• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

রাজনীতি

ঢাকায় কোনো সিট দেব না’ জামায়াত প্রার্থীর বক্তব্যে যা বললেন মাহদী আমিন

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:২৭
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:২৭

ঢাকায় কোনো সিট দেব না’ জামায়াত প্রার্থীর বক্তব্যে যা বললেন মাহদী আমিন

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, ‘আমরা দেখেছি ঢাকা ১৭ আসনের জামায়াতের প্রার্থী কিছু চটকদার কথা বলছেন, মুখরোচক কথা বলছেন। হয়তো মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তিনি এটি করছেন। এটা কোন একটা ব্যক্তিগত রাজনৈতিক কৌশল হতে পারে। ‘সব সাইজ হয়ে যাবে, ঢাকায় কোনো সিট দেব না’-এ ধরনের কথা যেগুলো ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি মানুষের ভাগ্যের নিয়ন্ত্রক মহান আহ তা’আলা। কোন আসনে কে বিজয়ী হবেন- এটি উনি সিদ্ধান্ত নেবেন। এখন যদি একজন ব্যক্তি এককভাবে ঢাকা ২০টি আসনের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান বা উনি যদি সব প্রার্থী ভাগ্য নির্ধারণ করতে চান, এটা উনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। উনাকে (জামায়াতের প্রার্থী) আসন বন্টনের দায়িত্ব কে দিয়েছেন?

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন এসব কথা বলেন।

বিএনপির জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি জনগণের ভোটেই নির্ধারিত হবে কারা বিজয়ী হবে। জনগণের ভোটেই নির্ধারিত হবে কার জনভিত্তি কতটুকু। সুতরাং আসন বন্টন করা-এটা উনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হতে পারে। আর সেই দলের ব্যাপারে উনি বলছেন সেই বিএনপির কিন্তু ঢাকা প্রায় সব সিট একাধিকবার জয়ী হওয়ার ব্যাকগ্রাউন্ট রয়েছে। আর সবার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে বলছি, তিনি যে দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন, আমার জানামতে ঢাকায় তারা কখনো কোন সিটে জয়ী হয়নি। সুতরাং উনি উনার ব্যক্তিগত মতামত দিতে পারেন, সেটা একান্ত উনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তবে মুখরোচক কথা বলার সংস্কৃতি থেকে মনে হয় আমাদের বেরিয়ে আসা উচিত। ’

মাহদী আমিন বলেন, ‘এর পাশাপাশি এটা বলা উচিত যে আমরা দেখেছি ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ সময় বিএনপির মতো সুদৃঢ় সম্পন্ন যে রাজনৈতিক দল এবং শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি যারা বিষাদগার করেছেন, তারা কিন্তু জনভিত্তি হারিয়ে ফেলেছেন। জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। আগামী বাংলাদেশে আমরা ইতিবাচক রাজনীতি চাই। আমরা চাই সেখানে প্রত্যেকে যার যার পলিসি রয়েছে, পজিটিভ পলিসিটা দিয়ে রাজনীতি করবে। বিষাদগার করা, অহমিকা দেখানো, জনভিত্তি না থাকার পরও সব আসন বন্টণ করা সেটি কাম্য নয়।’

‘আইডি, ফোন নাম্বার ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করা অত্যন্ত অনাকাঙ্খিত’

আরেক প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, ‘ঢাকা-১৫ আসনের ক্ষেত্রে আমরা দেখেছি, বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মিল্টন গতকাল একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন ভিডিও ও তথ্য উপস্থাপন করেছেন। এবং নির্বাচনী আচরণবিধি কিভাবে ঢাকা- ১৫ আসনে জামায়াতের প্রার্থী লংঘন করছেন সেটি সুস্পষ্টভাবে উপস্থাপন করছেন। আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে দেখেছি। যেখানে দেখা গিয়েছে সেই আসনের লোকও নন, এমন শত শত মানুষ বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। নারীরাও বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। ভোটারদের বিভিন্ন আইডি, ফোন নাম্বার ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছেন। এটি অত্যন্ত অনাকাঙ্খিত। আমরা বিশ্বাস করি গণঅভ্যুত্থানে আকাঙ্খা ছিল একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, যেখানে জনগণ স্বত:স্ফ‚র্তভাবে তাদের প্রার্থীকে বেছে নেবেন। কোন ধরনের অপতৎপরতা এবং অর্থনৈতিক লেনদেন হবে-এটা আমরা কখনোই চাইনি।’

