ভারী কলকারখানা, রাসায়নিক প্ল্যান্ট, যানবাহনের হাইড্রোলিক হর্ন ও নির্মাণকাজের উচ্চ শব্দে ঢাকাবাসী নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। ঢাকায় যানবাহনে হাইড্রোলিক হর্নের উৎপাতে অতিষ্ঠ নগরবাসী। গণপরিবহনসহ ব্যক্তিগত যানবাহনে হাইড্রোলিক হর্নের ব্যবহার বেড়েছে। দেশের বিভাগীয় শহর এবং রাজধানী ঢাকায় নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে শব্দসন্ত্রাস।
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) এক জরিপে দেখা গেছে, রাজধানীর অনেক জায়গায় শব্দের মাত্রা ‘মানমাত্রার’ চেয়েও দেড়-দুইগুণ বেশি। কোনো নিময়নীতি না মেনেই যেখানে সেখানে হর্ন দিচ্ছেন চালকরা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও বিভিন্ন অফিস আদালতের সামনে হর্ন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানছেন না অনেকেই। উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাস, মিনিবাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যানসহ নানা ধরনের যানবাহনে তা ব্যবহার হয়ে আসছে। শব্দসন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে দূষণের প্রধান উৎস গাড়ির হর্ন, মাইক, হাইড্রোলিক হর্র্ন বাজানোর ক্ষেত্রে বিধিমালা প্রণয়নসহ সবার সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
৩ মার্চ বিশ্ব শ্রবণ দিবসে স্পিচ এন্ড হিয়ারিং এসোসিয়েশনের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকায় ৫৬ ভাগ ট্রাফিক পুলিশ কানে কম শোনেন। শব্দ দূষণে প্রতি বছর প্রায় আড়াই থেকে তিন লাখ মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছে। থাইরয়েড রোগী বাড়ছে। যাদের অধিকাংশ ৪০ বছরের নারী। এছাড়া পরিবেশ দূষণ, বায়ু দূষণ এবং শব্দ দূষণের কারণে বন্ধ্যাত্ব বাড়ছে।













