বিনোদন ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি
‘ফিফটি শেডস’ দিয়ে বিশ্ব জুড়ে পরিচিতি পেলেও ছবিটির নির্মাণপ্রক্রিয়া নিয়ে সবসময় সন্তুষ্ট ছিলেন না অভিনেত্রী ডাকোটা জনসন। ২০২২ সালের এক সাক্ষাৎকারে তিনি ছবিটির কাজকে অগোছালো ও মানসিকভাবে কঠিন অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা করেন। তার ভাষ্য, যে ধরনের সিনেমায় তিনি সই করেছিলেন, শেষ পর্যন্ত সেটি ভিন্ন রূপ নেয়। ‘ফিফটি শেডস’-এর পর নিজেকে ‘সেক্স সিম্বল’ পরিচয়ের মধ্যে আটকে রাখেননি ডাকোটা। বদলে যান তিনি। বদলে ফেলেন ক্যারিয়ারগ্রাফ। ‘সাসপিরিয়া’, ‘দ্য লস্ট ডটার’, ‘চা চা রিয়েল স্মুথ’সহ ভিন্নধর্মী সিনেমায় অভিনয় করে নিজের অভিনয়ক্ষমতার নতুন দিক তুলে ধরেন তিনি।
অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনাতেও যুক্ত হয়েছেন ডাকোটা। সাবেক নেটফ্লিক্স নির্বাহী রো ডনেলির সঙ্গে গড়ে তোলেন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান টি টাইম পিকচার্স। ‘চা চা রিয়েল স্মুথ’, ‘অ্যাম আই ওকে?’ ও ‘ড্যাডিও’র মতো প্রকল্পে প্রযোজক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। ফলে এখন শুধু চরিত্র নির্বাচন নয়, কোন গল্প পর্দায় আসবে, সেই সিদ্ধান্তেও ভূমিকা রাখছেন অভিনেত্রী। তবে ক্যারিয়ারে বড় ধাক্কাও এসেছে। ২০২৪ সালের ‘ম্যাডাম ওয়েব’ ছবিতে ক্যাসান্দ্রা ওয়েব চরিত্রে অভিনয় করলেও সিনেমাটি সমালোচকদের ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়ে।
বক্স অফিসেও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি ছবিটি। পরে এ নিয়ে ডাকোটা বলেন, বড় বাজেটের সিনেমায় সৃজনশীল সিদ্ধান্ত অনেক সময় কমিটির হাতে চলে যায়। ফলে শুরুতে যে পরিকল্পনা থাকে, শেষ পর্যন্ত ছবিটি সেখান থেকে অনেকটাই বদলে যেতে পারে। তার মতে, এমন ব্যর্থতার দায় একা অভিনেত্রীর নয়। এখন নিজের পছন্দের গল্প ও নির্মাণপ্রক্রিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন ডাকোটা।













