শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
সাভারের আশুলিয়ায় পূর্ববিরোধের জেরে শ্রমিক দল নেতার বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এতে ইয়ারপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহসভাপতি সাঈদ হাসান মিঠুসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে আশুলিয়ার কাঠালতলা, চিত্রশাইলের মানিকগঞ্জপাড়া ও কামরুলেট মোড় এলাকায় পৃথকভাবে এসব হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ববিরোধের জেরে একদল ব্যক্তি আশুলিয়া থানা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামের বাসায় হামলা চালায়। এ সময় বাসায় গুলিবর্ষণ ও ভাঙচুর করা হয়। একপর্যায়ে বাসার সিঁড়ির নিচে হামিম নামের এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ফেলে রাখা হয়।
রবিউল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘হাবিব ও হাসান বাহিনীর লোকজন আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাসায় গুলি চালায় ও ভাঙচুর করে। আমাকে না পেয়ে আমার কর্মী হামিমকে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়। আমি মাদকের বিরুদ্ধে মিছিল করায় তারা আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে এ হামলা চালিয়েছে।’
তবে হামলা ও গুলির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. হাবিব।
তিনি বলেন, ‘এই হামলার সঙ্গে আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। বরং তারা আমার দুই ছেলেকে মারধর করেছে। আমি দূরে অবস্থান করায় ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি দেখতেও পারিনি।’
অন্যদিকে সাঈদ হাসান মিঠুর মাথা ও বাম হাতে কুপিয়ে এবং ডান হাতে গুলি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নারীসহ আরো কয়েকজন আহত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে আহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা ও পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার একপর্যায়ে পুলিশের সাইরেন শুনে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘ইন্টারনেট ব্যবসা নিয়ে ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আ/আ













