জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেছেন, তিনি সেনাপ্রধান থাকাকালে কে, কখন, কোথায়, কতজন গুম হয়েছে, তা তিনি জানেন না। ফলে গুম হওয়া কাউকে তিনি উদ্ধারের চেষ্টা করেননি। তা ছাড়া গুম হওয়া কাউকে উদ্ধার করা তাঁর দায়িত্বও ছিল না।
গতকাল রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবীর জেরায় ইকবাল করিম এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার অভিযোগে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিচার চলছে ট্রাইব্যুনালে।
এ মামলায় প্রসিকিউশনের প্রথম সাক্ষী হিসেবে ইকবাল করিম গত ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য দেন। পরে তাঁর জেরা শুরু হয়। গতকাল বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১-এ তাঁকে তৃতীয় দিনের জেরা করেন জিয়াউল আহসানের আইনজীবী আমিনুল গনি টিটো।
এই আইনজীবীর এক প্রশ্নে ইকবাল বলেন, ‘আমি সেনাপ্রধান থাকাকালে কতজন গুম হয়েছিল, তা বলতে পারব না। যারা গুম হয়েছিল, তাদের কাউকে আমি উদ্ধারের চেষ্টা করিনি। কারণ এটা আমার দায়িত্বাধীন ছিল না এবং আমি জানতাম না, কে কখন কোথায় গুম হয়েছে।’
আরেক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘কে বা কারা গুম হচ্ছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে সামরিক গোয়েন্দা অধিদপ্তর কোনো তথ্য দিতে পারেনি।
তবে গুম হচ্ছে মর্মে তারা আমাকে জানিয়েছে।’
আরেক প্রশ্নে সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, ‘গুমের সংস্কৃতি প্রতিরোধ করতে আমি অসংখ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।












