নিবন্ধন পেতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন করবে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নেতাদের দল এবি পার্টি। নিবন্ধন দিতে টালবাহানা হলে গণআন্দোলনের হুমকি দিয়েছে দলটি। দলের সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর নজরদারি ও জামায়াতের হিংসাত্মক প্রতিক্রিয়া মোকাবেলায় জেলা উপজেলায় অফিস ও কমিটি করেছেন।
শনিবার সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকার প্রশ্ন তুলে জামায়াত থেকে তিনি বহিস্কার হয়েছিলেন। রোববার নিবন্ধনের আবেদন করা হবে জানিয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু আরও বলেন, এবি পার্টি গঠনের ঘোষণার পর থেকেই জামায়াতের উগ্রপন্থি একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফতোয়াবাজি করছে। অপপ্রচার চালাচ্ছে। এমনকি হত্যার ফতোয়াও দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নিবন্ধন পাওয়া খুবই কঠিন। ঘরোয়া সভা করলেও অনুমতি নেই অজুহাতে পুলিশ বাধা সৃষ্টি করে। সভায় আগতদের ছবি, ঠিকানা, ফোন নম্বর নিয়ে ভীতি তৈরি করে। রয়েছে ইসির অগণতান্ত্রিক শর্তের বেড়াজাল। চলমান স্বৈরশাসনে কোন রাজনৈতিক দল স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না। এমন সময়ে ২৩ জেলায় ও ১০০ উপজেলায় কমিটি গঠন, ২০-২২ দলীয় সদস্যের দালিলিক প্রমাণ ও কার্যকর অফিস স্থাপন দুরূহ। পুলিশি হয়রানির কারণে মালিকরা অফিস ভাড়া দিতে চান না। তারপরও এবি পার্টি সব শর্ত পূরণ করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতা করেন এবি পার্টির আহবায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরী। আরও উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ডাঃ মেজর (অবঃ) আবদুল ওহাব মিনার, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম প্রমুখ।












