এম আর কামাল, নিজস্ব প্রতিবেদক
কোটা আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জে সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা, প্রতিষ্ঠান, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের ঘটনায় আরো ৬২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সেই সাথে ৪টি থানায় নতুন করে আরো ৮টি নাশকতার মামলা দায়ের করা হয়েছে। এনিয়ে মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা ৪৩৬ জন, মামলা হলো ২২টি।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম-অপারেশন) চাইলাউ মারমা জানান, গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাত হতে শুক্রবার (২৬ জুলাই) বিকাল পর্যন্ত নতুন করে আরো ৮টি নাশকতার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এর মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ৩টি, ফতুল্লা মডেল থানায় ২টি, বন্দর থানায় ১টি ও সদর থানায় ২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ৬২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, মামলা দায়ের হয়েছে ২২টি, এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার সংখ্যা ৪৩৬ জন। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, কোটা আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে আসামিরা চাষাঢ়া মোড়, ২নং রেলগেট, সদর থানা, ফতুল্লা থানার জালকুড়ি, ভূঁইগড়, সাইনবোর্ড, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার শিমরাইল, চিটাগাং রোড, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মোড়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ, সরকারি অফিস সার্ভিসের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর করে। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ও পুলিশ পিবিআই অফিসেও তারা হামলা করে। এছাড়াও মেঘনা টোল প্লাজা, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের মদনপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগ করে। সেই সাথে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড এসবি গার্মেন্ট, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন, সাইনবোর্ড হাইওয়ে পুলিশ বক্স, বন্দর ধামগড় ফাঁড়ি, জালকুড়ি শীতল বাস ডিপো পুড়িয়ে দেয়। শিমরাইল ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মোড়ে হাইওয়ে পুলিশ বক্সে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।












