কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লায় সাংবাদিকদের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন সদস্যের কমিটিতে প্রধান হলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সালমা ফেরদৌস। কমিটির সদস্য সচিব সিনিয়র সহকারী সচিব ইমদাদুল হক তালুকদার ও সদস্য লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌমিতা দাস।
তারা গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক ও অভিযুক্ত কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ারের বক্তব্য শুনেছেন। সারওয়ার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের ছোট ভাই।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১০ আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের ভাই দুই সাংবাদিকের ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়েছে নেয়। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সালমা ফেরদৌস ঘটনায় ভূক্তভোগী সাংবাদিক এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য শোনেন। সালমা ফেরদৌস বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মহোদয় বিষয়টি আমাদের তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন। দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। এ বিষয়ে তদন্ত করে পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও পড়ুন>> যে কদিন বাঁচব, ক্রিকেটের সঙ্গেই থাকব: নান্নু
উল্লেখ্য, অর্থমন্ত্রীর মেয়ে নাফিসা কামাল সোমবার লালমাই উপজেলার হাজতখোলায় নৌকার প্রচারণায় আসেন। এ সময় সাংবাদিকরা প্রচারণার ছবি তোলাকালে লালমাই বার্তার স্টাফ রিপোর্টার কাজী ইয়াকুব আলী নিমেলের মোবাইল ছিনিয়ে নেন। তিনি অর্থমন্ত্রীর ছোট ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ার। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বে তিনি।
এছাড়াও তিনি দৈনিক আমাদের কুমিল্লার লালমাই প্রতিনিধি গাজী মামুনের মোবাইল ফোন ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি ওই সংবাদকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সাংবাদিকের এতো ভিডিওর দরকার নেই। সারাক্ষণ খালি ছবি তোলা আর ভিডিও করার কোনো কাজ নেই।












