ভারত যাতে না ক্ষেপে সে জন্য আদানি গ্রুপের সঙ্গে ২৫ বছরের বিদ্যুৎ আমদানির মতো ক্ষতিকর একটি চুক্তি করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চুক্তির ভালো এবং খারাপ সব দিক জানার পরও শুধুমাত্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে খুশি করতে দেশের স্বার্থপরিপন্থী এ চুক্তি সই করেছেন হাসিনা।
ভারতের বেসরকারি আদানি গ্রুপের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের অযৌক্তিক এবং জনস্বার্থবিরোধী বিদ্যুৎ আমদানি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের করা এক অনুসন্ধানী রিপোর্টে এসব কথা বলা হয়েছে।
জাস্ট নিউজ পাঠকদের জন্য রিপোর্টের চুম্বক অংশের ভাবানুবাদ তুলে ধরা হলো:
ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ আমদানির জন্য ২৫ বছরের যে চুক্তি বাংলাদেশ সরকার করেছে তার উপকারের হিসাব মেলানোটা দুষ্কর বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।
রিপোর্টে বলা হয়, দুই দেশের করা ১৬৩ পৃষ্ঠার চুক্তিটি পর্যালোচনা করে দেখেছেন ৩জন শিল্পায়ন বিশেষজ্ঞ। তারা সেই গড্ডা চুক্তিটি বাংলাদেশের খুব একটা উপকারে আসবেনা বলে মত দিয়েছেন।
সিডনি ভিত্তিক জ্বালানি অর্থনীতির বিশেষজ্ঞ টিম বাকলে জানিয়েছেন, আদানি গ্রুপের গড্ডা বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হবার পরপরই বিদ্যুৎ উৎপাদন হোক বা না হোক বাংলাদেশকে প্রতিবছরই প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা লাগবে। এঅর্থ দিতে হবে শুধু বিদ্যুত কেন্দ্রের পরিচালনা খরচ মেটাতে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, এটা এখনো স্পষ্ট নয় যে ঠিক কবে থেকে বাংলাদেশ এ আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ পাবে। কারণ এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুত আনতে সরবরাহ লাইন তৈরির কাজটাও এখনো শেষ হয়নি।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার যে তথ্য, সে অনুযায়ী আদানির এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশটিতে না হলেও চলবে। কারণ বাংলাদেশে চাহিদার চাইতে ৪০ শতাংশ বেশী বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে।












