• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সারাদেশ

গাজীপুরে সুটকেসবন্দি সেই নারীর পরিচয় শনাক্ত, বেরিয়ে এলো হত্যার রহস্য

প্রকাশ: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২:৪৪
আপডেট: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২:৪৪

গাজীপুরে সুটকেসবন্দি সেই নারীর পরিচয় শনাক্ত, বেরিয়ে এলো হত্যার রহস্য

গাজীপুরে সুটকেসবন্দি সেই নারীর পরিচয় শনাক্ত, বেরিয়ে এলো হত্যার রহস্য

শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত

গাজীপুরের জয়দেবপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে সুটকেস ও বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হওয়া দ্বিখণ্ডিত ও অর্ধগলিত নারীর পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় পিবিআই, গাজীপুর জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের ঘটনা, জড়িতদের বিষয়ে তথ্য এবং তদন্তে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যাচাই উঠে আসে।

নিহত ওই নারীর নাম ডলি আক্তার (৩০)। তিনি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার পাহাড়পাবিজান গ্রামের বাদশা মিয়ার মেয়ে। গাজীপুরের বাঘের বাজার এলাকার গোল্ডেন রিপিট গার্মেন্টসে সুইং অপারেটর হিসেবে তিনি কাজ করতেন।

জানা গেছে, পাঁচ বছরের প্রেমের সম্পর্ক, বিয়ে নিয়ে বিরোধ ও জমে থাকা ক্ষোভের জের ধরে তার প্রেমিক মিশন ইসলামের (২২) হাতে খুন হন ডলি আক্তার। হত্যার পর পরিচয় গোপন করতে ধারালো বটি ও ব্লেড দিয়ে কোমর থেকে লাশ দ্বিখণ্ডিত করে একাংশ সুটকেসে এবং অপর অংশ বস্তায় ভরে খালে ফেলে দেওয়া হয়।

পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার জানান, খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর পিবিআই, গাজীপুর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে ডলির পরিচয় শনাক্ত করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রেমিক মিশন ইসলাম, তার মা বানু আক্তার (৪৩) এবং সহযোগী মিজানুর রহমান মিল্টনকে (২৪) গ্রেফতার করা হয়। তারা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

পিবিআইয়ের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, গার্মেন্টসে চাকরির সুবাদে ৫ বছর আগে মিশনের সঙ্গে ডলির পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে ডলি মিশনের বাসায় যান। রাতে মিশন ও ডলি একই কক্ষে অবস্থান করেন। পরে বিয়ে-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ডলিকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে লুঙ্গি ও বালিশ দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন মিশন। লাশটি পরদিন সকাল পর্যন্ত চৌকির নিচে লুকিয়ে রাখা হয়।

পরবর্তী ১২ সেপ্টেম্বর নিহতের ভাই সোহেল বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় মামলা করেন। ক্লোলেজ মামলাটি তদন্ত করে পিবিআই দ্রুত ওই তিন আসামিকে গ্রেফতার করে এবং তাদের বাসা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বটি, ডলির পরিচয়পত্র, মুঠোফোন ও জুতা উদ্ধার করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এর আগে, গত ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকালে গাজীপুর সদর উপজেলার মেম্বারবাড়ী এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভবানীপুর ফকিরা গার্মেন্টসসংলগ্ন আবুল কাশেমের বহুতল ভবনের পাশে কালভার্টের নিচে একটি কালো রঙের সুটকেস দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে জয়দেবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুটকেস খুলে নারীর দ্বিখণ্ডিত ও অর্ধগলিত লাশের একটি অংশ এবং আশপাশে তল্লাশি করে বস্তাবন্দী লাশের অপর অংশ উদ্ধার করা হয়।

আ/আ


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com