আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
বাল্যবিবাহ, অল্প বয়সে বিয়ে ও জোরপূর্বক বিয়ে বন্ধে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর ২৭ নভেম্বর ‘বাল্য, অল্প বয়সে ও জোরপূর্বক বিয়ে নির্মূলকরণ’ দিবস পালনের ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘জাস্ট রাইটস ফর চিলড্রেন’-এর প্রতিষ্ঠাতা ভুবন রিভু জাতিসংঘের কাছে বাল্যবিবাহবিরোধী একটি আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণার প্রস্তাব দেন। তার উদ্যোগের পর সিয়েরা লিওন ৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করে। পরে প্রস্তাবটি অনুমোদন পায়।
২৭ নভেম্বরের সঙ্গে ভারতেরও বিশেষ যোগসূত্র রয়েছে। ২০২৪ সালের একই দিনে ভারত সরকার ‘বাল বিবাহ মুক্ত ভারত’ বা বাল্যবিবাহমুক্ত ভারত অভিযান শুরু করে।
জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ভুবন রিভু বলেন, দিনটির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ভারতের জন্য গর্বের বিষয়। তার দাবি, শিশুদের সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ভারতের উদ্যোগ এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়েও গুরুত্ব পাচ্ছে।
রিভুর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর বাল্যবিবাহ বন্ধের অঙ্গীকারে ভারতের ২৫ কোটির বেশি মানুষ যুক্ত হয়েছিলেন। শিশু, বিভিন্ন সম্প্রদায় ও সংগঠনের উদ্যোগে শুরু হওয়া সেই প্রচারাভিযান পরে সরকারি সমর্থন পায়।
তিনি বলেন, বাল্যবিবাহ বন্ধের বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় জাতিসংঘের এ সিদ্ধান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ২০৩০ সালের মধ্যে বাল্যবিবাহ নির্মূল করতে সরকারগুলোকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষা, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করতে হবে।
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ৫ নম্বর লক্ষ্য লিঙ্গসমতা অর্জনের সঙ্গে বাল্যবিবাহ নির্মূলের বিষয়টি সরাসরি সম্পর্কিত। এই লক্ষ্যের আওতায় বাল্য, অল্প বয়সে ও জোরপূর্বক বিয়েসহ শিশুদের জন্য ক্ষতিকর সব ধরনের প্রথা বন্ধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।












