• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সিলেটের ৬ উপজেলায় নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত

প্রকাশ: শনিবার, ২৫ জুন, ২০২২ ৫:১২
আপডেট: শনিবার, ২৫ জুন, ২০২২ ৫:১২

969685

সিলেটের ৬ উপজেলায় নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত

জেলা প্রতিনিধি

টানা বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট সিলেট-সুনামগঞ্জের বন্যার পানি নামছে ধীরগতিতে। ফলে এখনো দুই জেলার বেশির ভাগ এলাকা প্লাবিত অবস্থায় আছে। প্রায় ৯ দিন ধরে পানিবন্দী থাকায় দুর্ভোগ বেড়েই চলছে বানভাসিদের। অন্যদিকে কুশিয়ারা অববাহিকায় পানি বাড়ছে। নদীটিতে পানি বাড়ায় জকিগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, ওসমানীনগর, বালাগঞ্জ, বিশ্বনাথ, দক্ষিণ সুরমায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী আখলিছ মিয়া বলেন, ‘আমাদের এখানে তিন দিন আগেও পানি ছিল না, কিন্তু এখন পানি বাড়ছে। বাজারে পানি ঢুকে অনেক দোকান তলিয়ে গেছে।’

ওসমানীনগরের সাদিপুর গ্রামের রহমত আলী বলেন, ‘ছয় দিন ধরে পানি বাড়তেছে। সবকিছু এখন পানির নিচে। আমরা খুব সমস্যায় আছি। খাওয়াদাওয়া বন্ধ।’

গোলাপগঞ্জের শরীফগঞ্জ এলাকার হারিছ আলী বলেন, ‘উপজেলার সর্বত্রই এখন পানির নিচে। নেই ত্রাণসহায়তা। আমরা খেয়ে না-খেয়ে দিন কাটাচ্ছি।’

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সুরমা নদীর সিলেট পয়েন্টে পানি ৯ সেন্টিমিটার কমেছে এবং কুশিয়ারার অমলশীদ পয়েন্টে ৪ সেন্টিমিটার বেড়েছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সিলেটের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এস এম শাহিদুল ইসলাম। আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতি হয়েছে। আশা করি পানি আর বাড়বে না।’

১৫ জুন থেকে সিলেট-সুনামগঞ্জে দ্বিতীয় দফা বন্যা দেখা দেয়। দুদিন পর থেকে তা ভয়ংকর রূপ নেয়। প্লাবিত হয় সিলেটের ৮০ ও সুনামগঞ্জের ৯০ শতাংশ এলাকা। বন্যার কারণে ১৭ মে থেকে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে ৪৮ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বন্যায় ভয়াবহ পরিস্থিতির পর পাঁচ দিন ধরে ধীরে ধীরে পানি কমছে। তবে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে কিছু এলাকা এখনো পানিবন্দী।

সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের রাজারগাঁওয়ের বাসিন্দা কুদ্দুস মিয়া বলেন, পানি এক জায়গায় আটকে আছে। বাড়ছেও না, কমছেও না। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঘরের ভেতর পানি। উদ্বাস্তু হয়ে আর কত দিন থাকা যায়।

একই এলাকার রশীদ আলম বলেন, ‘পানি সহজে কমছে না, খাবার মিলছে না। জীবন অসহায় হয়ে পড়েছে।’

এদিকে, সিটি এলাকায় পানি প্রায় কমে গেলেও এখনো অনেকে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান।

তিনি বলেন, আশ্রয়কেন্দ্রে বানভাসিদের বিশুদ্ধ পানি, শুকনা খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। এ ছাড়া, সরকারিভাবে বরাদ্দ পাওয়া ত্রাণসামগ্রী বিভিন্ন ওয়ার্ডে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫( লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com