• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সারাদেশ

সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ড ১৪ বছর কারাবন্দি এনামুলের মায়ের কান্না থামছে না

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১২
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১২

সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ড ১৪ বছর কারাবন্দি এনামুলের মায়ের কান্না থামছে না

সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ড ১৪ বছর কারাবন্দি এনামুলের মায়ের কান্না থামছে না

শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত

বহুল আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনী হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত না থাকলেও দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর ধরে সন্দেহভাজন আসামি হিসাবে কারাঅন্তরীণ আছেন নিরাপত্তাপ্রহরী হুমায়ুন কবীর ওরফে এনামুল। ছেলের এ দুরবস্থায় মা ফাতেমা বেগমের কান্না যেন থামছে না।

১২ সেপ্টেম্বরের যুগান্তরে ছেলের মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ার খবর ও তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার প্রতিবেদনে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত না থাকার খবরে তিনি আরও ভেঙে পড়েছেন। ছেলের নাম ধরে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন, জ্ঞান ফিরলেই বলে ওঠেন আমার ছেলের কী অপরাধ ছিল? এ ঘটনায় জড়িয়ে স্বামীকে পঙ্গু করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়। হারাতে হয়েছে শাশুড়িকে। এখন ছেলের জীবিত মুখ দেখা নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেন।

রোববার বড়লেখার পূর্ব দক্ষিণভাগ গ্রামে এনামুলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, মা ফাতেমা বেগমের কান্নায় বিষাদময় পরিবেশ বিরাজ করছে। ছেলে সাহিন আহমদ ও লাভলু আহমদ মাকে কোনোভাবেই যেন সান্ত্বনা দিতে পারছেন না। হুমায়ুনের বড়ভাই সাহিন আহমদ জানান, সাংবাদিকদের মাধ্যমে সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডে এনামুল জড়িত নয়-এ খবর পেয়ে মা নিজেকে সামাল দিতে পারছেন না। বারবার একটি কথাই বলছেন, ১৪টি বছর ছেলের কোনো খোঁজ নেইনি। কোথায় আছে, কীভাবে আছে, তার কাছে যেতে পারিনি, তাকে কারাগার থেকে বের করে আনতে পারিনি। কিন্তু ঢাকায় কারাগারে যাওয়ার তাদের সেই সামর্থ্য নেই। নেই আইনজীবী ধরার টাকা-পয়সাও। বাবার চিকিৎসায় সব শেষ করে দিয়েছেন। তবুও বাঁচাতে পারেননি।

সাহিন আহমদ জানান, ২০১২ সালে বাবাকে ধরে নেওয়ার পর এখন পর্যন্ত পরিবারের প্রতিটি সদস্য এক মুহূর্তের জন্যও শান্তিতে থাকতে পারিনি, রাতে ঘুমাইনি। বাবা ফিরে আসার পর বলেছেন, যারা ধরে নিয়ে ছিল তারা বলেছে, নির্যাতনের ব্যাপারে যেন কাউকে কিছু না বলেন। প্রায় এক মাস তিনি কোনো কথা বলেননি। কাউকে চিনতেও পারেননি। এর তিন মাস পর এনামুলের গ্রেফতারের খবর পাই। কিন্তু ভয়ে আমরা তার খোঁজ নিতে যাইনি। বাবার চিকিৎসায় সর্বস্ব খুইয়েছি। আমরা দিনমজুর মানুষ। কীভাবে ভাইয়ের খোঁজ নেব, কীভাবে ঢাকায় যাব আর উকিল ধরব। এই কয়েকদিন ধরে মায়ের মূর্ছা যাওয়া, জ্ঞান হারানো, পাগলামি কথাবার্তায় আমরা কেউ কাজকর্মে যেতে পারছি না। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে বাঁচাই এখন আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

আ/আ


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com