ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদলের দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ছাত্রদলের অভিযোগ, ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের নির্দেশে এ হামলা চালানো হয়েছে। তবে ছাত্রদল কর্মীদের মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।
মারধরের শিকার কর্মীরা হলেন মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রদলের কর্মী ও ২০১৬-১৭ সেশনের কমিউনিকেশন ডিসঅর্ডার বিভাগের ছাত্র মাহমুদুল হাসান এবং ২০১৭-১৮ সেশনের বিশ্বধর্মতত্ত্ব ও সংস্কৃতি বিভাগের ছাত্র ও জসীমউদ্দিন হলের ছাত্রদল কর্মী জুবায়ের আলী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাহবাগে পাঠপুস্তকের বিভিন্ন বিষয়ে ভুল নিয়ে ‘লালকার্ড সমাবেশ’ পণ্ড হওয়ার পর দুপুর দেড়টার দিকে ছাত্রদলের ওই দুই কর্মীকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে পেয়ে মারধর করা হয়। এরপর ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাদের জেরার উদ্দেশে মিলনচত্বরের দিকে নিয়ে যায়।
মারধরের শিকার ছাত্রদল কর্মী মাহমুদুল হাসান বলেন, আমাদের জয় বাংলা স্লোগান দিতে বাধ্য করা হয়। আমরা স্লোগান না দেওয়ায় আমাদে ধর ধর বলে দৌড়ানি দেয়। একপর্যায়ে কিল, ঘুষি দিতে থাকে। যারা মারধর করেছে তারা ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের কর্মী বলে জেনেছি। তবে নাম পরিচয় জানি না।
এদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তানভীর হাসান সৈকত বলেন, এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। জেনেছি, মাহমুদুল নামের ছেলেটা আগে ইসলামী শাসনতন্ত্র করত। গত বছর সে ছাত্রদলে যোগ দেয়। ছাত্রদলে নাম পাকাপোক্ত করতে সে ছাত্রলীগের নামে এরকম অভিযোগ করছে।












