জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
‘দাবাং’ সিনেমা দিয়ে ২০১০ সালে সালমান খানের বিপরীতে বলিউডে অভিষেক ঘটে সোনাক্ষী সিনহার। সিনেমাটি ব্যবসায়িকভাবে সফল হয় এবং এর পর ব্যস্ততা বাড়তে থাকে অভিনেত্রীর। অভিনয় দিয়ে দর্শক মন জয় করে নেন।
এক যুগেরও বেশি সময় পার করে দিয়েছেন, এবার নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে অর্থাৎ নিজের অভিনেত্রী হয়ে ওঠা নিয়ে মুখ খুললেন সোনাক্ষী।
তবে নিজের অভিনেত্রী হয়ে ওঠার পেছনে পুরো কৃতিত্ব দিলেন সালমান খানকে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সোনাক্ষী সিনহা বলেন, ‘আমার বাবা এবং সেলিম খান সাহেব দু’জন বহু বছরের পরিচিত এবং খুব ভালো বন্ধু। আমরা সালমানের বাড়িতে গণেশ পূজা হোক বা দীপাবলি সব কিছুতেই অংশগ্রহণ করতাম। সেরকমই একটা অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম।
তখন আমার এখনকার মতো তণ্বী চেহারা নয়। আমি ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে কাজ করছি। এরকম সময়ে একদিন বাবার সঙ্গে তাদের বাড়ি গিয়েছিলাম। সেখানেই সেলিম সাহেব আমাকে বলেন, ‘কেন তুমি সময় নষ্ট করছ এসব করে? তুমি অভিনয় করো।
এরপর একদিন একটা ফ্যাশন শোতে সালমান ও তার পরিবারের সঙ্গে আমার দেখা হয়। আমি ওই ফ্যাশন শোতে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছিলাম। পারিশ্রমিক পেয়েছিলাম তিন হাজার রুপি। আমাকে দেখে সালমান জিজ্ঞেস করেন, আমি ওখানে কী করছি? তারপর মজা করে বলেন, আমার উপার্জনে তাকে নৈশভোজে নিয়ে যেতে।
একই সঙ্গে সোনাক্ষী বলেন, এরপর অমৃতা আরোরার বিয়েতে যখন গিয়েছিলেম তখন আরবাজ খান আমাকে ‘দাবাং’ ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন।
আমি সেই সময় বিষয়টাকে অতটা গুরুত্ব দিইনি। কিন্তু হঠাৎ একদিন দেখি অভিনব কাশ্যপ ও দিলীপ শুক্লা আমার বাড়িতে আসেন, সৌজন্য বিনিময় হয়। ব্যস, ওইটুকুই। তারপর তারা চলে যান। আমি তখনও জানি না যে আমি ওই ছবিতে অভিনয় করছি। তারা চলে যাওয়ার পর আমি জানতে পারি যে, পরের দিনই ‘দাবাং’ ছবির শুটিং ফ্লোরে আমাকে যেতে হবে। কথামতো পরের দিন সেখানে পৌঁছে আমার মনে হয় যে হ্যাঁ, এটাই আমার জায়গা। আমি এবার ঠিক জায়গাতে এসেছি।













