কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুমারখালী সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে নিয়োগের অভিযোগে কুমারখালী পৌর মেয়র ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং ভোকেশনাল শাখার শিক্ষক প্রতিনিধি মো. আব্দুস সাত্তারকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (১৪ মে) সকাল ১১ টায় জেলা ও দায়রা জজ বিশেষ আদালতের বিচারক আশরাফুল ইসলাম তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিন প্রাপ্তরা হলেন- কুমারখালী পৌর মেয়র ও বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সাবেক সভাপতি মো. সামসুজ্জামান অরুণ, প্রধান শিক্ষক মোহা. আবুল কাশেম ও বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখার শিক্ষক প্রতিনিধি মো. আব্দুস সাত্তার।
উল্লেখ্য যে, কুষ্টিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নীলকমল পাল বাদী হয়ে জেলা ও দায়রা জজ বিশেষ আদালতের বিচারক আশরাফুল ইসলামের আদালতে মামলাটি করেছিলেন।
নীলকমল পাল বলেন, ‘ভুয়া কাগজপত্র তৈরি ও অপরাধমূলক অসদাচরণ করে পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে রেকর্ডপত্র সৃষ্টি করা এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালার বিধিবিধানসহ সরকারি প্রজ্ঞাপনের নিয়ম ভেঙে কুমারখালী সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক/ কর্মচারী পদে নিয়োগদান ও গ্রহণের অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে।’
‘জড়িতদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা তৎসহ ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারার অপরাধ সংগঠনের অভিযোগ আনা হয়েছিল।’
এ মামলার আরো আসামিরা তালিকায় থাকা কুমারখালী সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা হলেন, গণিত বিভাগের মো. খলিলুর রহমান, কম্পিউটার বিষয়ের আসমা বেগম মালা (৪৪), ব্যবসায় শিক্ষা শাখার এস এম আতি-বিন বাপ্পী (৩৪), সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের কুতুবুল আলম (৩৩), মনিরা পারভীন (৩৩), জীব বিজ্ঞান বিভাগের লুৎফুন নাহার লাবনী (৩৮), ভৌতবিজ্ঞান বিভাগের শেখ মো. সেলিম রেজা (২৮), আব্দুল্লাহ মোহাম্মদী (৩৬), ইসলাম শিক্ষা বিভাগের আমিরুল ইসলাম (৩৮) এবং সমাজ বিজ্ঞানের মো. শহিদুল ইসলাম (৪৮)।
এ ছাড়া বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ডেমোনেস্ট্রেটর সাদী আক্তার (২৬), নিম্নমান সহকারী বাসনা রানী কর্মকার (৪৪), আয়া মোছা. রুপালী খাতুন (৪৪), পরিচ্ছন্নতা কর্মী সনজিত কুমার বাঁশফোর (৩৬), নৈশ প্রহরি মো. নাসিম হোসেন (৩৪), অফিস সহায়ক মো. আলমগীর হোসেন (৪১), নিরাপত্তা প্রহরী মো. আমিরুল ইসলাম (২৫), ল্যাব সহকারী মোছা. খাদিজাতুল কোবরা (৪১) এবং কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৭)কেও মামলায় আসামি করা হয়েছে। তবে এ আসামিরা হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছে।












