেছি। প্রতিবারই এমন অনিয়ম, হয়রানিমূলক ব্যবস্থা ও হ-য-ব-র-ল অবস্থা লক্ষ্য করে এসেছি। সর্বশেষ সফরে ঢাকায় অবস্থানকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিমানবন্দরের হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতির কথা বলে এসেছি। বিষয়টি তার কাছে ভালোভাবে পৌঁছেছে বা তিনি সিরিয়াসলি বিষয়টি নিয়েছিলেন কিনা জানি না। অবশ্য তার উপদেষ্টা পদের মেয়াদ তখন মাস খানেকও ছিলো না।
তিনটি ফ্লাইট ঢাকায় এক সঙ্গে নামলে স্টাফরা ম্যানেজ করতে হিমশিম খান, ইমিগ্রেশনে লম্বা লাইন হয়, লাগেজ পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় ও ট্রলির সংকট দেখা দেয়। এবার চিন্তা করুন – অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী, লন্ডন হিথ্রোতে পিক আওয়ারে অর্থাৎ ব্যস্ত সময়ে প্রতি ৯০ সেকেন্ডে একটি ফ্লাইট নামে। গড়ে প্রতিদিন ১৩০০ ফ্লাইট উঠানামা করে। কত স্মুথলি হিথ্রো এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ তা হ্যান্ডেল করে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মূল সংকট ব্যবস্থাপনার, সংকট কিছু স্টাফদের দক্ষতা ও যোগ্যতার।
লন্ডন হিথ্রো বিমানবন্দর হয়তো উন্নত দেশের একটি বিমানবন্দর, সুতরাং সেটির কথা না হয় বাদই দিলাম। আমাদের আশেপাশের দেশগুলো যেমন নেপাল, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ভূটানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনা ও সার্ভিস তো আমাদের শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চেয়ে বেশ উন্নত। নিজ চোখে দেখে এসে বলছি – ওইসব বিমানবন্দরগুলোতেও তো দীর্ঘ সময় ইমিগ্রেশন ও লাগেজের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না বা ট্রলির জন্য লাইন ধরে দাঁড়াতে হয় না। বাংলাদেশের প্রধান বিমানবন্দরে এমনটি হবে কেন? সিংগাপুর বিমানবন্দরে ব্যস্ততম সময়ে মিনিট কয়েকের মধ্যে ইমিগ্রেশন করে বেল্টে গিয়ে লাগেজ পেয়েছি।
বাংলাদেশের আশেপাশের দেশগুলোর কথা বাদ দিলাম। খোদ আফ্রিকার দেশ কেনিয়া, তিউনিসিয়া ও সেনেগালেও ঢাকার দৃশ্য দেখিনি। অথচ ওই দেশগুলোর অর্থনীতি বাংলাদেশের চেয়ে মোটেই বড় নয়। এমনকি দরিদ্র দেশ গাম্বিয়া যার পুরো রাজধানীর মধ্যে মাত্র একটি ফাইভ স্টার হোটেল আছে। রাজধানী বেয়ে যাওয়া নদীর উপর কোনো সেতু পর্যন্ত নেই- গাম্বিয়ার জনগণ ফেরি ও নৌকা দিয়ে নদী পার হোন। দেশটি আকারে ছোট – সিলেট বিভাগের চেয়েও ছোট। অর্থনীতি বাংলাদেশের চেয়ে অনেক দুর্বল ও পিছিয়ে। অথচ এমন দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও কোনো হয়রানি নেই, নেই লাগেজ বা ইমিগ্রেশনে দীর্ঘসূত্রিতা।

