জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ফাইল ছবি
শেরপুরে ঘটনা ‘প্রশাসনের এক পাক্ষিক আচরণে’ ঘটেছে বলে মনে করছে জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলছে, সারা দেশে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের প্রচারণায় বাধা দেওয়া হয়েছে। অব্যাহতভাবে জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর হামলা এবং নিপীড়ন কর হয়েছে। বিষয়গুলো প্রশাসনকে বাব বার জানানো হলেও তারা এখন পর্য়ন্ত কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি। আমরা প্রশাসনের এ ধরনের এক পাক্ষিক আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এমন অভিযোগ করেন। তিনি ‘প্রশাসনের এ ধরনের এক পাক্ষিক আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানান।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ওই সংবাদ সম্মেলন শেরপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংস ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত হয়। সারা দেশে এমন ঘটনা চলতে থাকলে, তা প্রতিহত করা হবে বলেও এ সময় ঘোষনা দেন জামায়াত নেতা।
সংবাদ সম্মেলনে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আমরা বলতে চাই, শেরপুরের ঘটনা যদি তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করতেন, তাহলে এটা ঘটতো না। মূলত তাদের ব্যর্থতায় এই দু:খজনক ঘটনা ঘটেছে। আমরা প্রশাসের নিরবতা ও নিষ্কিয়তা এবং এক দিকে হেলে পরার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে বলেছি, জাতিকে জানিয়েছি, সেটা দিন দিন দৃশ্যমান হচ্ছে। আমাদের নারী কর্মীদের হেনস্তা করা হচ্ছে। গতকালকেও ঢাকায় এক নারী কর্মীকে আহত করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা বিএনপির সন্ত্রাসীরা ঘটিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা যদি এ ধরনের কার্য়ক্রম অব্যাহত রাখেন তাহলে আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের প্রতিহত করবো। আমরা তাদের নেতৃবৃন্দকে আহ্বান জানাচ্ছি, এ ধরনের ঘটনা থেকে যাতে তাদের নির্বৃত্ত করেন।
শেরপুরের ঘটনা তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে জুবায়ের বলেন, এই ঘটনায় আমরা মনে করি, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের ব্যর্থতার চিত্র পরিষ্কার হয়ে উঠেছে। পুলিশ সহযোগিতা করলে ঘটনা একদূর আসতো না। সেটা না করে পুলিশ নি:ষ্কিয় দর্শকের ভূমিকা পালন করে। তবে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করে। এ সময় এক সেনা সদস্য আহত হন।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত জোটের পক্ষ থেকে সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ জানানো হয়।












