• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

ইউপি নির্বাচন হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ, থাকছে না বিশেষ সুবিধা: মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬ ৩:১৫
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬ ৩:১৫

96596320

ইউপি নির্বাচন হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ, থাকছে না বিশেষ সুবিধা: মির্জা ফখরুল

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে ঘিরে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কোনো রাজনৈতিক দলের প্রভাব বা বিশেষ সুবিধার সুযোগ থাকবে না। ভোটারদের স্বাধীন মতামতের ভিত্তিতেই চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য নির্বাচিত হবেন।

বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তৃণমূল জনপ্রতিনিধি ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারদের করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সামনের বছরের প্রথম দিকেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচন হবে একেবারে নিরপেক্ষ। এখানে বিএনপি, জামায়াত বা অন্য কোনো দলের পরিচয়ে কেউ বাড়তি সুবিধা পাবেন না। জনগণের ভালোবাসা নিয়েই জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত হতে হবে।

তিনি বলেন, প্রকৃত গণতন্ত্রের ভিত্তি হচ্ছে স্থানীয় সরকার। স্থানীয় সরকার শক্তিশালী না হলে রাষ্ট্র কিংবা গণতন্ত্র কোনোটিই শক্তিশালী হতে পারে না। উন্নত দেশগুলোতে স্থানীয় সরকারই প্রশাসন, স্বাস্থ্যসেবা, স্থানীয় বিচারব্যবস্থা ও জনসেবার বড় অংশ পরিচালনা করে। বাংলাদেশেও সেই কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন দেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল করা হয়েছে। এখন গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্থানীয় সরকারকে কার্যকর ও ক্ষমতায়িত করতে হবে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, অতীতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নানান অজুহাতে বরখাস্ত করা হয়েছে। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে প্রমাণ ছাড়া ইচ্ছামতো অপসারণ করা উচিত নয়। আইন ভঙ্গ বা অপরাধ প্রমাণিত হলেই কেবল ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। এ বিষয়ে আইনি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের যথাযথ ক্ষমতায়ন ছাড়া স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হবে না। শুধু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার পরিচালিত হলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব নয়। উন্নয়ন কার্যক্রমে জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ডসহ সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। এতে প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন সহজ হবে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।

চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভাতা অপ্রতুল উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি নিজেও পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলাম। মাঠপর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের সমস্যা আমি জানি। তাদের ভাতা সম্মানজনক পর্যায়ে নেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবো।

ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতি দেশের জন্য কল্যাণকর নয়। ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’- এই নীতিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের পর চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় সংগঠন গঠনের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ওই সংগঠনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের দাবি-দাওয়া ও উন্নয়ন পরিকল্পনা আরও সুসংগঠিতভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. পয়গাম আলী, বাংলাদেশ ইউনিয়ন মেম্বার কল্যাণ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com