• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

আমাদের পেটে লাথি দিয়ে পেট ভরাও কার?

প্রকাশ: রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৪ ৮:১৪
আপডেট: রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৪ ৮:১৪

96666896 2

আমাদের পেটে লাথি দিয়ে পেট ভরাও কার?

আনিসুর রহমান ফারুক, ময়মনসিংহ :
কর্ম দাও পেটে লাথি দিও না, আমাদের পেটে লাথি দিয়ে পেট ভরাও কার? আম্মা ক্ষিদা লাগছে ভাত দেও এমন লেখা সম্মিলিত প্ল্যাকার্ড গলায় ঝুলিয়ে হঠাৎ উচ্ছেদের প্রতিবাদে ময়মনসিংহের জয়নুল আবেদীন পার্কে চটপটি, ফুচকা এবং ঝালমুড়ি বিক্রেতারা মানববন্ধন করেছেন। রোববার দুপুরে বিভাগীয় কমিশনার কাযার্লয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে কয়েক শ ব্যবসায়ী ও তাদের স্বজনরা পুনবার্সনের দাবি জানান।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রোকেয়া বেগম, মোখলেসুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, ইমরান হোসেন এবং রুবেল মিয়াসহ অন্যরা।

এসময় বক্তারা বলেন, পার্ক পরিচ্ছন্ন রেখে ২০—২৫ বছর ধরে আমরা ব্যবসা করে আসছি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হঠাৎ কোনপ্রকার নোটিশ না দিয়ে আমাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। আমরা ২০০ পরিবার ষড়যন্ত্রের শিকার। বিগত সময়ে উচ্ছেদ করা হলেও ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। কিন্তু এবার গত ২ অক্টোবর সিটি করপোরেশন ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে আমাদের উচ্ছেদ করলে আর ব্যবসা করার সাহস পাচ্ছি না। যার কারণে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ছেলে—মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধের পথে। আমাদের প্রতি চরম অন্যায় করা হচ্ছে। হাঁড়িতে ভাত না থাকায় রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি। হয়তো ভাত দেন না হয় ব্যবসা। অন্যথায় মরণ ছাড়া কোন উপায় নেই।

বক্তারা আরও বলেন, পার্কের ভেতরে ফুড পার্ক নামে একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে, সেটি নারী উদ্যোক্তাদের নামে বরাদ্দ নেওয়া হলেও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িতরা পরিচালনা করে আসছেন। আমাদের জন্য তাদের ব্যবসা মন্দা হচ্ছে এমনটি ধারণা করে তারা আমাদের পেটে লাথি দিচ্ছে। নিজেদের জীবন—জীবিকা নিবার্হের কথা চিন্তা করে ব্যবসা করার সুযোগদানে বিভাগীয় কমিশনার ও সিটি করপোরেশনের প্রধান নিবার্হী কর্মকতার্ বরাবরে স্মারকলিপিও দেয়া হয়েছে। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রধান নিবার্হী ইউসুফ আলী বলেন, হকাররা বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে তারা পার্কে ব্যবসা করত। আর পার্ক হচ্ছে মূলত বিনোদন ও অক্সিজেন নেওয়ার জায়গা। তারা আন্দোলন করলেও সেখানে তাদের বসতে না দেওয়ার পক্ষে এখনও পর্যন্ত আমরা অনড়। ব্যবসার সুবিধার্তে তারা যে জায়গা থেকে পার্কে জড়ো হয়েছিল পুনরায় সে জায়গায় গিয়ে তারা তো অন্তত ব্যবসা করতে পারে।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com