• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

বুকের দুধে পেট ভরছে না, ক্ষুধায় কাঁদছে দেড় বছরের রুনা

প্রকাশ: রবিবার, ১৯ জুন, ২০২২ ৬:৩০
আপডেট: রবিবার, ১৯ জুন, ২০২২ ৬:৩০

jonotarawaz 109

বুকের দুধে পেট ভরছে না, ক্ষুধায় কাঁদছে দেড় বছরের রুনা

মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি লেই (আটা/ময়দা জ্বাল দিয়ে বানানো খাবার) খেত দেড় বছরের শিশু রুনা আক্তার। কিন্তু তিন দিন ধরে এর ব্যত্যয় ঘটেছে। তিন দিন ধরে সে পরিবারের সঙ্গে সিলেট সদর উপজেলার বাদাঘাট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ আশ্রয়কেন্দ্রে আছে। বুকের দুধে পেট ভরছে না তার, ক্ষুধায় সারাক্ষণ কান্নাকাটি করছে রুনা।

শুধু রুনা নয়, আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নেওয়া অন্য শিশুদেরও একই অবস্থা। আশ্রয়কেন্দ্রে যে খাবার দেওয়া হয়, তা বড়দের উপযোগী। শিশুদের উপযোগী কোনো খাবার না থাকায় তাদের কষ্ট হচ্ছে। খাবারের জন্য ছোট শিশুরা কান্নাকাটি করছে।

রুনা সিলেট সদর উপজেলার নলকূট গ্রামের দিনমজুর মোজাম্মেল হোসেন (৩৬) ও মাজেদা বেগমের (২৮) মেয়ে। বন্যার পানি বাড়তে বাড়তে কোমরপানি হলে গত বৃহস্পতিবার রাতে মোজাম্মেল-মাজেদা দম্পতি তাঁদের ১৩ বছরের ছেলে সজীব আহমেদ ও দেড় বছরের মেয়ে রুনাকে নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসেন। তিনতলা ভবনবিশিষ্ট এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নয়টি কক্ষে গাদাগাদি করে থাকছে অন্তত ৬০০ বানভাসি মানুষ। এখানে বিদ্যুৎ নেই। মোমবাতির সংকটে সন্ধ্যার পর থেকে অধিকাংশ কক্ষই অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে।

মোজাম্মেল ও মাজেদা বলেন, গত বৃহস্পতিবার আশ্রয়কেন্দ্রে আসার পর তাঁরা কেউই পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা পাননি। কিছু পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও স্থানীয় চেয়ারম্যানের দেওয়া সামান্য চাল-ডাল তাঁরা পেয়েছেন। এর বাইরে স্থানীয় মানুষের দেওয়া কিছু খাবার খেয়েই কোনোমতে ক্ষুধা মেটাচ্ছেন তাঁরা। বড়রা আধপেটা খেয়ে টিকে থাকলেও শিশুদের উপযোগী কোনো খাবার না থাকায় খুব কষ্ট হচ্ছে।

মাজেদা বলেন, তাঁর ছেলে সজীব এ স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। পানিতে ভিজে আশ্রয়কেন্দ্রে আসার পর ছেলের জ্বর আসে। ওষুধ খেয়ে এখন একটু ভালো আছে। বন্যার পানিতে সজীবের খাতা-বই ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। স্কুলে যেতে হলে সজীবের জন্য আবার নতুনভাবে বইপত্র কিনতে হবে। আসার পর থেকে তাঁরা এক কাপড়ে আছেন। সুবিধা না থাকায় গোসলও করতে পারেননি। তিনি বলেন, বাড়িতে থাকলে খাওয়া নিয়ে ছেলের নানা আবদার থাকলেও এখানে এসে সে শান্ত হয়ে গেছে। যা দেওয়া হচ্ছে, তা–ই খেয়ে নিচ্ছে।

 


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com