জনতার আওয়াজ ডেস্ক
শনিবার (২০ জুলাই) গ্রেফতারকৃত বাংলাদেশিদের বিষয়ে গনমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় জড়ো হয়ে মিছিল করে, যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে। পরিবহন চলাচলে ব্যাহত, সরকারী বেসরকারী কাজ বাধাগ্রস্ত, পথচারী ও সাধারণ মানুষের জনজীবন সহ বিবিধ সমস্যা সম্মুখীনের কথা উল্লেখ করা হয়। বিক্ষোভের ভিডিও রেকর্ড এবং সেগুলি অনলাইনে আপলোড করা হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেন৷
আইন বহির্ভূত এই বিক্ষোভে জড়িতদের তদন্ত সাপেক্ষে গ্রেফতার করা হয়। এবং তাদের বিরুদ্ধে দাঙ্গা মামলায় দ্রুত বিচারের আওতায় এনে
আবুধাবি ফেডারেল আপিল আদালত ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫৩ জনকে নির্বাসনের আদেশ দিয়েছে। একজনকে অনুপ্রবেশ এবং বিক্ষোভে অংশ নেওয়াই এগারো বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে মর্মে রায় প্রদান করেন।
যেহেতু, মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় দেশই একনায়কতন্ত্র শাসিত এবং কানুনের প্রতি আনুগত্য। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কমিউনিটির পক্ষ থেকে সে দেশে বসবাসরত বাংলাদেশীদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কমিউনিটির পক্ষ থেকে এই প্রসঙ্গে দলমত সকল প্রবাসীদের বসবাসরত দেশগুলোর আইনকে মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে। হাসিনার সরকার দেশে গণহত্যা চালাচ্ছে উল্লেখ করে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা গুলোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। প্রায় চারশোর অধিক শিক্ষার্থীদের হত্যার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন তারা। কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ বিক্ষোভকারীদের অপ্রত্যাশিত ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বিক্ষোভে যারা অংশগ্রহণ করেছে তারা সাধারণ প্রবাসী। দেশের অস্বাভাবিক পরিস্থিতিকে মানতে না পেরে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে এরা বিক্ষোভে জড়িয়েছে। তা কখনো কাম্য নয়। বাংলাদেশী গ্রেফতারকৃতদের হাইলাইটস করে আজকে আমিরাত সহ বিভিন্ন দেশের স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে, এই সংবাদ প্রবাসীদের জন্য শুভ বার্তা বয়ে আনে না। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ভিসা চালু পক্রিয়ায়ও এর বিরূপ প্রভাব পরবে কিনা সাধারনত প্রবাসীদের মাঝে নতুন করে একটি আতংকের জম্ম হয়েছে।
বিক্ষোভ করে যারা আমিরাত সহ বিভিন্ন দেশে গ্রেফতার হয়েছে তাদেরকে সাধারণ ক্ষমার আওতায় এনে পুনরায় স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে জেল থেকে মুক্ত করতে মধ্যপ্রাচ্যের কুটনৈতিক মিশন গুলোকে উদ্দ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান বাংলাদেশী প্রবাসী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ।













