কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শেখ হাসিনা হলে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ছাত্রী ফুলপরী খাতুন। আজ মঙ্গলবার বিকেলে তিনি কুষ্টিয়ার আদালতে তার আইনজীবীর চেম্বারে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ফুলপরী বলেন, ‘আমার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। আমি তাদের ছাত্রত্ব বাতিল চাই।’ নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করার কথাও জানান তিনি।
আদালত, তদন্ত কমিটি ও গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করে ফুলপরী বলেন, ‘গণমাধ্যমকর্মীরা আমার পাশে ছিলেন, সঠিক তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করেছেন। যা আমার ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে সহায়ক হচ্ছে।’
এ সময় আইনজীবী পিএম সিরাজ প্রামাণিক বলেন, র্যাগিংয়ের নামে ফুলপরীর ওপর যে নিপীড়ন-নির্যাতন চালানো হয়েছে তা জঘন্যতম অপরাধ। তদন্ত কমিটি ইতিমধ্যে তাদের প্রতিবেদন হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তাতে ভুক্তভোগীকে অমানবিক নির্যাতনের বিষয়টি উঠে এসেছে।
এ সময় ফুলপরীর বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ছাত্রী ফুলপরীকে গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে হলের গণরুমে প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা অমানবিক নির্যাতন করেন শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সানজিদা চৌধুরী অন্তরাসহ বেশ কয়েকজন। ওই ঘটনায় হাইকোর্টের নির্দেশে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, আবাসিক হল এবং বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা মেলায় ইতিমধ্যে অভিযুক্ত পাঁচ ছাত্রীর আবাসিকতা বাতিল করেছে হল কর্তৃপক্ষ।













