শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
কাতারে বোমা হামলা চালানোর বিষয়টি নিয়ে দম্ভ করেছেন দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। একই সঙ্গে গাজায় কাতারের পাঠানো অর্থ শুধু মানবিক সহায়তার জন্যই ব্যবহার হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম আই২৪নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু কাতারকে ‘শত্রুভাবাপন্ন’ রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, গাজা যুদ্ধের সময় কাতার ইসরাইলের নীতিতে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।
নেতানিয়াহু বলেন, আমি কাতারে হামলা চালিয়েছি, সেখানে বোমা মেরেছি এবং যুদ্ধের সময় তাদের ওপর হামলা করেছি।
২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর দোহায় হামাসের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে ইসরাইলি হামলার প্রায় এক বছর পর এই মন্তব্য করলেন তিনি। ওই হামলায় পাঁচ হামাস সদস্য ও কাতারের এক নিরাপত্তাকর্মী নিহত হন। হামলার সময় হামাসের নেতারা গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় ছিলেন।
দোহা ওই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে কাতারের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছিল। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে কাতারের প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফোন করে হামলার জন্য ক্ষমাও চান নেতানিয়াহু।
সাক্ষাৎকারে গাজায় কাতারের পাঠানো কোটি কোটি ডলারের অর্থ নিয়েও কথা বলেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী। তার দাবি, এসব অর্থ মানবিক সহায়তার জন্য ছিল এবং মোসাদ ও শিন বেতের সুপারিশের ভিত্তিতেই অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছিল।
তবে নেতানিয়াহুর সমালোচকদের অভিযোগ, এসব অর্থ হামাসকে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামলার প্রস্তুতিতে সহায়তা করেছিল। কাতার অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
দেশটির দাবি, তাদের দেওয়া সহায়তা গাজার মানুষের কাছে পৌঁছেছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল স্বচ্ছ ও নজরদারির মধ্যে।
এদিকে আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে নেতানিয়াহুর ওপর অভ্যন্তরীণ চাপও বাড়ছে। গাজা যুদ্ধ, অর্থনীতি এবং ইরানের সঙ্গে সংঘাত—সবকিছুই এবারের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।
আ/আ












