• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

রাজনীতি

বিএনপির শরিকদের অনেকে ক্ষুব্ধ, যার জন্য যে আসন রাখা হলো

প্রকাশ: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২:৪০
আপডেট: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২:৪০

বিএনপির শরিকদের অনেকে ক্ষুব্ধ, যার জন্য যে আসন রাখা হলো

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আরও ৩৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। এখনো ২৮টি আসন ফাঁকা রেখেছে দলটি। বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, এই ২৮ আসনের বেশির ভাগই বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে যুগপৎভাবে অংশ নেওয়া শরিক দলগুলোর জন্য রাখা হয়েছে। তবে কয়েকটি আসনে বিএনপির একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী থাকায় সেসব আসনে আপাতত প্রার্থী দেওয়া হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে আগামী সাত দিনের মধ্যে আসন সমঝোতার বিষয়টি চূড়ান্ত করতে পারে বিএনপি।

ঘোষিত ২৭২ আসনের মধ্যে বিএনপির দীর্ঘদিনের মিত্র অন্তত চারজন হেভিওয়েট প্রার্থী মনোনয়ন পাননি। আবার শরিকদের সঙ্গে আসন সমঝোতায় এত দেরি হওয়ায় অনেকে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, দীর্ঘ ১৫ বছর শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। কিন্তু শরিকদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। দীর্ঘদিন ধরে অনেক হেভিওয়েট প্রার্থী এলাকায় কাজ করছেন, এমন আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। যদিও বিএনপির হাইকমান্ড বলছে, শিগগিরই আলোচনা করে শরিকদের আসন চূড়ান্ত করা হবে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এই আসনগুলোর মধ্যে আমাদের জোটের (অ্যালায়েন্স) সঙ্গে যারা আছেন, তাদের আসনসহ দলের দু-একটা বিষয়ে ডিসিশন হবে। সেগুলো আমরা যথাসময়ে ঘোষণা করব।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য খবরের কাগজকে বলেন, দুই দফায় বিএনপি ২৭২টি আসনে সম্ভব্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বাকি ২৮টির মধ্যে বেশির ভাগ আসন শরিকদের দেওয়া হবে। এখানে বিএনপির ৮ থেকে ১০টি আসন রয়েছে। শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুতই এ বিষয়ে ঘোষণা আসবে।

শরিক দলগুলোর নেতারা অবশ্য এও বলছেন, এবার নিজস্ব দলীয় প্রতীকে ভোট করতে হবে। আমাদের একেকটা দিন এক মাসের মতো। অন্য দলের প্রার্থীদের তুলনায় নির্বাচনি প্রচারে তারা পিছিয়ে পড়ছেন। এটাও একটা চ্যালেঞ্জ। শরিকদের আসন ছাড়ের বিষয়টি চূড়ান্ত না হওয়ায় সবার মধ্যে অস্বস্তি কাজ করছে। এতে শরিকদের সঙ্গে মানসিক দূরত্ব বাড়তে পারে। ভবিষ্যৎ রাজনীতি ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।

কার জন্য কোন আসন ফাঁকা
পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক, কুমিল্লা-৭ আসনে দলটির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ঝিনাইদহ-২ আসনে দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানের নাম জোটের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছে। এই ১০ আসনে কাউকে প্রার্থী দেয়নি বিএনপি। জানা গেছে, ইতোমধ্যে এ ১০ জন প্রার্থী বিএনপির ‘সবুজ সংকেত’ পেয়েছেন। কয়েকজনকে জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিতেও বলা হয়েছে। এদের সবারই জয়লাভের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করে বিএনপির হাইকমান্ড। যদিও মাহমুদুর রহমান মান্নার ইসলামী ব্যাংকের ৩৮ কোটি টাকার ঋণখেলাপির তথ্য প্রকাশ হওয়ায় তার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে।

গণতন্ত্র মঞ্চের শরিকদের মধ্যে জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব শারীরিক অসুস্থতার জন্য এবার নির্বাচনে দাঁড়াতে চাইছেন না। তিনি স্ত্রী জেএসডির সহসভাপতি তানিয়া রবের জন্য লক্ষ্মীপুর-৪ আসনটি চাইছেন। কিন্তু এ আসনটি ছাড়তে রাজি নয় বিএনপি। দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, এই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান। তিনি বিএনপির সহশিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক। তার মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছে হাইকমান্ড।

জানা গেছে, এই কারণে জেএসডি এখন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও এবি পার্টির সঙ্গে জোটভুক্ত হতে চাইছে। ইতোমধ্যে এনসিপি ও এবি পার্টির সঙ্গে একাধিক বৈঠকে অংশ নিয়েছে দলটি।

অন্যদিকে সিলেট-৫ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের আমির উবায়দুল্লাহ ফারুক, নীলফামারী-১ আসনে মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে কেন্দ্রীয় নেতা মনির হোসেন কাসেমী, সুনামগঞ্জ-২ আসনে শোয়ায়েব আহমদ মনোনয়ন চাইছেন। এ ছাড়া নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনে গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিকের নাম আলোচনায় রয়েছে। ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও-পাগলা) আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী এলডিপির (অলি) প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি জোটের প্রার্থী ছিলেন। এসব আসনে কাউকে প্রার্থী দেয়নি বিএনপি।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি ও গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, শরিকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই নিজেদের মতো প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এতে জোটবদ্ধ নির্বাচন নিয়ে স্পষ্টতা কমে গেছে এবং বিভিন্ন জটিলতা তৈরি হয়েছে।

