• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

সারাদেশ

বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ জেলের মা

প্রকাশ: শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ২:২২
আপডেট: শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ২:২২

 

‘শেষবারের মতো ছেলেটার মুখ আমি দেখতে পারিনি’

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া একটি ট্রলারে জলদস্যুদের হামলায় জীবন বাঁচাতে সাগরে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হওয়া ৯ জেলের মধ্যে পাঁচ জেলের এখনো সন্ধান মেলেনি। আট দিনেও তাঁদের সন্ধান না পাওয়ায় আহাজারি চলছে এসব জেলে পরিবারে। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিরা নিখোঁজ হওয়ায় গভীর অনিশ্চয়তা তাড়া করছে পরিবারগুলোতে। সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরা।

বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের চরকগাছিয়া গ্রামের বাসিন্দা কাইউমের আয়ে চলতো ছয় সদস্যের সংসার। আজ শুক্রবার দিবাগত রাতে বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুদের হামলার নিখোঁজ ৯ জেলের মধ্যে কাইউম একজন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কাইউমের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ঘরের সামনে ১৫ থেকে ২০ জন স্বজন। তাঁদের সবার চোখে হতাশার ছাপ। নিখোঁজ কাইউমের স্ত্রী ফজিলা বেগম এক সপ্তাহ ধরে মুখে দানাপানি দিচ্ছেন না। দিন-রাত শুধু কাঁদছেন। বিলাপ করতে করতে ফজিলা বেগম বলেন, ‘তোমাগো ধারে মুই, মোর পোলাপান আজীবন গোলাম থাকমু, খালি মোর স্বামীরে একটু আইন্না দেও।’ মায়ের আজাহারি দেখে কাইয়ুমের ছোট ছোট তিনটি ছেলে-মেয়েও কাঁদছিল।

একদিকে নিখোঁজ স্বামীর জন্য দম আটকানো আর্তনাদ, আরেকদিকে সংসার, ছোট ছোট ছেলে–মেয়েদের কী হবে—এ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা ফজিলা বেগমকে আরও বিচলিত করে তুলেছে। ফজিলা বেগম কান্না থামিয়ে ফোঁপাতে ফোঁপাতে বলেন, আজ সন্ধ্যার পরে তাঁকে ট্রলার থেকে ফোন করেছিলেন তাঁর স্বামী। বলেছিলেন সাগরযাত্রার কথা এবং সবাইকে নিয়ে সাবধানে থাকার কথা। বলেছিলেন তাঁর (কাইউম) জন্য দুশ্চিন্তা না করার কথা। এক সপ্তাহ পরে ফিরে আসার কথা বলেছিলেন কাইউম। এই-ই ছিল শেষ কথা। এরপর যতবার ফোন দিয়েছেন আর পাননি।

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ
উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]

© Copyright . শীর্ষ খবর ডট কম