আমরা প্রায় সময় খারাপ বা নেতিবাচক অর্থে আফ্রিকার দেশ উগান্ডার নাম নেই বা উদাহরণ দেই। অথচ উগান্ডার Makerere University ওয়ার্ল্ড র্যাংকিংয়ে ৫৬৯, আফ্রিকার মধ্যে ৪। কিন্তু আমরা অনেক কিছুতে গর্ব করা জাতি আমাদের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ও আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে ওই অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি। সেই উগান্ডার এনতেব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নিজে চোখে দেখে এসেছি। সেখানেও যাত্রী হয়রানি দেখিনি, অনিয়ম পাইনি, লাগেজ পেতে দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয়নি বা ইমিগ্রেশনে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়ানো চোখে পড়েনি।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সচরাচর যে সমস্যাগুলো দেখতে পাওয়া যায় তার মধ্যে অন্যতম হলো ইমিগ্রেশনে অহেতুক দীর্ঘসূত্রিতা। যাত্রীদের ম্যানুয়ালি ইমিগ্রেশন কার্ড পূরণ, ইমিগ্রেশন কার্ডের ডাটা আবার ইমিগ্রেশন অফিসার কর্তৃক কম্পিউটারে ঢোকানো ও যাত্রীদের ছবি তোলা এসব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ থেকে ১০ মিনিট প্রতি যাত্রীতে লাগলে ইমিগ্রেশনে দীর্ঘসূত্রিতা ও লম্বা লাইন তো হবেই। অথচ এই প্রসেসটা স্মুথ, এফিশিয়েন্টএবং স্ট্রিমলাইন করার অনেক পথ আছে। ইমিগ্রেশন কাউন্টারের ডান পাশে বেশ কিছু ইলেকট্রনিক গেট অকেজো ও অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে যতদূর মনে পড়ে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে এগুলো লাগানোর কী দরকার ছিল, যদি সেগুলো ব্যবহার করা না হয়?
ইমিগ্রেশন করার পর লাগেজ পেতে দীর্ঘক্ষণ (ঘণ্টার পর ঘণ্টা) বেল্টের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। আবার কেউ কেউ লাগেজ পান কাটা, দামি জিনিস মিসিং – এমন অভিযোগও শোনা যায়। অথচ ১০-১৫ মিনিট বা সর্বোচ্চ আধঘণ্টার মধ্যে সবার লাগেজ আসা উচিত। পৃথিবীর অন্যান্য বিমানবন্দরে ১০ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে লাগেজ বেল্টে চলে আসে, ইমিগ্রেশন সমাপ্ত করেই বেল্টে গিয়ে লাগেজ পাওয়া যায়। একবার আভ্যন্তরিণ ফ্লাইটে ছোট্ট বিমানে সিলেট থেকে ঢাকায় এসে লাগেজ পেতে দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। অথচ ফ্লাইট সিলেট থেকে ঢাকায় চলে এসেছে ৩৫ মিনিটে। কর্তব্যরত একজন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, “স্যার লাস্ট ফ্লাইট হওয়ায় বেশিরভাগ লাগেজ হ্যান্ডেলিং স্টাফ আর্লি বাড়ি চলে গেছে”। এটা নিতান্তই যে কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা ও কাজে ফাঁকি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে যথাযথভাবে তদারকি না করলে এমনটি তো হবেই, হতে বাধ্য।

লাগেজ সংগ্রহ করার পর বেল্ট এরিয়াতে ট্রলির জন্য যেন শুরু হয় হাহাকার। অভিযোগ—‘দুর্নীতিবাজ’ কর্মচারীরা ট্রলিগুলো যাত্রীদের নাগালের বাইরে দূরে সরিয়ে রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ট্রলি পেতে প্যাসেঞ্জারদের অযথা লাইন ধরিয়ে খাড়া করে রাখে। অথচ দীর্ঘ ভ্রমনের পর ও ইমিগ্রেশনের জন্য লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে প্যাসেঞ্জাররা ক্লান্ত, শ্রান্ত। এমতাবস্থায়, ৫০০ টাকা বা ১০০০ টাকা বা বিদেশি কারেন্সি ঘুষ দিলে তড়িৎ গতিতে কর্মচারীরা ট্রলি এনে দেয়। পৃথিবীর প্রায় ৯০টি দেশ সফরে কোনো দেশের বিমানবন্দরে ট্রলির জন্য লাইন ধরে যাত্রীদের দাঁড়াতে দেখিনি।
অপরদিকে, বিমানবন্দর থেকে প্রস্থানের সময়ও দেখেছি বাইরে কৃত্রিম লাইন ধরিয়ে দুর্নীতিবাজ কর্মচারীরা অযথা জটলা পাকায়। দুইশ টাকা, পাঁচশ টাকার নোট উৎকোচ দিলেই এই দীর্ঘ লাইনের সিরিয়াল ভেঙে আগে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। এভাবেই অনিয়ম ও অপকর্ম চলছে। অথচ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করে বিমানবন্দরে প্যাসেঞ্জারদের ন্যাচারেল প্রবাহ (natural flow) হতে দিলে এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক ট্রলি বেল্টের আশেপাশে রাখলে কোনো সমস্যা বা সংকটের সৃষ্টি হতো না। প্যাসেঞ্জারদের চলাফেরাও হতো মসৃণ।