মনোনয়নবঞ্চিত ৫ নেতা
নতুন ঘোষিত ৩৬ আসনের মধ্যে বিএনপির দীর্ঘদিনের মিত্র পাঁচ দলের অন্তত পাঁচজনকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২-দলীয় জোটের শরিক ও জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা কিশোরগঞ্জ-৫ আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য কাজ করছিলেন। এর আগে বিএনপির নেতা-কর্মীদের তাকে সহযোগিতা করার জন্য দল থেকে চিঠিও দেওয়া হয়েছিল। তবে এই আসনে শেখ মজিবুর রহমান ইকবালকে বেছে নিয়ে দলটি।

নড়াইল-২ আসনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে এই আসন থেকে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন। তবে এই আসনে বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলামকেই বেছে নিয়েছে দলটি। একইভাবে বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ঝালকাঠি-১ আসন থেকে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। যদিও ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি পিরোজপুর-২ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন। তার বাড়িও এই জেলায়। তবে এবার তিনি ঝালকাঠি-১ আসন থেকে মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এই আসনে বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামালকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী ঢাকা-৬ আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে তাকে এই আসন ছাড় দিয়েছিল বিএনপি। এবার শোনা যাচ্ছিল তাকে ঢাকা-৭ আসনে ছাড় দেওয়া হতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই আসনে হামিদুর রহমানকে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এ ছাড়া রাজবাড়ী-২ আসনে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছিলেন এনডিএম মহাসচিব মোমিনুল আমিন। এই আসনে হারুন অর রশিদকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি।

বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘ ২০ বছরের রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ লেবার পার্টি। দলটির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান খবরের কাগজকে বলেন, বিএনপি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্রতার সম্পর্ককে অবজ্ঞা করেছে। শরিক দলগুলোকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। দলগুলোকে মাইনাস করে এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে তারা, যা রীতিমতো প্রতারণামূলক ও বেইমানিপূর্ণ আচরণ।

বিরোধপূর্ণ যেসব আসনে প্রার্থী দেয়নি
ঢাকা-২০ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী চারজন। এরা হলেন ধামরাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য তমিজ উদ্দিন, যুবদলের ঢাকা জেলা সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস (মুরাদ), মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ এবং ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান (অভি)।

লালমনিরহাট-২ আসনে মনোনয়ন চাইছেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি রোকন উদ্দীন বাবুল ও কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। তারা চাচাতো ভাই। দুই ভাইয়ের মাঠে নিজস্ব কর্মী বাহিনী রয়েছে। তাদের দ্বন্দ্বও প্রকাশ্য চলছে।

নীলফামারী-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী তিনজন। এদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেই প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিএনপি। তিনজন হলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ্ সৈয়দ আলী, সাবেক পৌর মেয়র ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেট ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মইনুল ইসলাম।

ঝিনাইদহ-১ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা) জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু। স্থানীয় নেতা-কর্মীরা দুই ভাগে বিভক্ত। অন্যদিকে ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী তিনজন হলেন সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আলহাজ্ এম শহীদুজ্জামান বেল্টুর সহধর্মিণী ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মুর্শিদা জামান বেল্টু, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ। সম্প্রতি ফিরোজ ও হামিদ দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় দুজন নিহত ও বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

২০১৮ সালের নির্বাচনে পাবনা-১ (সাঁথিয়া) আসনটি গণফোরাম নেতা ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদকে ছেড়ে দিয়েছিল বিএনপি। এবারও তিনি আলোচনায় এগিয়ে আছেন। এ ছাড়া বিএনপির তিনজন মনোনয়নপ্রত্যাশী হলেন নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ভিপি শামসুর রহমান, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ। মূলত এই মনোনয়ন ঘিরে এই ছয় আসনে সংঘাত এড়াতে কাউকে প্রার্থী ঘোষণা দেয়নি বিএনপি।

বাগেরহাটে কয়টি আসন হবে- এই প্রশ্নে প্রার্থী ঘোষণা আছে ঝুলে
বাগেরহাটে তিনটি নাকি চারটি আসন হবে, তা নিয়ে হাইকোর্টের রুলের আপিলের শুনানি হবে আগামীকাল রবিবার। ইতোমধ্যে বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন পুনর্বহাল করে গেজেট জারি করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বাগেরহাটে চারটি আসন ধরেই প্রার্থী তালিকা ছোট করেছে বিএনপি। এরা হলেন বাগেরহাট-১ আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান দিপু ও জেলা বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা, বাগেরহাট-২ আসনে সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ এইচ সেলিম, সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সমন্বয়ক এম এ সালাম, বাগেরহাট-৩ আসনে বিএনপির শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং তাঁতীদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির, বাগেরহাট-৪ আসনে বিএনপির গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, জেলা ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। অতীতে এলাকায় যাদের জনপ্রিয়তা ছিল তাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে। তবে বাগেরহাট-১ আসনটি জোটের শরিক কাউকে ছেড়ে দেওয়ার আলোচনা বিএনপির ভেতরে আছে।খবরের কাগজ