ঢাকা-১৫ আসন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘সেখানে যখন বহিরাগতরা গিয়েছে, বিকাশ নাম্বার চেয়েছেন, আমরা দেখেছি স্থানীয় জনগণ সেটাকে প্রতিহত করেছে। জামায়াতের বেশ কিছু নেতাকর্মী সেখানে গিয়েছেন, এলাকায় উত্তেজিত অবস্থার সৃষ্টি করেছেন। পরবর্তীতে সেখানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, এমনকি সেনাবাহিনীকেও যেতে হয়েছে। তারা অবস্থাটাকে ঠিক করার জন্য চেষ্টা করেছেন। আমরা যে রাজনীতি করতে চাই, আমরা যে বাংলাদেশ চাই, যে নির্বাচনী প্রক্রিয়া চাই, সেখানে এ ধরনের ঘটনা কোনভাবেই কাম্য নয়।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘ ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনকে আমরা আহবান জানিয়েছি, যেন এ বিষয়ে উনারা সজাগ ও সচেতন থাকেন। এবং প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে আহবান জানান যেন ইতিবাচকভাবে প্রত্যেকে যারযার ক্যাম্পেইন করেন। এখানে আইডি নম্বর নেওয়া, ফোন নাম্বার নেওয়া, বিকাশ নাম্বার নেওয়া-এটি কোন রাজনৈতিক দলের কৌশল হওয়া উচিত নয়। আজকে ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। ২০ জানুয়ারি কেন মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে জামায়াতের যারা সদস্য রয়েছেন, বহিরাগত তারা কেন ভোট চাইবেন বা আইডি নেবেন? এটা আমরা মনে করি নির্বাচনী যে পথযাত্রা, সেটা জনগণের যে আকাঙ্খা সেটাকে কোনভাবেই হয়তো ধারণ করে না। সুতরাং আমরা অনেকগুলো ভিডিও দেখেছি অনলাইনে, বেশ কিছু এভিডেন্স এসেছে, আমরা আস্থা রাস্থা রাখতে চাই আজকে যেটা আনুষ্ঠানিক প্রচারনায় এ ধরনের কোন নীতিবাচক কৌশল যেন কোন রাজনৈতিক দল গ্রহণ না করে।’

‘থিম-সং এ পুলিশকে ব্যবহার নিয়ে ব্যাখা’

বিএনপির নির্বাচনি অফিসিয়াল থিম-সং নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য জুবায়ের বাবু এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আসলে যে পুলিশকে ব্যবহার করা হয়েছে, সেখানে আমরা দেখেছি পুলিশ কিন্তু স্যালুট দিচ্ছেন জাতীয় পতাকাকে, ভোট দিচ্ছেন না। এটা একটা ব্যাপার। আর আমাদের ডেমোগ্রাফিক যে আমরা বাংলাদেশের সব মানুষ, সাধারণ মানুষ থেকে আড়ম্ব করে সব মানুষের একটা রিপ্রেজেন্টেশন ছিল। আমাদের সঙ্গে যেহেতু বাংলাদেশ এবং আমাদের স্লোগান কিন্তু সবার আগে বাংলাদেশ। তো ওই সবার আগে বাংলাদেশ মানে কি? বাংলাদেশ মানেই হচ্ছে আমরা সবাই। আমরা সবাই সেটা পুলিশের পোশাক পরি, ডাক্তারের পোশাক পরি কিংবা সাধারণ একটা সুন্দর পাঞ্জাবি পরি। যাই করি না কেন। সুতরাং ওই দিক থেকে আমরা যদি বিবেচনা করি আসলে সব মানুষই কিন্তু আমরা বাংলাদেশি। এটা হচ্ছে আমাদের পরিচয়। বাংলাদেশি পরিচয়টাকে আমরা আসলে প্রথম দিতে চেয়েছি।’


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com