গত ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ ত্যাগ করার সময় আমার ফ্লাইট ছিল ভোরে। ঘটা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় উদ্বোধন হওয়া প্রবাসী লাউঞ্জে গিয়ে দেখি এয়ারপোর্টের স্টাফ ও ইমিগ্রেশনের পুলিশ সদস্যরা দিব্যি নাক ডাকিয়ে সোফাতে ঘুমাচ্ছেন। বেশ কয়েকটি ফটো তুললাম। পরে মুখ অষ্পষ্ট করে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি স্ট্যাটাস দিলাম যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। কয়েক ঘণ্টায় ভিউ হয় প্রায় ছয় মিলিয়ন তথা ৬০ লাখ। পরে এয়ারপোর্টের প্রবাসী লাউঞ্জে খবর নিয়ে জানলাম স্টাফরা ও ইমিগ্রেশন পুলিশ সদস্যরা আর এভাবে সেখানে ঘুমান না। বিদেশি পর্যটক ও ভিজিটররা কর্তব্যরত অফিসারদের এভাবে নাক ডাকিয়ে ঘুমানোর দৃশ্য দেখলে কী মনে করবে? আসলে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, গাইডেন্স ও যথাযথ তদারকির কারণে যে এমন অপেশাদার কর্মকাণ্ড হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য যাতায়াত ব্যবস্থাও সন্তোষজনক নয়। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হওয়ায় যাত্রা কিছুটা সহজ হলেও এর প্রবেশপথ ও শেষ প্রান্তে প্রায় সময় ভীষণ যানজট লেগে থাকে। তাছাড়া একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নগরীর কেন্দ্রে যাতায়াত করার একাধিক বা বহু মাধ্যম থাকা উচিত। তাই মেট্রোরেল বিমানবন্দরের সাথে সংযুক্ত করা অত্যাবশ্যক বলে মনে করি। এয়ারপোর্ট থেকে ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঘনঘন আসা-যাওয়ার জন্য উন্নতমানের বাস সার্ভিস চালু করা দরকার। এর পাশাপাশি ট্যাক্সি সার্ভিসের আধুনিকায়ন ও গুণগত পরিবর্তন দরকার।
সত্যিই সরকারকে দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে নিয়ে গভীর চিন্তা করা দরকার। বিমানবন্দরের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি বর্তমান সরকারের সময় সৃষ্টি হওয়া সমস্যা নয়। বরং এটা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। তবে এটা দেশের প্রধান গেটওয়ে বিধায়, জরুরি ভিত্তিতে কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেয়া দরকার যাতে করে বিশ্বের অন্যান্য দেশের প্রধান বিমানবন্দরগুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে শাহজালাল বিমানবন্দর চলতে পারে। উন্নত বিশ্বের মতো না হোক অন্ততঃ আশেপাশের দেশগুলোর মতো যেন বিমানবন্দরের সার্ভিসের মান হয় তা নিশ্চিত করা আশু প্রয়োজন।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনাল নির্মাণ ও চালু হওয়া নি:সন্দেহে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটি আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে হবে এক মাইলফলক। তবে বিমানবন্দরের বর্তমান অব্যবস্থাপনা ও নিম্নমানের পরিসেবা বজায় রেখে নতুন টার্মিনাল চালু করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না। জটলা পাকানো, উৎকোচ পাওয়ার নিমিত্তে কৃত্রিম লাইন ও সংকট সৃষ্টি এবং মান্ধাতা আমলের প্র্যাকটিসের আওতায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ইমিগ্রেশন ও লাগেজের জন্য যাত্রীদের ভোগান্তিতে পেলে আধুনিক বিমানবন্দর ও উন্নত যাত্রীসেবা কল্পনা করা যায় না। তাই সমস্যার গোড়াতে হাত দিন। বিমানবন্দরে দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম, অহেতুক দীর্ঘসূত্রিতা ও যাত্রী হয়রানি মূলোৎপাটন করুন। এতে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে, বৃদ্ধি পাবে সরকারের সুনাম ও সাফল্য।

নাজির আহমদ: বিশিষ্ট আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, রাষ্ট্রচিন্তক এবং ইংল্যান্ডের প্র্যাকটিসিং ব্যারিস্টার।

Email:
[email protected]

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com