ক্রীড়া প্রতিবেদক
ছবি: সংগৃহীত
অবশেষে ফিফার সব ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হলো বসুন্ধরা কিংস। ফলে ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হওয়ার আর মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকতেই নতুন খেলোয়াড় দলে নেওয়া ও নিবন্ধনের সুযোগ ফিরে পেয়েছে বাংলাদেশের বর্তমান লিগ চ্যাম্পিয়নরা।
সাবেক খেলোয়াড় ও কোচদের পাওনা পরিশোধ না করায় বসুন্ধরা কিংসের ওপর মোট ১৪টি ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ফিফা। এর মধ্যে ১১টি মামলা আগেই নিষ্পত্তি করেছিল ক্লাবটি। বাকি তিনটি নিষেধাজ্ঞাও শুক্রবার রাতে একসঙ্গে তুলে নেওয়া হয়েছে। এতে ছয়বারের লিগ চ্যাম্পিয়নদের ওপর থাকা ফিফার শেষ বাধাটিও দূর হলো।
নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় এখন দল গঠনে স্বস্তি ফিরেছে বসুন্ধরায়। কারণ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের সময়সীমা বাড়িয়ে ১ সেপ্টেম্বর করেছে। আর দেশের ঘরোয়া ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হবে ৩ সেপ্টেম্বর।
ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে বসুন্ধরা কিংসের পাশাপাশি নতুন খেলোয়াড় নিবন্ধনের সুযোগ ছিল না আবাহনীরও। তবে আবাহনী তাদের বকেয়া সংক্রান্ত মামলাগুলো আগেই নিষ্পত্তি করে ট্রান্সফার কার্যক্রম শুরু করেছে।
ইতোমধ্যে তারা বেশ কয়েকজন নতুন খেলোয়াড় দলে নিয়েছে, যার মধ্যে চারজন বিদেশি। তাদের অন্যতম নাইজেরিয়ার মাইকেল বাবাতুন্ডে। ২০১৪ বিশ্বকাপে নাইজেরিয়ার হয়ে খেলেছিলেন এই ফরোয়ার্ড।
বসুন্ধরা কিংস ও আবাহনী নিষেধাজ্ঞামুক্ত হওয়ার পরও বাংলাদেশের ক্লাবগুলোর বিরুদ্ধে ফিফার চারটি ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের বিরুদ্ধে রয়েছে দুটি মামলা, আর ফেনী সকার ক্লাবের বিরুদ্ধে একটি। তবে বর্তমানে এই দুই ক্লাবই সক্রিয় নয়।
এদিকে ফকিরেরপুল ইয়ং মেনস ক্লাবের ওপর থাকা দুটি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে একটি শুক্রবার তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে তাদের বিরুদ্ধে এখন একটি নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফকিরেরপুলও যদি শেষ নিষেধাজ্ঞাটি প্রত্যাহার করাতে পারে, তাহলে চলতি মৌসুমের লিগ ১৩ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হতে পারে।













