আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মণিপুরে চলমান সহিংসতার জেরে ভারতের লোকসভায় মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে সরকারের পতন না ঘটলেও মোদিকে কোণঠাসা করতে একাট্টা সদ্য সদস্যপদ ফিরে পাওয়া কংগ্রেস শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন বিরোধীদের জোট ‘ঐক্যজোট ইন্ডিয়া’।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে সংসদের বাদল অধিবেশনে শুরু হয় এই আলোচনা। প্রথমেই বক্তব্য রাখেন কংগ্রেস নেতা গৌরব গগৈ। তিনি বলেন, মণিপুর জ্বলছে অর্থ পুরো ভারত জ্বলছে। এর আগে আর কখনও এ ধরনের ভয়াবহ সহিংসতা ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যে দেখা যায়নি। মণিপুরে গিয়েছেন রাহুল গান্ধী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ অন্যরাও। কেন যাননি প্রধানমন্ত্রী? মণিপুর নিয়ে ৩০ সেকেন্ডের জন্য মুখ খুলতে কেন ৮০ দিন সময় নিলেন প্রধানমন্ত্রী?
সংসদীয় বিধি অনুযায়ী লোকসভা স্পিকার অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস গ্রহণের ১০ দিনের মধ্যে আলোচনা শুরুর কথা। স্পিকার ওম বিড়লার অনুমোদনক্রমে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে আলোচনা শুরু হয়। গত ২৬ জুলাই এই অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। তিনদিনে ১২ ঘন্টা এই বিষয়ে আলোচনা হবে।
এরমধ্যে বিজেপি ৬ ঘণ্টা ৪১ মিনিট ও কংগ্রেস এক ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় পাবে। বিরোধীদের পক্ষে আলোচনার সূচনা করবেন রাহুল। ১০ আগস্ট বর্ষাকালীন অধিবেশন সমাপ্তির দিন বিরোধীদের দেয়া বক্তব্যের জবাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাই, দীর্ঘদিন পর মোদি-রাহুল পাল্টাপাল্টি বিতর্ক দেখতে যাচ্ছে ভারত।
সদস্যপদ ফেরত পাওয়ায় সোমবারই লোকসভায় যান রাহুল। নতুন বিরোধী জোট-ইন্ডিয়ার বিধায়কদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হন কংগ্রেস শীর্ষ নেতা। অনাস্থা প্রস্তাব পাস করতে লোকসভার ৫৪৩ সদস্যের মধ্যে ন্যূনতম ২৭২ জনের সমর্থন লাগবে, বর্তমানে ক্ষমতাসীনদের এনডিএ জোটের সদস্য সংখ্যা ৩৩২ জন। সূত্র: বিবিসি













