সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
“আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল নারীর সুখী সমৃদ্ধশালী ও সম্মানজনক জীবন কামনা করে তাদেরকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানাচ্ছি।
আন্তর্জাতিক নারী দিবসের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। দিবসটি পালন করার মূল উদ্দেশ্য হলো বৈষম্য কমানো ও তাদের সম্মান জানানো। অর্ধেকেরও বেশী নারী অধ্যুষিত বাংলাদেশের নারীরা সবসময়ই থেকেছে অবহেলিত। সমাজে তাঁরা যেন কখনোও বৈষম্যের শিকার না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা। আমাদের দেশের নারীদের কল্যাণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রশংসনীয় উদ্যোগে নারীরা আজ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে নারীদের সমতায়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণের কারনেই বাংলাদেশে পিছিয়ে থাকা নারীরা নিজেদেরকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে অনেকটাই সক্ষম হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে নারীরা দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে বলে আমরা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি। তবে বর্তমান শাসনকালে নারীর প্রতি সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে উদ্বেগজনকভাবে। বর্তমান দু:সময়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হচ্ছে অত্যূগ্র মাত্রায়। দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রতিহিংসার শিকার হয়ে বন্দী। নারী হলেও তাঁর ওপর চালানো হচ্ছে বন্য বিচারের জুলুম। এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি’র অবসান ঘটাতে হবে। এবারের আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মূল থীম “অন্তর্ভুক্তি অনুপ্রাণিত করুন” এর সফলতা কামনা করছি।
আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এই শুভক্ষণে আমি নারী সমাজের প্রতি গুরুত্বারোপসহ তাদের সার্বিক উন্নয়নে সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার জন্য উদাত্ত আহবান জানাই।












