ডেস্ক নিউজ
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পরিবেশ মোটেও ভালো লাগেনি বলে মন্তব্য করেছেন হিরো আলম। অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। হিরো আলম বলেন, “আগে বগুড়ায় ফুল দিয়েছি। ঢাকায় এবারই প্রথম। কিন্তু এখানকার পরিবেশ আগের মতো আর নেই। আমার কথা–আমরা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাব, ফুল দেব। কিন্তু এখানকার পরিবেশ আজকে দেখলাম লোক দেখানো। এগুলো ফুল দেওয়া বলে না, শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো বলে না।
এখানে এসে স্লোগান দেয় ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, এখানে এসব স্লোগান চলে না।”
আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে যখন বের হচ্ছিলেন, তখন তাকে ঘিরে তৈরি হয় ভক্তদের জটলা। এ সময় অনেকের সেলফির আবদার মেটান তিনি। পরে শহীদ মিনারের সার্বিক পরিবেশের তীব্র সমালোচনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচিত এই ব্যক্তি বলেন, ‘সবাই এখানে শহীদদের কথা বলবে। এখানে রাজনীতির কথা কেন হবে। আজকে শহীদের কথা বলবে তারা। আর ফুল দেওয়ার আগে ফটোসেশন করে, ফটোশুটের জন্য জায়গা তো এটা নারে ভাই।’
ভাষার মাসে দেশে ভারতীয় ‘পাঠান’ সিনেমা মুক্তির প্রক্রিয়া নিয়েও সমালোচনা করেন হিরো আলম। তিনি বলেন, ‘বিষয়টা আমার কাছে লজ্জাজনক। ভাষার মাসে মাতৃভাষার কোনো সিনেমা রিলিজ করা উচিত ছিল। আমি মিডিয়ার লোক হলেও বলব, পাঠান ছবি ভাষার মাসে রিলিজ দেওয়ার পক্ষে নই।’
সম্প্রতি বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়েছেন হিরো আলম। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে মহাজোটের প্রার্থী রেজাউল করিম তানসেনের কাছে মাত্র ৮৩৪ ভোটে পরাজিত হন। কোনো দলের প্রার্থী না হলেও এখন পুরোদমে রাজনীতিতে সক্রিয় বলে দাবি করেন তিনি। হিরো আমল বলেন, ‘পুরোপুরি রাজনীতির ভেতর আছি এখন। যেহেতু দেশের লোক ভালোবাসা দিয়েছে। আর দেশের জন্য কাজ করতে চাই। এ জন্য জনগণের পাশে থাকতে চাই।’












