জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধপরিস্থিতিতে সৃষ্ট বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় সরকারি ব্যয় কমাতে ৯ খাতে কৃচ্ছ্রসাধনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্প্রতি এ লক্ষ্যে পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
পরিপত্রে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে একগুচ্ছ পদক্ষেপ কার্যকর থাকবে। সরকারি গাড়িতে জ্বালানি ব্যবহার ৩০ শতাংশ কাটছাঁট, ভ্রমণ ব্যয় একই হারে হ্রাসসহ অফিসে বিদ্যুৎ ও গ্যাস ব্যবহার কমানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কিনতে সুদমুক্ত ঋণ প্রদান স্থগিত এবং সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি সভা-সেমিনারেও কৃচ্ছ্রসাধন নিয়ম আনা হয়েছে। আপ্যায়ন ব্যয় অর্ধেকে নামিয়ে আনা এবং সেমিনার ও কনফারেন্স ব্যয় কমানোর কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি খাতে নতুন গাড়ি, জলযান, আকাশযান ও কম্পিউটার কেনা পুরোপুরি বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আবাসিক ও অনাবাসিক ভবনের শোভাবর্ধন এবং ভূমি অধিগ্রহণ ব্যয় আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। সরকারি ব্যয় কমানোর সামগ্রিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় সরকারের এই কৃচ্ছ্রসাধন পদক্ষেপকে পরিস্থিতি মোকাবিলার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।













